বৃহস্পতিবার ২১ জানুয়ারি ২০২১
Online Edition

ওয়ানডেতে ফেরার চ্যালেঞ্জে তাইজুল

স্পোর্টস রিপোর্টার : সাদা পোশাকে নির্বাচকদের ‘অটোমেটিক চয়েজ’ তাইজুল ইসলাম। কিন্তু রঙিন পোশাকের সীমিত ওভারের ক্রিকেটে জায়গা হয় না খুব একটা। কিন্তু এই ফরম্যাটেও যে ‘ফেলনা’ নন তাইজুল, তার প্রমাণ দিচ্ছেন চলমান ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে। নয় ম্যাচে ২১ উইকেট তুলে নিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির তালিকায়। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল যখন আয়ারল্যান্ড ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলতে ব্যস্ত, তাইজুল তখন ঘূর্ণি বোলিংয়ে চমক দেখাচ্ছেন প্রিমিয়ার ডিভিশনের মাঠে। মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের বাঁ-হাতি এই স্পিনার যৌথভাবে আরেক বাঁ-হাতি আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে সমান সংখ্যাক উইকেট ভাগাভাগি করেছেন। টেস্টে যেমন নিয়মিত, সীমিত ওভারের ক্রিকেটেও নিয়মিত হতে চান তাইজুল। নিজেকে প্রমাণ করার জায়গা হিসেবে তাই বেছে নিয়েছেন প্রিমিয়ারের আসরকেই। এক সাক্ষাৎকারে তাইজুল বলেন, টেস্টে আমি মোটামুটি সব ম্যাচ খেলি। অন্তত স্কোয়াডে থাকি। কিন্তু সীমিত ওভারের ফরম্যাটে থাকতে পারি না।
এই যেমন আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে ছিলাম। এরপর বাদ পড়েছি। এর আগেও ২০১৫ বিশ্বকাপে থেকে খেলেছি একটি মাত্র ম্যাচ। এরপর আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের আগে আর কোনো ওয়ানডেতে সুযোগ পাইনি। এবারের প্রিমিয়ার লিগ শুরুর আগে তাই জেদ ছিল। আর খেয়াল করে দেখবেন, ঘরোয়া ক্রিকেটে বড় দৈর্ঘ্যরে ম্যাচে আমার পারফরম্যান্স ভালো। তাহলে ৫০ ওভারের ম্যাচে হবে না কেন? ওই চ্যালেঞ্জ নিয়েই খেলছি এবারের লিগ। বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে এখন পর্যন্ত পাঁচটি ম্যাচ খেলেছেন তাইজুল। উইকেট নিয়েছেন পাঁচটি। পরিসংখ্যানটা খুব ভালো নয়। তাই ঘরোয়া ক্রিকেটে সেরাদের সেরা হতে চান। সঠিক পথ ধরেই এগোচ্ছেন তিনি। সফল হচ্ছেন, সফলতার রহস্য পরিশ্রম, ‘আমি সবসময় খুব পরিশ্রম করি। অন্যান্য সময় তা হয়তো এত ভালোভাবে কাজে দেয় না। বিশেষ করে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে। এবার পরিশ্রমের সুফল পাচ্ছি। টুর্নামেন্ট শেষে লক্ষ্য, সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হওয়া। জানালেন, সবার উপরে থাকলে নজর কাড়া যাবে। এই মুহূর্তে শীর্ষস্থান দখল করে রাখা আরাফার সানিকে টপকানো ইচ্ছার কথাও জানালেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ