বুধবার ১৯ জানুয়ারি ২০২২
Online Edition

সারিয়াকান্দিতে যমুনা নদী তীর সংরক্ষণ কাজে স্কুল ছাত্র দিয়ে ব্লক তৈরি 

বগুড়া অফিস : সারিয়াকান্দি উপজেলা যমুনা নদী তীর সংরক্ষণ ৩শত ২ কোটি টাকার কাজের ব্লক নির্মাণে স্কুল ছাত্র দিয়ে ব্লক তৈরি হচ্ছে। গতকাল দুপুরে যমুনা নদী তীর সংরক্ষণ কাজে চন্দনবাইশা ঘুঘুমারী এলাকায় সরে জমিনে কাজ দেখতে গেলে চিলাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণীর ছাত্র জিহাদ, নিজামউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর ছাত্র রাশেদ একই স্কুলের ৭ম শ্রেণীর ছাত্র ফরিদ, ঘুঘুমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্র রায়হান ইসলাম, ছাগলধরা এবতেদায়ী মাদরাসার ৫ম শ্রেণীর ছাত্র সাকিল ও বড়ইকান্দি গ্রামের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্র খোকন কে এই কাজের সাথে জড়িত দেখা যায়। এ ব্যাপারে উক্ত কাজের লেবার সরদার গোলাম রহমানের নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন স্কুলগুলো ছুটি থাকায় তারা এ কাজে জড়িত হয়েছে। উক্ত কাজে সেকসোনাল অফিসার টিপু মিয়ার নিকট মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন সাইডে আজকে যাই নাই। তবে তারা ৩/৪ দিন হলো নির্মাণের খাচায় তেল দেওয়ার কাজ করছে বলে আমি জানতে পেরেছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান এর নিকট শিশু শ্রমের বিষয়টি জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন এটি আমার জানা নেই অভিযোগ আসলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। একসেন রুহুল আমিন এর নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, শিশুদের দিয়ে কাজ করার কোন নিদের্শ নেই বিষয়টি আমি দেখবো।

রাস্তার নির্মাণ কাজে ধীরগতি

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নের অত্যন্ত জনবসতি একটি গ্রাম গবারপাড়া। এই গ্রামে প্রায় ৫ হাজার লোকের বসবাস। বালুয়াহাটের উত্তর পার্শ্বে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে গ্রামটির অবস্থান। বালুয়াহাটের বটতলা থেকে সামান্য দূর থেকে রাস্তাটির অবস্থা বেহাল পূর্ণ হলে স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নান রাস্তাটি পুনঃনির্মাণ করার প্রতিশ্রুতি দিলে বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাস্তাটি সংস্কারের জন্য টেন্ডার ঘোষণা করলে পাবনার একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রাস্তা নির্মাণের অনুমতি পায়। যার প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৩ লক্ষ টাকা। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রাস্তাটি নির্মাণ করার জন্য প্রায় ৬ মাস পূর্বে কাজ শুরু করেন। কিন্তু অদ্যবধি শুধু রাস্তাটির বেড এর কাজ সমাপ্ত করলেও স্থানীয় কিছু ব্যক্তিবর্গের কারণে আজও রাস্তাটির নির্মাণ কাজ শেষ করা হয়নি। ফলে উক্ত গ্রামের জনসাধারণকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। গ্রামবাসীর অভিযোগ ঠিকাদারের কথিত এজেন্ট জনৈক সোহাগ মিয়া নিম্নমানের ইট, বালি সাপ্লাই দিয়ে রাস্তাটি নির্মাণ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি রাস্তাটি উন্নত মানের উপকরণ দিয়ে নির্মাণ করা হোক। তারা আরও জানান অনতিবিলম্বে রাস্তাটি নির্মাণ করা হোক। এ ব্যাপারে ঠিকাদারের সাথে বারবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও ফোন রিসিভ না করায় কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ