শনিবার ১৫ আগস্ট ২০২০
Online Edition

আবাহনীকে হারিয়ে পয়েন্টের শীর্ষে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স

স্পোর্টস রিপোর্টার : প্রিমিয়ার ক্রিকেটে সুপার লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আবাহনীকে হারিয়ে পয়েন্টের শীর্ষে উঠেছে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। এই ম্যাচে হেরে পয়েন্টে পিছিয়ে গেল শিরোপা প্রত্যাশী আবাহনী। আবাহনীকে শিরোপা লড়াই থেকে ছিটকে দিলেন নাসির হোসেনই। তার অলরাউন্ড পারফরমেন্সে আবাহনীর বিপক্ষে ৬ উইকেটে জিতেছে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। ৩৬ রানে ৩ উইকেট আর হাফসেঞ্চুরি করে  নাসির দলকে এনে দেন দারুণ এক জয়। ফলে ১৫ ম্যাচে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের শীর্ষে রয়েছে গাজী গ্রুপ। সমান ম্যাচে ২২ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে আবাহনী। এর আগে প্রথম পর্বেও গাজীর কাছে হারায় দুই দলের পয়েন্ট সমান হলেও শিরোপা ঘরে তুলবে নাসিরের দল। ১৪ ম্যাচে প্রাইম দোলেশ্বরের পয়েন্ট ২০। আজ মোহামেডানের কাছে তারা হেরে গেলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যাবে গাজীর। মোহামেডানকে হারানোর পর শেষ রাউন্ডে দোলেশ্বর গাজীকে হারাতে পারলে ও আবাহনী শেষ ম্যাচে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবকে হারালে তিন দলেরই পয়েন্ট থাকবে সমান। তখন তিন দলের মধ্যে মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে থাকায় শিরোপা যাবে দোলেশ্বরের ঘরে। এক্ষেত্রে শেষ ম্যাচে আবাহনী হারলে গাজী ও দোলেশ্বরের পয়েন্ট হবে সমান। তখনও মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে থাকায় প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হবে দোলেশ্বর। বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে গতকাল টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৪১ ওভার ২ বলে ১৫৬ রানে গুটিয়ে যায় আবাহনী। জবাবে ৩৬ ওভার ৪ বলে ৪ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় গাজী। ছোট লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই মুনিম শাহরিয়ারকে হারায় গাজী। সেই ধাক্কা সামাল দিয়ে মুমিনুল হক ও এনামুল হক এগিয়ে নিতে থাকেন দলকে। দুই জনেই ফিরেন থিতু হয়ে। ৮৪ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গাজী। সেই চাপটা বুঝতেই  দেননি নাসির। নাদিফ চৌধুরীকে নিয়ে বাকিটা সহজেই সারেন এই অধিনায়ক। নাসির এবারের লিগে খেলছেন দারুণ, ব্যাটিংয়ে ম্যাচ শেষ করেই ফিরছেন। ৯২ বলে ৪টি চার আর একটি ছক্কায় অপরাজিত ছিলেন ৫৬ রানে। ৭ ইনিংসে নাসিরের রান ৪৭৭, মাত্র একবার আউট হওয়ায় তার গড়ও সেটাই। আবাহনীর মনন শর্মা ২ উইকেট নেন ৪০ রানে।  মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও শুভাগত হোম চৌধুরী নেন একটি করে উইকেট। এর আগে ব্যাটিংয়ে আবাহনীর শুরুটা ছিল বাজে। দলের ৫ রানের মধ্যে ফিরেন দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান, সাইফ হাসান ও সাদমান ইসলামের  কেউই রানের খাতা খুলতে পারেননি। দুই অঙ্ক ছুঁয়েই ফিরেন টপ অর্ডারের আরেক ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন শান্ত। মিডল অর্ডারে  মোহাম্মদ মিঠুন, লিটন দাস, আফিফ হোসেন ও শুভাগত ফিরেছেন থিতু হয়ে। চার জনই  গেছেন দুই অঙ্কে, কেউই পারেননি নিজের ইনিংস বড় করতে। সর্বোচ্চ আফিফের ৩২। অর্ধশত রানের জুটি নেই একটিও, সর্বোচ্চ মিঠুন-লিটনের চতুর্থ উইকেট জুটির ৪০। দলের বিপদের সময় টেলএন্ডাররাও রাখতে পারেননি তেমন একটা অবদান। শেষ চার ব্যাটসম্যানের কেউই দুই অঙ্কে  যেতে পারেননি। ব্যাটিং ব্যর্থতায় লড়াইয়ের পুঁজি মেলেনি আবাহনীর।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ