সোমবার ৩০ নবেম্বর ২০২০
Online Edition

খুলনা বিভাগের ২ লাখ জেলে সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত

খুলনা অফিস: খুলনা বিভাগের ২ লাখ ৫০৭ জন জেলে নিবন্ধন আর পরিচয়পত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ। জেলেরা ভিজিএফ কার্ড ও মৃত্যুজনিত অনুদান ছাড়া অন্য কোন সুবিধা পাচ্ছেন না। আগামী জুনে প্রকল্প মেয়াদ শেষ হলেও নবায়নের বিষয়ে এখনও কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।
মৎস্য অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় অফিস সূত্রে জানা গেছে, খুলনা বিভাগের জেলেদের ঝুঁকিপূর্ণ পেশাজীবী হিসেবে নিবন্ধিত করা হয়েছে। এর সংখ্যা ২ লাখ ৫০৭ জন। এর মধ্যে পচিয়পত্রও পেয়েছেন ১ লাখ ৭৪ হাজার ৫৮২ জন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১২-১৩ অর্থবছরে সরকারের মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে জেলেদের নিবন্ধন আর পরিচয়পত্র প্রদানের জন্য একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ৭৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছিল। প্রকল্পটির মেয়াদ আগামী জুনে শেষ হচ্ছে। কিন্তু প্রকল্পে এ টাকা ব্যয়ে জেলেরা শুধু নিবন্ধন আর পরিচয়পত্র প্রদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে। এ বিভাগের জেলেদের মধ্যে মৃত্যুজনিত কারণে ৫০ হাজার টাকা করে মাত্র ৫ জন জেলে এ সুবিধা পেয়েছেন। আবেদনকারীর সংখ্যা আরও বেশি রয়েছে।
সূত্র জানায়, প্রকল্পে প্রাইম ব্যাংকের মাস্টার কার্ডের ব্যবস্থাও ছিল। বিভাগের জেলে সম্প্রদায়ের মধ্যে শুধুমাত্র সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও খুলনার ফুলতলার জেলেরা এ সুবিধা পায়। দুই উপজেলার ২০ হাজার ও ১৪৩৮ জন ব্যাংকের মাস্টার কার্ড হাতে পেয়েছেন। কিন্তু এর সুফল পায়নি।
মৎস্য অধিদপ্তরের নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র প্রদান প্রকল্পের পরিচালক কামরুল হাসান বলেন, প্রকল্পটির মেয়াদ আগামী জুনে শেষ হচ্ছে। দেশে এই প্রথমবারের মত এ প্রকল্প চালু করা হয়েছে। আগামী অর্থবছর মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলে প্রকল্প চলমান থাকবে। তবে প্রকল্পে পরিবর্তন আনার চিন্তা করা হচ্ছে। জেলেরা রাজস্ব বাজেটের অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন।
জেলেদের নিবন্ধন ও পরিচয়পত্রের সাথে অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি করে কোড নাম্বার পাবেন। তিনি জানান, মৎস্য অধিদপ্তর ছাড়াও প্রতি মওসুমে চার মাস ইলিশের ডিম ছাড়ার সময়। এ সময় মাছ ধরা বন্ধ থাকাকালীন জেলেদের ৪০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়। ত্রাণ পুনর্বাসন মন্ত্রণালয় তাদের নিবন্ধিত জেলেদের এ সহায়তা দিয়ে থাকে। এছাড়াও জেলেদের পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় হাঁস-মুরগি, গবাদি পশু পালন, সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। যা গত বছর পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ