মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট ২০২০
Online Edition

আলোচিত শিক্ষক শ্যামল কান্তি কারাগারে

ব্যবস্থাপনা কমিটি শিক্ষক শ্যামল কান্তির বিরুদ্ধে ইসলাম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ আনে। বিষয়টি মসজিদের মাইকে প্রচার করলে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় লোকজন বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে লাঞ্ছিত করে। অবরুদ্ধ করে রাখে বিদ্যালয়ের ভেতর। খবর পেয়ে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রথমে শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে চড়-থাপ্পড় মারেন। তারপর বাইরে নিয়ে শত শত জনতা, বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতিতে কানধরে উঠবস করান। এই ঘটনার ভিডিও প্রথমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রচার করা হয়। এর দু’দিন পর টেলিভিশন ও দৈনিক পত্রিকায় ফলাও করে প্রচারিত হয়।

এর মধ্যেই শ্যামল কান্তির বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ আনেন মোর্শেদা বেগম। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০১৪ সালে প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্ত ইংরেজি শিক্ষক মোর্শেদা বেগমের চাকরি এমপিওভুক্ত কে দেয়ার জন্য তার কছে থেকে প্রথমে ৩৫ হাজার টাকা ঘুষ নেন। পরবর্তী সময়ে আরো এক লাখ টাকা ঘুষ নেন। কিন্তু মোর্শেদা বেগমকে এমপিওভুক্ত করার কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। এই ঘটনায় গত বছরের ২৭ জুলাই মোর্শেদা বেগম বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন। আদালত বন্দর থানা পুলিশকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেন।

গত ১৭ এপ্রিল তদন্তকারী কর্মকর্তা বন্দর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হারুন অর রশিদ শ্যামল কান্তি ভক্তের বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্য বিধির ১৬১/৪১৭/৪০৬/৪২০ ধারায় অভিযুক্ত করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ