শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২০
Online Edition

সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি

মাগুরা সংবাদদাতা: মাগুরার শালিখা উপজেলা ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও সংশ্লিষ্টকে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তার পরিবার। উপজেলার দক্ষিণ শরুশুনা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এক ছাত্রী ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বার ঘটনায় ওই ছাত্রীর পিতা মোশারফ মোল্যা বাদী হয়ে শালিখা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে। মামলায় আসামী করা হয় মেয়ের আপন চাচাতো ভাই হাফিজুর রহমান আপনসহ তার বাবা ও মাকে। এর পর ২৭ এপ্রিল হাফিজুর রহমান আপনের চাচা ইমারত মোল্যা সুষ্ঠ তদন্ত চেয়ে শালিখা সাংবাদিক ফোরামে সংবাদ সম্মেলন করে লেখিত বক্তব্যে পাঠ করেন। লেখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, তার ভাই মুস্তাইন মোল্যার ছেলে হাফিজুর রহমান আপন দক্ষিণ শরুশুনা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ও ভাই মুস্তাইন এক জন গরীব কৃষক। তার নিজস্ব কোন সম্পত্তি নাই। ১০ শতক জমির উপর ছোট একটি টিনের ঘর। সে কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। তার ভাতিজা ও একই গ্রামের কায়ুম মোল্যার ছেলে খাইরুল ইসলাম একই স্কুলে পড়া-লেখা করে। সে তার সহপাঠী খাইরুল ইসলামকে কোন এক দিন মেয়েটির সাথে শারীরিক ভাবে মেলামেশা করতে দেখে। ঘটনার পর খাইরুল ইসলাম তার ভাতিজা আপনকে মারপিটের হুমকি ও নানা ভাবে ভয়ভীতি দেখায়। পাশাপাশি মেয়েটিও আপনকে এ ব্যাপারে চুপ থাকার জন্য বলে। ঘটনা প্রকাশ করলে তার অসুবিধা হবে বলে হুমকি দেয়। এ ঘটনার কয়েক দিনের মধ্যে বিষয়টি জানাজানি হয় যে মেয়েটি ৫ মাসের গর্ববর্তী। লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো বলেন,মেয়েটিকে অন্তসত্তা করার দায় এড়াতে খাইরুলের বাবা ও তার চাচারা মেয়েকে নগদ ৪০ হাজার টাকা দিয়ে বলে হাফিজুর রহমান আপনকে এই ঘটনায় দায়ী করার জন্য বলে।  মুস্তাইন মোল্যা অসহায় এক জন গরীব মানুষ। কিন্তু  খাইরুলের বাবা ও চাচারা প্রচুর টাকা পয়সার মালিক এবং গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি। তারা তার ভাতিজাকে চক্রান্ত করে ফাসানোর জন্য এ নাটক সাজানোর চেষ্টা করছে  বলে সে তার বক্তব্যে জানায়। আর এ উদ্দেশ্যে  সংবাদ সম্মেলন করে সাংবাদিকদের কাছে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছি। প্রকৃত ঘটনা উৎঘাটনের জন্য নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন তারা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ