বুধবার ০২ ডিসেম্বর ২০২০
Online Edition

শাহ্রু রমাদান ও আমাদের প্রস্তুতি

 

সুমাইয়্যা সিদ্দীকা : শাহ্রু রমাদান। এমন একটি মহিমান্বিত  মাস যে মাসে মহান আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন  জান্নাতের দুয়ারসমূহ খুলে দেন এবং জাহান্নামের দুয়ারসমূহ বন্ধ করে দেন। অর্থাৎ, রমযান উপলক্ষ্যে সপ্তাসমানের ওপারে চলে বিশেষ ব্যবস্থাপনা।

আবু হুরায়রা (রা:) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যখন রমাদানের প্রথম রাত্রি আগমন করে শয়তান এবং অবাধ্য জিনদের শৃঙ্খলিত করা হয়, জাহান্নামের সকল দরজা বন্ধ করে দেয়া হয়; এবয় একটি দরজাও তখন আর খোলা হয় না । জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়  এবং এর একটি দরজাও তখন আর বন্ধ করা হয় না। (এ মাসে) একজন ঘোষণাকারী  ঘোষণা দিতে থাকেন, হে কল্যাণ অন্বেষণকারী ! অগ্রসর হও। হে পাপাসক্ত ! বিরত হও। আর এ মাসে মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে জাহান্নাম থেকে বহু লোককে মুক্তি দেয়া হয় এবং রাতেই এরূপ হতে থাকে।” {সহীহুত তিরমিজি ২/৬৩৪}

দৈনন্দিন জীবনে প্রতিটি কাজের জন্যই আমরা       দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক, ত্রৈমাসিক বার্ষিকসহ নানা টার্মে সময়কে ভাগ করে ঘণ্টা, মিনিট, সেকেন্ডের হিসাব ধরে প্ল্যান নিয়ে থাকি। প্ল্যান মাফিক কাজ করলে কাজ সুন্দরভাবে আনজাম দেওয়া সম্ভব হয়। আর রমাদান এমনই মর্যাদাপূর্ণ একটি ইবাদত যার প্রতিদান স্বয়ং  আল্লাহ্ নিজেই দিবেন। 

আবু হুরায়রা (রা:) হতে বর্ণিত, রাসূল (সা:) বলেছেন, আদম সন্তানের প্রতিটি নেক কাজের সওয়াব দশ গুণ থেকে সাতশ’ গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়া হয়। মহান আল্লাহ্ বলেন- “কিন্তু রোযা আমারই জন্য এবং আমি নিজেই এর প্রতিফল দান করবো।” {সহীহ্ মুসলিম: ৪/২৫৭৩}

সুতরাং এই মহিমান্বিত মাসের প্রতিটি মুহূর্ত আমরা কিভাবে ব্যয় করব এটা নিয়ে অবশ্য আমাদের একটি সুন্দর প্ল্যান থাকা প্রয়োজন।

রমাদানের পূর্ব প্রস্তুতি :

১. প্রথমেই একটি  বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ করুন। 

২. পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দৃঢ় থাকুন।

৩. প্রতিদিন বা প্রতি সপ্তাহের একদিন পরিকল্পনা কতটুকু বাস্তবায়ন হলো পর্যালোচনা করুন।

আমরা রমাদানের পূর্ব-প্রস্তুতির পরিকল্পনাটিকে  কয়েকটি ভাগে ভাগ করতে পারি। যেমন-

ক. ব্যক্তিগত পরিকল্পনা।

খ. পারিবারিক পরিকল্পনা।

গ. সামাজিক পরিকল্পনা।

ঘ. আর্থিক পরিকল্পনা।

ক. ব্যক্তিগত পরিকল্পনা:

১. রমাদানের মাসয়ালা -মাসায়েল জানা। এক্ষেত্রে বিজ্ঞ কোন আলেমের কাছ থেকে বা ফিকহী কিতাবাদী হতে রমযানের মাসয়ালা -মাসায়েল জেনে নিন। যেমন-আসান ফেকাহ্, মহিলা ফেকাহ্, ফিকহুস সুন্নাহ্ ও হাদীসের রমযান অধ্যায়সমূহ।

২. পুরুষেরা জামায়াতে আর মহিলারা প্রথম ওয়াক্তে সালাত আদায় করার প্রাকটিস করুন। 

৩. নিয়মিত তাহাজ্জুদে মনোযোগী হওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন।

৪. একনিষ্ঠ ও বিনয়ী হয়ে তাওবা করুন। 

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হে লোক সকল! তোমরা আল্লাহ্র নিকট তাওবা এবং ক্ষমা প্রার্থনা কর, আর আমি দৈনিক একশ’ বার তাওবা করি। {সহীহ্ মুসলিম : ৫/৬৬৬৭}

৫. কুরআন ও হাদীসে উল্লেখিত যিকির ও দু‘আসমূহ শিখুন ও প্রাকটিস শুরু করুন। 

৬. রমাদানের আগমনে খুশী হোন।

৭. ক্বাযা রোযা আদায় করে ফেলুন।

৮. রমাদানের প্রস্তুতির জন্য শাবান মাসে কিছু রোযা রাখুন।

আয়েশা রাদিআল্লাহু আনহা বর্ণনা করেছেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একাধারে রোযা রাখা শুরু করতেন। এমনকি আমরা বলতাম তিনি (হয়তো আর) রোযা ভাঙ্গবেনই না।আবার তিনি রোযা ছেড়ে দিতেন। এমনকি আমরা বলতাম, তিনি (সহসা আর) রোযা রাখবেন না। আমি রাসূল (সা:)কে রমযান ভিন্ন অন্য কোন মাসে পূর্ণমাস রোযা রাখতে দেখিনি এবং শা’বান মাস ছাড়া এত অধিক (নফল) রোযা আর কোন মাসে তাকে রাখতে দেখিনি। {সহীহুল বুখারী : ২/১৮৩০}

৯. বিশেষ কোনো সফর বা বড় ধরনের কাজ থাকলে রমযানের পূর্বেই সেরে ফেলুন।

১০. প্রতিদিন নিয়মিত কুরআন তেলাওয়াত ও তাফসীর অধ্যয়ন করুন। কুরআন তেলাওয়াত না জানলে সহীহ কুরআন তিলাওয়াত শিখুন।

১১. আল্লাহ্র কাছে বেশী বেশী দু’আ করুন ও  রমযানের হক আদায়ের জন্য সাহায্য চাইতে থাকুন।

১২. রমাদানে ইতিকাফ করতে চাইলে প্রস্তুতি গ্রহণ করুন। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সকল প্রয়োজনীয় কাজ আগে থেকে সেরে ফেলুন।

১৩. ওমরা পালনের সামর্থ্য থাকলে আদায়ের প্রস্তুতি নিন।

ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত এক হাদীসে-রাসূল (সা:) বলেছেন, রমাদান মাসে উমরাহ আদায় করায় হজ্জের সমান বা আমার সাথে হজ্জ আদায় করার সওয়াব পাওয়া যায়। {সহীহ্ মুসলিম: ৪/২৯০৪}

১৪. কবীরা গুনাহ্ ও অহেতুক কাজ  হতে বিরত থাকার প্রাকটিস শুরু করুন ।

আবু হুরায়রা (রা:) হতে বর্ণিত, নবী মুহাম্মাদ (সা:) বলেছেন, “(রোযা থেকেও) কেউ যদি মিথ্যা কথা বলা ও তদনুযায়ী কাজ করা পরিত্যাগ না করে, তবে তার শুধু খাদ্য ও পানীয় পরিত্যাগ করায় (রোযা রাখায়) আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই।” {সহীহুল বুখারী: ২/১৭৬৮}

খ. পারিবারিক পরিকল্পনা ঃ

আল্লাহ তা’আলা পবিত্র কুরআনে ঘোষণা করেন : “হে মুমিনগণ! তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবারকে দোজখের আগুন থেকে বাঁচাও; মানুষ ও পাথর হবে সেই দোযখের জ্বালানী।” [সূরা তাহরীম: ৬]

১. রমাদানের পূর্বেই পরিবারের সব সদস্যদের নিয়ে রমাদানের পূর্ব প্রস্তুতি উপলক্ষে একটি মিটিং করে সকলের রুটিন করে দিন।

২. পরিবারের ছোট-বড় সকল সদস্যদেরকে রমাদানের মাসয়ালা -মাসায়েল জানানোর ব্যবস্থা করুন।

৩. বেশী বেশী কুরআন তেলাওয়াত ও অধ্যয়নে উৎসাহ দান  করুন যদি কারো তেলাওয়াত  জানা না থাকে তাকে তেলাওয়াত শেখানোর ব্যবস্থা করুন।

৪. রোযা পালনে উৎসাহ দিতে ছোটদের জন্য বিশেষ গিফটের ব্যবস্থা করতে পারেন।

৫. রমাদানের পবিত্রতা রক্ষা করার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করুন। নিজের ও পরিবারের সদস্যদের মাঝে কোনো বদঅভ্যাস (ফেবুতে আসক্তি, রাতে দেরীতে ঘুমানো ইত্যাদি) থাকলে তা দূর করতে দৃঢ় পদক্ষেপ নিন। নাবালক,বৃদ্ধ ও অসুস্থ ছাড়া পরিবারের সকলের রোযা রাখা নিশ্চিত করুন। অহেতুক রাগারাগি থেকে বিরত থাকুন।

৬. রমাদান উপলক্ষ্যে বিভিন্ন চ্যানেল বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করে থাকে যার বেশীর ভাগই অনৈসলামিক। এসব নাটক,সিনেমা,সিরিয়াল দেখা থেকে  নিজে বিরত থাকুন ও পরিবারের সদস্যদের বিরত রাখুন।

৭. পরিবারের কোন সদস্যের ডায়াবেটিকস থাকলে  আগেই চিকিৎসকের  পরামর্শ করে নিন। অথবা, পরিবারের কাউকে নিয়মিত ঔষধ সেবন করতে হয় এমন কেউ থাকলে আগেই চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে সময়সূচী ঠিক করে নিন। বা  কাউকে ব্যায়াম বা হাঁটাহাটি করতে হয় এমন হলে নির্দিষ্ট সময় ঠিক করে নিন।

৮. পরিবারের সকলের শারীরিক সুস্থতার দিকে বিশেষ খেয়াল রাখুন। যাতে রমযানে সবাই সুস্থ্যতার সাথে ইবাদত করতে পারেন।

৯. সাংসারিক কাজ যথাসম্ভব রমযানের পূর্বেই করে ফেলুন।

১০. মহিলাদের কাজের প্রেসার বেশি থাকে তাই পরিবারের সকলকেই ছোট-খাট কাজ ভাগ করে নিয়ে হেল্প করুন। এতে মহিলারা ব্যক্তিগত ইবাদতে বেশি সময় দিতে পারেন।

 মহিলাদের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা :

১. ঘরের ঝুল ঝাড়া, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রমাদানের আগেই করে ফেলুন। তাহলে ঈদের আগে সময় কম লাগবে।

২. বাসার পর্দা, সোফার কুশন, বিছানার চাদর,বালিশের কাভার ঈদের আগে না ধুয়ে বরং রমাদানের আগে ধুয়ে ফেলুন।

৩. রান্নার কিছু পূর্ব প্রস্তুতি রমাদানের আগেই নিয়ে রাখতে পারেন । যেমন-

- আদা, রসুন, পেঁয়াজ বেশি করে ব্লেন্ড করে ডিপে স্টোর করে রাখুন।

- পেঁয়াজ বেশি করে কেটে ফ্রিজে রেখে দিন বা একসাথে ২ তিন কেজি পেয়াজ ছিলে ফ্রিজে রাখতে পারেন। প্রয়োজনে শুধু কেটে নিবেন। শুধু ছিলে রাখলে ফ্রিজে গন্ধ হবে না, নরমাল এ রেখেই স্টোর করতে পারবেন।

- ছোলার ডাল এক সপ্তাহের আন্দাজে একসাথে সিদ্ধ করে ফ্রিজে রেখে দিন। 

- পেঁয়াজুর জন্য ডাল সিদ্ধ করে ডিপে রাখতে পারেন বা নরমালে একসাথে ৩/৪ দিনেরটা বেটে বা ব্লেন্ড করে রাখতে পারেন। 

- বেশি করে রুটি বেলে চুলায় হালকা সেঁকে একটি এয়ার টাইট বক্সে করে ডিপে রেখে দিন। খাবার আগে শুধু বের করে ভেজে নিবেন। ১/২ সপ্তাহ বা একমাসের টা একসাথে এভাবে রাখতে পারেন। 

- মাছ ভেজে নরমালে কয়েকদিনের জন্য বা ডিপে বেশি দিনের জন্য রাখতে পারেন।

 - গোস্ত কেটে মশলা মাখিয়ে ডিপে স্টোর করে রাখতে পারেন। বা গরুর গোস্ত, মুরগির গোস্ত বেশি করে রান্না করে ডিপে রেখে দিন।

- আম, তরমুজ, বাংগী বা অন্যান্য ফলের জুস করে ডিপে রেখে দিন। ইফতারের একটু আগে বের করে রাখলেই হবে।

৪. গৃহস্থালির কাজের জন্য পরিচালিকা থাকলে তার কাজও লাঘব করুন।

৫. রমাদানের রুটিন পালনে সন্তানদের প্রতি বিশেষ নজর দিন।

গ. সামাজিক পরিকল্পনা:

১. আত্মীয়-স্বজন,পাড়া-প্রতিবেশী ও বন্ধু-বান্ধবদের মাঝে রমাদানের গুরুত্ব তুলে ধরুন। রোযা পালনে উৎসাহ দিন।

২. যারা কুরআন  পড়তে পারেন না তাদের কুরআন শিখানোর উদ্যোগ নিতে পারেন।

৩. আত্মীয়তার বন্ধন দৃঢ় করতে ইফতারের দাওয়াত দিন। সামর্থ্যে আলোকে গিফট পাঠাতে পারেন।

ঘ. আর্থিক পরিকল্পনা:

১. কুরআনের তাফসীর, হাদীস ও ইসলামী বই-পুস্তক কেনা বা সংগ্রহ করা। রমযান উপলক্ষ্যে বিভিন্ন প্রকাশনী বইয়ের মূল্যে কমিশন দেয়। আপনিও এ সুযোগে সুলভ মূল্যে বই ক্রয় করতে পারেন।

২. রমযানের প্রয়োজনীয় কেনা-কাটা পূর্বেই করে ফেলুন। এতে মহিলারা রমাদানের পূর্বেই অনেক কাজ গুছিয়ে রাখতে পারেন।

৩. দান-সাদকার প্রস্তুতি রাখুন। 

আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) বলতেন, রাসূলুল্লাহ (সা) ছিলেন মানুষের মধ্যে সর্বাধিক দানশীল। রমাদান মাসে যখন জিবরাঈল (আ) তার সাথে সাক্ষাৎ করতেন তখন তার দানের পরিমাণ অত্যাধিক বেড়ে যেত। আর জিবরাঈল (আ) রমাদান মাসের প্রতি রাতে তার সাথে সাক্ষাত করতেন এবং তাকে কুরআন শিক্ষা দিতেন।

ইবনে আব্বাস বলেন, যখন জিবরাঈল (আ:) রাসূলুল্লাহ (সা) এর  সাথে সাক্ষাৎ করতেন, তখন তিনি বেগবান বায়ু অপেক্ষা অধিক দানশীল হতেন। {সুনানে আন -নাসাঈ : ৩/২০৯৭}

৪.যাকাত দাতা হলে যাকাতের হিসাব ও বিলি-বন্টনের কাজটি রমাদান মাসে সেরে ফেলতে পারেন।

 ৫. রমাদানের পূর্বেই ঈদুল ফিতরের কেনা-কাটা করে ফেলুন। রমাদানের শেষ দশকে ঈদুল ফিতরের কেনা-কাটা করতে গিয়ে কদরের রাতের ইবাদত তো দূরের কথা অনেক সময় রোযাও ছেড়ে দেয় অনেকে। তাই কেনা-কাটা আগেই করে ফেললে ইবাদতে সময় দেয়া সহজ হবে।

মুসলিম উম্মাহর জন্য  রমাদান মহান আল্লাহ্র পক্ষ থেকে এক অপূরন্ত নিয়ামত। রোযাদারকে মহান আল্লাহ সীমাহীন ইযযত দান করবেন।

সাহল (রা:) থেকে বর্ণিত,নবী করীম (সা) বলেছেন, বেহেশতে রাইয়্যান নামক একটি দরজা আছে। কিয়ামতের দিন এটি দিয়ে রোযাদাররা ( বেহেশতে ) প্রবেশ করবে। রোযাদার ছাড়া আর কেউ এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। {সহীহুল বুখারী :২/১৭৬১}

সুপ্রিয় পাঠক ! আসুন আমরা রমাদানের নিয়ামত লাভে নিজেদের জীবনকে সজ্জিত করি। রমাদানের এক মাসের ট্রেনিং বাকী এগার মাসেও নিজেদের জীবনে লাগিয়ে আল্লাহর প্রিয় বান্দা হই। আল্লাহ পাক আমাদেরকে কবুল করুন।

তথ্যসূত্র :

- আল-কুরআনুল কারীম।

- আবু আব্দুল্লাহ আল-বুখারী, সহীহ্ আল-বুখারী, (অনুবাদ: আধুনিক প্রকাশনী)

- মুসলিম ইবনু হাজ্জাজ, আস-সহীহ্, (অনুবাদ: বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার)

- তিরমিযী, আবু ইসা মুহাম্মদ, আস-সুনান, (অনুবাদ : বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার)

- নাসাঈ, আহমদ ইবনু শুআইব,আস-সুনান, (অনুবাদ : বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার)

- ইন্টারেন্টে প্রকাশিত বিভিন্ন ফিচার।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ