রবিবার ০৯ আগস্ট ২০২০
Online Edition

ফটিকছড়িতে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান পলেস্তারা খসে পড়ে শিক্ষার্থী আহত

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা: ফটিকছড়িতে ২৫টি ঝুঁকিপূর্ণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকি নিয়ে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীরা ক্লাস করছে। ঝুঁকিপূর্ণ ওই সব বিদ্যালয় গুলোতে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ইতোমধ্যে গত ২৭ এপ্রিল নানুপুর ইউনিয়নের ঢালকাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী উম্মে সায়মা ক্লাসরত অবস্থায় শ্রেণীকক্ষের উপরের পলেস্তারা খসে পড়ে মারাত্মক জখম হয়েছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ২৫ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে  প্রতিবেদন প্রেরণ করা হয়েছে। এসব বিদ্যালয় গুলোর পিলার ও ছাদ প্রতিনিয়ত খসে পড়ছে। আবার বিকল্প শ্রেণী কক্ষ না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ জেনে ও দালানের নিচে চলছে পাঠদান। এতে ঝুঁকিপূর্র্ণ স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা খুবই শঙ্কিত।
এদিকে ২৭ এপ্রিল পলেস্তারা খসে পড়ে উপজেলার ঢালকাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী উম্মে সায়মার মাথায়  মারাত্মকভাবে আঘাতে আহত হওয়ার ঘটনায় ওই স্কুলের  ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীরা মনে করছেন পলেস্তারা যেকোন সময়ে তাদের মাথায় পরতে পারে। উক্ত বিদ্যালয়ের শিক্ষক আহাম্মদ হোসেন বলেন, ১৯৬৪ সালে বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে ২১৭ জন ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে। অর্ধযুগ পার হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চালাতে হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম।
অপর দিকে ফটিকছড়ি পৌর সদর রাঙামাটিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় (সাবেক কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়)  অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার পর ও বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় চলছে পাঠদান।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত)  বশির আহাম্মদ সরকার বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ জরাজীর্ণ বিদ্যালয় ভবনগুলোর ব্যাপারে আগেই প্রতিবেদন প্রেরণ করা হয়েছে। আশা করি খুব তাড়াতাড়ি কাজ শুরু হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ