বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই ২০২০
Online Edition

অভিষেকেই সেঞ্চুরি তামিমের

স্পোর্টস রিপোর্টার : সর্বশেষ ২০০৬ সালে আইসিস চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলেছিল বাংলাদেশ। পরের বছর ২০০৭ বিশ্বকাপের ঠিক আগে তামিম ইকবালের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক। এরপর তিনটি ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলে ফেললেও চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে আগে কখনও খেলার সুযোগ হয়নি তামিমের। কেননা ২০০৬ সালের পর এবারই প্রথম আইসিরি দ্বিতীয় মর্যদাপূর্ণ টুর্নামেন্ট খেলছে বাংলাদেশ। ফলে গতকালই চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে অভিষেক হলো তামিমের। চমক দিয়েই শুরু! ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওভালে সেঞ্চুরি করে অভিষেক আসর স্বরণীয় করে রাখলেন এ বাহাতি ওপেনার। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে এটা কোনও বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। আগের শতক ছিল শাহরিয়ার নাফীসের, ২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অপরাজিত ১২৩। বাংলাদেশের ইনিংসে ৩৯তম ওভারের শেষ বলে (বোলার মঈন আলী) বল স্কয়ার লেগে পাঠিয়ে সিঙ্গেল নিয়ে ‘ম্যাজিক ফিগার’  ছোঁয়া তামিম কওে ফেলেন ক্যারিয়ারের নবম ওয়ানডে সেঞ্চুরি। টস হেওে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকে রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেললেও ধীরে ধীরে খোলস ছেড়ে বের হয়ে আসেন বাংলাদেশের সেরা ওপেনার। প্রথম ১০ বলে রান না পেরেও একাদশ বলে রানের খাতা খোলা তামিম হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ৭২ বলে, সাত বাউন্ডিারীতে। পরের ‘ফিফটি’  করেছেন অনেক দ্রুতই, মাত্র ৫২ বলে। ১২৪ বলে সেঞ্চুরি করার সময় তামিমের নামের পাশে ছিল ১১ বাউন্ডারী ও এক ছক্কা। সেঞ্চুরি পর রানের সঙ্গে বলের বৗবধান কমিয়ে আনেন। শেষ পর্যন্ত তামিম থেমেছেন ১২৮ রানে, লিয়াম প্লাঙ্কেটকে তুলে মারতে গিয়ে উইকেটরক্ষক জস বাটলারের গ্লাাভসবন্দি হয়ে। ১৪২ বলের চমৎকার ইনিংসটা সাজানো ১২টি চার ও তিনটি দৃষ্টিনন্দন ছক্কায়। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এটাই তামিমের সেরা ওয়ানডে ইনিংস। আগের সেরা ছিল ১২৫, মিরপুরে ২০১০ সালে। ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্টেও দুর্দান্ত সাফল্য তামিমের। ২০১০ সালের ইংল্যান্ড সফরে লর্ডস ও ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে দুই টেস্টে সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। তবে ওই সফরে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে সাফল্য পাননি। ২৮, ১৮ ও ১৬ রান করেছিলেন। এবার সেঞ্চুরি করেই সব আক্ষেপ দূর করেছেন এই বাঁহাতি ওপেনার। তামিমের সেঞ্চুরির পাাশাপাশি মুশফিকের দ্বায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ ইংল্যান্ডকে ৩০৬ রানের টার্গেটি দিকে সক্ষম হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ