বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২০
Online Edition

গ্রিক দেবীর মূর্তি দেশের কোন স্থানেই তৌহিদী জনতা মেনে নিবে না -আল্লামা নূর হুসাইন কাসেমী

 

বিতর্কিত গ্রিক দেবীর মূর্তি সুপ্রিম কোর্টের সামনে থেকে সরিয়ে অ্যানেক্স ভবনের সামনে পুন:স্থাপণ করে দেশের ৯৫% মুসলমানের সাথে উপহাস করা হয়েছে। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের সংস্কৃতির বিপরিত হিন্দু সংস্কৃতির প্রতিক মূর্তি সর্বোচ্চ আদালত প্রাঙ্গনে স্থাপন করা সংবিধান বিরোধী। এই প্রতারণামূলক কার্যক্রমের দ্বারা সর্বোচ্চ আদালতকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে বলে আমরা মনে করি। যে বা যারা প্রধানমন্ত্রীসহ সারা জাতির সাথে মিথ্যা ও প্রতারণা ও উপহাসমূলক আচরণ করতে পারে তারা দেশ ও জাতির কল্যাণকামী হতে পারে না। গ্রিক দেবীর মূর্তি যেভাবে ন্যায়ের প্রতিক হতে পারে না ঠিক তেমনি ভাবে মুসলিম জাতির সাথে প্রতারণাকারীরা বাংলাদেশের মানুষের কাছে আস্থার আসনে থাকতে পারে না। তাদের বিবেক ও নৈতিক বিপর্যয় ঘটেছে বলে জাতি মনে করে। আমরা পরিষ্কার বলতে চাই, কুসংস্কৃতির প্রতিক গ্রিক দেবীর মূর্তি বাংলাদেশের কোথাও রাখা যাবে না। অনতিবিলম্বে আদালত অঙ্গন থেকে সরিয়ে তা গুড়িয়ে দেওয়া হউক অথবা গঙ্গায় ভাসিয়ে দেওয়া হউক। 

দেশের শীর্ষ আলেম উলামা ও ১৫ কোটি তৌহিদী জনতা কোরআন নাযিলের এ মাসে, রহমত-বরকতের এ মাসে গুটি কয়েক নাস্তিক মোরতাদদের দোসর দাদাদের কাছে প্রতারিত হতে পারেন না। 

সুতরাং জাতির বিবেক উলামা-মাশায়েখ ও তৌহিদী জনতার সাথে উপহাসকারীদের চিহ্নিত করে দেশের শান্তি সৃংখলা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি। সাথে সাথে মূর্তি নিয়ে উপহাস এবং পুন:স্থাপনের প্রতিবাদে আগামী ২ জুন’ শুক্রবার বাদ জুমা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমের উত্তর গেইটে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার বাদ জোহর হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ ঢাকা মহানগরীর অস্থায়ী কার্যালয় জামিয়া মাদানিয়া বারিধারায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমীর ও ঢাকা মহানগরীর সভাপতি আল্লামা নূর হোছাইন কাসেমীর সভাপতিত্বে এক জরুরি পরামর্শ সভায় মহানগর নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। 

বক্তব্য রাখেন: মাও. আতাউল্লাহ হাফিজ্জী, মাও. আবুল কালাম, ড. আহমদ আব্দুল কাদের, মাও. মাহফুজুল হক, মাও. উবায়দুর রহমান খান নদভী, মাও. আব্দুর রব ইউসুফী, মাও. জুনায়েদ আল হাবীব, মাও. ফজলুল করীম কাসেমী, মাও. হাবীবুল্লাহ মিয়াজী, মাও. শফীকুদ্দীন, মাও. মামুনুল হক, মাও. বাহাউদ্দীন যাকারিয়া, মাও. মুজিবুর রহমান হামিদী, মাও. নাজমুল হাসান, মুফতী মুনীর হোসাইন, মাও. মঞ্জুরুল ইসলাম, মাও. শরীফুল্লাহ, মুফতী ফখরুল ইসলাম, মাও. ফয়সাল আহমদ, মাও. লোকমান মাজহারী, মাও. আব্দুল কুদ্দুস ও মুফতী মুহিউদ্দীন প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ