শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২০
Online Edition

আদমদীঘিতে নিম্নমানের খেজুর চড়া দামে বিক্রি

আদমদীঘি (বগুড়া) সংবাদদাতা: বগুড়ার আদমদীঘিতে পবিত্র মাহে রমজান মাসকে ঘিরে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী নিম্নমানের খেজুর আমদানী করে সেই খেজুরের সাথে গত বছরের হিমাগারে রাখা কিছু ভালো খেজুর মিশিয়ে প্যাকেটজাত করে অবাধে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া পাশাপাশি উপজেলার সদর, সান্তাহার, মুরইল বাজার, নসরতপুর, কুন্দগ্রাম, চাঁপাপুর, কুসুম্বী বাজারসহ এলাকার বিভিন্ন হাট বাজারে ফলের দোকান, হোটেলসহ ইফতারের দোকানে নিম্নমানের এই খেজুর বিক্রি হচ্ছে।
খেজুর কিনতে আসা একজন ক্রেতা জানান, এমনিতেই খেজুরগুলো নিম্নমানের তারপরও আবার ব্যবসায়ীরা প্যাকেটজাত করে ইরানী, সৌদি আরব ও পাকিস্তানিসহ উন্নতমানের বলে প্রচার করে বিক্রি করছে। অথচ দেখা যায় খেজুরের প্যাকেট চুয়ে রস বের হচ্ছে। ধুলা ও বালি তো লেগেই আছে। প্যাকেটজাতকৃত খেজুর গুলো স্বাস্থ্যসম্মত কি না এই নিয়েও অনেক ক্রেতা প্রশ্ন তুলছেন।
উপজেলার সান্তাহার শহরের রেলগেট বাজারে কথা হয় আমিনুর রহমান নামের এক ক্রেতার সাথে। তিনি এসেছেন উপজেলার বামনীগ্রাম থেকে। প্রায় তিনি এই বাজারে কেনা কাটার জন্য আসেন। খেজুর কিনতে গিয়ে তিনি দোটানায় পড়ে যান। কারণ প্যাকেটজাত করা খেজুর গুলো নিম্নমানের। প্যাকেট চুয়ে রস পড়ছে। ধূলা বালিতে ভরা। আবার দামও নাগালের বাহিরে। তিনি আরো জানান, রমজানের আগে যে খেজুর ১২০ টাকা থেকে ১৩০ টাকা বিক্রি হতো তা এখন ৪০ থেকে ৫০ টাকা বেড়ে ১৬০ টাকা থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
সান্তাহার শহরের রেলগেট বাজারের খেজুর ব্যবসায়ী আলিমুদ্দিন জানান, আগের তুলনায় অনেক বেশি মূল্যে খেজুর কিনতে হচ্ছে আমাদের। তাই বেশি মূল্যে বিক্রি করতে হচ্ছে। যদি লাভই না হয় তাহলে ব্যবসা করে কি লাভ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ