বুধবার ১২ আগস্ট ২০২০
Online Edition

ইন্দুরকানীতে জেলেদের ভিজিএফ বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম

ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি : ইন্দুরকানীতে জেলেদের ভিজিএফ বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম। প্রতি মাসে ৪০ কেজি বরাদ্ধ থাকলেও ৩০ কেজি করে দিচ্ছে। এ নিয়ে প্রশাসনের মধ্যে ব্যাপক তোলপাড় দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলার পত্তাশী ইউনিয়ন পরিষদের জেলেদের বিশেষ ভিজিএফ চাড়াখালী খাদ্য গুদামের সামনে বসে বিতরণ করা হয়। একবারে ৩ মাসের বরাদ্ধ ১২০ কেজি করে দেয়ার পরিবর্তে ইউনিয়ন পরিষদ ও খাদ্য গুদাম কর্তৃপক্ষের যোগসাজসে ৯০ থেকে ৯৭ কেজি করে দেয়া হয়। এ নিয়ে অভিযোগ উঠলে জেলেদের প্রাপ্ত ভিজিএফ চাল প্রকাশ্যে পরিমাপ করা হয়। পত্তাশী ইউনিয়নের কালাইয়া গ্রামের জেলে আঃ বারেক ৯৭ কেজি, আবুল কালাম ৯০ কেজি, সেকান্দার আলী ৯৭ কেজি  করে পাওয়া যায়। এভাবে অধিকাংশ জেলেদেরকে ১২০ কেজির স্থলে ৮৯ কেজি থেকে ৯৭ কেজি করে দেওয়া হয়েছে। এসময় ভুক্তভোগী জেলেদের ভিজিএফ এর চালে পরিমাপে কম দেওয়ায় তারা বিক্ষোভ প্রদর্শণ করে। বিষয়টি জেনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নুরুল হুদা দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিনকে পাঠালে তার সামনেই জেলেরা বিক্ষোভ করেন। পরে বিক্ষুব্দ জেলেদের কম দেওয়া চাল ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে জেলেরা বাড়ি ফিরে যায়। শুক্রবার কম দেওয়া ৫০ জন জেলেদের চাল ট্যাগ অফিসার উপস্থিত থেকে খাদ্য গুদাম থেকে বিতরণ করেন।
এ বিষয়ে পত্তাশী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন হাওলাদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জেলেদের ভিজিএফ এর চাল বিতরণের সময় আমি উপস্থিত ছিলাম না। ইউপি সদস্যদের দায়িত্ব দিয়ে ছিলাম। তবে তিনি বলেন বিভিন্ন পরিবহন খরচ ও ঘাটতি থাকায় ৩ মাসে ১২০ কেজির পরিবর্তে ১১০ কেজি দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু কি কারণে এর চেয়ে কম দেয়া হয়েছে তা আমি জানি না।
দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন জানান, কম দেওয়া ৫০ জন জেলেদের চাল শুক্রবার পুনঃরায় দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নুরুল হুদা জানান, জেলেদের ভিজিএফ এর চাল কম দেয়ার কথা জানতে পেরে আমি ট্যাগ অফিসারকে পাঠিয়ে তাদের প্রাপ্য বাকি চাল দেয়ার জন্য নির্দেশ দেই। শুক্রবার জেলেদের বাকি চাল দেওয়া হয়েছে।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক
২ আসামী গ্রেফতার
ইন্দুরকানীতে মাদক মামলায় ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক ২ আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইন্দুরকানী থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রাম থেকে দেবাশীষ রায়ের ছেলে জয়ন্ত রায় (২৮) ও উপজেলার উমেদপুর গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী নির্মল চন্দ্র দাসের ছেলে বিজন চন্দ্র দাস (২৫) কে গ্রেফতার করে। তাদের উভয়ের বিরুদ্ধে ইন্দুরকানী থানায় নিয়মিত মাদবদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ মামলায় ৬ মাসের করে কারাদ- প্রদান করেন আদালত। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে। ইন্দুরকানী থানার ওসি মোঃ নাসির উদ্দিন জানান, ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ