সোমবার ১০ আগস্ট ২০২০
Online Edition

কিশোরগঞ্জে গ্রাহকের অর্ধকোটি টাকা নিয়ে এনজিও কর্মকর্তা উধাও

নীলফামারী সংবাদদাতা : নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে বনি ইনভেষ্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানী বাংলাদেশ লিমিটেড নামে একটি এনজিও’র ম্যানেজার ও ক্যাশিয়ার ৫০৫ জন গ্রাহকের সঞ্চয়ের প্রায় অর্ধ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে অফিসে তালা ঝুলিয়ে রাতের অন্ধকারে উধাও হয়েছে। ওই এনজিও’র ম্যানেজার ও ক্যাশিয়ারের বিরুদ্ধে ফিল্ড সুপারভাইজার আমির আলী গ্রাহকদেরকে সাক্ষী করে ইতিমধ্যে নীলফামারী আদালতে মামলা করেছে। মামলা সূত্রে প্রকাশ, ঢাকাস্থ হেড অফিসে গ্রাহকদের সঞ্চয়কৃত টাকা জমা না দিয়ে শাখা ম্যানেজার আমিনুর রহমান ও ক্যাশিয়ার মাজেদুল ইসলাম সম্পূর্ণ টাকা হাতিয়ে নিয়ে পলায়ন করেন। গত ২রা মে তারিখে ১৭৩ জন গ্রহকের সঞ্চয়কৃত ১৪,২০,১১৮ টাকার মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় ফিল্ড সুপারভাইজার আমীর আলী ম্যানেজার ও ক্যাশিয়ারের সাথে কথা বলে জমাকৃত টাকার লভাংশসহ ফেরত নেয়ায় জন্য গ্রহকদেরকে কিশোরগঞ্জ থানা মোড় সংলগ্ন শাখা অফিসে আসতে বলেন। কিন্তু ১লা মে সোমবার রাতে বনি ইনভেষ্টমেন্টের শাখা ম্যানেজার পুটিমারী কাচারী পাড়া গ্রামের সাজারুল ইসলামের পুত্র আমিনুর রহমান ও ক্যাশিয়ার মুশরত পানিয়াল পুকুর গ্রামের মতিয়ার মুন্সির পুত্র মাজেদুল ইসলাম গ্রাহকদের সঞ্চয়ের সম্পূর্ণ টাকা আত্মসাৎ করে অফিসে তালাবন্ধ করে গোপনে পালিয়ে যায়। পরের দিন ফিল্ড সুপারভাইজার ও গ্রাহকগন অফিসে গিয়ে তালা ঝুলতে দেখে তাদের সাথে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে মোবাইল বন্ধ পায়। এদিকে মামলার সাক্ষী আসাদুল, সালাম ও মোস্তাকিম জানান, ৫০৫ জন গ্রাহকের মধ্যে ১৭৩ জনের প্রায় ১৫ লক্ষ ও অন্য ফিল্ড সুপারভাইজারের অধীনে অবশিষ্ট ৩৩২ জন গ্রাহকের সঞ্চয়কৃত প্রায় ২৫/৩০ লক্ষ টাকা হেড অফিসে জমা প্রদান না করে সর্বমোট প্রায় অর্ধ কোটি টাকা ওই কর্মকর্তাদ্বয় হতিয়ে নিয়ে তারা রাতা-রাতি পালিয়েছে। এ ব্যাপারে বনি ইনভেষ্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানী বাংলাদেশ লিমিটেড কিশোরগঞ্জের শাখা ম্যানেজার ও ক্যাশিয়ার আত্মগোপন করায় তাদের বক্তব্য জানা যায়নি এবং নীলফামারীতে ওই এনজিও’র কোন জোনাল অফিসের সন্ধান মেলেনি।
ধর্ষণের চেষ্টায় আটক ১
পৃথক দুটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার পল্লীতে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ২ জনের ১ জন আটক হলেও অপরজনকে সোমবার পর্যন্ত আটক করতে পারেনি পুলিশ। তৃতীয় শ্রেণীর স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের গোলাহাট ইসলামবাগ এলাকা থেকে মান্নান ওরফে মুন্নাকে (৫০) নামের এক ব্যক্তি আটক করা হয়েছে। শহরের রেলওয়ে কারখানা গেটবাজার এলাকার একটি স্কুলের পিছনে এ ঘটনা ঘটে। এর একদিন আগে শুক্রবার শহরের বাঁশবাড়ি গফুর বস্তিতে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনা ঘটে। ঘটনায় জড়িত ধর্ষক গা ঢাকা দেয়ায় সোমবার পর্যন্ত গ্রেফতার হয়নি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রবিবার সকালে ইসলামবাগ এলাকার তৃতীয় শ্রেণির স্কুল ছাত্রীকে (৯) ফুসলিয়ে মান্নান কারখানা গেটবাজার এলাকা হয়ে সাহেবপাড়া শামসুল হক মেমোরিয়াল স্কুলের পিছনে নিয়ে যায় ওই শিশুকে। এ সময় শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টাকালে এলাকার লোকজন তা দেখে ফেলে। পরে মুন্নাকে আটক করে দেয়া হয় গণধোলাই। এ ঘটনার পর শিশুটির পরিবার তাকে এলাকায় নিয়ে এসে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এ ব্যাপারে সৈয়দপুর থানার ওসি আমিরুল ইসলাম ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে শুক্রবার (৯ জুন) সকালে শহরের বাঁশবাড়ি গফুর বস্তি এলাকায় ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনা ঘটে। ওই এলাকার হাসান (১৮) এ ঘটনা ঘটায়। পরে এলাকার লোকজন বিষয়টি জানতে পারলে সে পালিয়ে যায়। থানায় এ ঘটনায় মামলা হলেও আসামী এখনও ধরা পড়েনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ