মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২০
Online Edition

প্রাথমিকের ২১ হাজার প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ শুরু

 

স্টাফ রিপোর্টার : প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে খালি থাকা ২১ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদে নিয়োগ শুরু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীতে ৮৭ জন সহকারী প্রধান শিক্ষককে চলতি দায়িত্ব দেওয়ার মাধ্যমে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হলো।

গতকাল দুপুরে সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, খালি থাকা ২১ হাজার পদের মধ্যে বিধান অনুযায়ী ১৬ হাজার পদ সহকারী প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে পূরণ করার প্রক্রিয়া শুরু হলো। এরা প্রধান শিক্ষকের পদে চলতি দায়িত্ব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। আর বাকি পাঁচ হাজার পদে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে সরাসরি নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিধান অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়েরে প্রধান শিক্ষকের ৬৫ ভাগ পূরণ করা হয় সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতির মাধ্যমে। অবশিষ্ট ৩৫ ভাগ পিএসসির মাধ্যমে পূরণ করা হয়।

 মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বর্তমানে ২১ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ খালি আছে। এর মধ্যে ১৬ হাজার পদোন্নতির মাধ্যমে দেওয়া হবে। যেহেতু পদোন্নতির প্রক্রিয়া সময় সাপেক্ষ তাই জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সহকারী শিক্ষকদের মধ্য থেকে এই দায়িত্ব দেওয়া হবে। এরই মধ্যে গতকাল ঢাকা শহরের ৮৭ জনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

২১ হাজার শূন্য পদ কেন এত দিনও পূরণ করা হয়নি জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এ নিয়ে হাইকোর্টে একটি মামলা চলমান ছিল। মামলাটি নিষ্পত্তি হওয়ায় এখন এসব পদ পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নজরুল ইসলাম খান বলেন, পর্যায়ক্রমে বাকি জেলাগুলোর শিক্ষকদের যেদিন তালিকা পাওয়া যাবে সে দিনই চলতি দায়িত্ব দেওয়া হবে। 

প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল নিয়ে বিদ্যমান সমস্যা দূর করতে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বলেন, এজন্য একটি কমিটি করা হয়েছে। অন্যদের মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আসিফ-উজ-জামান, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্ততরের মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আতিকুর রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মোস্তাফিজুর রহমান। এ সময় শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। সেইসঙ্গে তাঁদের বেতন বৈষম্য দূর করার বিষয়টি পর্যালোচনা করছেন বলে তাঁদের জানান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ