রবিবার ২৩ জানুয়ারি ২০২২
Online Edition

প্রশ্নপত্র ফাঁস বনাম মেধাবিকাশ হ্রাস

এম. কে. দোলন বিশ্বাস : প্রশ্নপত্র ফাঁস আমাদের দেশে এখন নতুন কোনো বিষয় নয়। বিগত দিনে এর কোনো সুষ্ঠু তদন্ত বা বিচার করা হয়েছে- এ কথা জোর গলায় বলা যাবে বলে অন্তত পক্ষে আমরা জানি না। বরং প্রশ্নপত্র ফাঁসকারী চক্রের রাঘব বোয়ালরা সব সময়ই থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা সরকার না নেওয়ায় এখন প্রশ্নপত্র ফাঁস শুধু নয়, প্রশ্নের উত্তর কপিও (ফটোকপি করা) ছাত্রছাত্রীদের হাতে চলে যাচ্ছে। ফলে যেসব শিক্ষার্থী নিজের মেধা, ঘাম, শ্রম দিয়ে পড়ালেখা করে, তাদের তুলনায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের মাধ্যমে ভালো রেজাল্ট করে মেধাহীনদের পেরিয়ে যাওয়ার মতো অনাকাক্সিক্ষত, অবাঞ্ছিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেই চলেছে। এতে লেখাপড়ায় উৎসাহ হারিয়ে ফেলছে মেধাবী শিক্ষার্থীরা।
টিআইবি’র গবেষণায় বলছে, প্রশ্ন প্রণয়ন, ছাপানো ও বিতরণ প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন ফাঁসের সম্ভাব্য ঝুঁকি থাকে। প্রশ্ন প্রণয়ন ও চূড়ান্তকরণ পর্যায়ে: পিইসিই, জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট বোর্ডের নির্দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশ্নকর্তা নিয়োগ করার জন্য শিক্ষক বাছাই করার মধ্য শুরু হয় প্রশ্ন প্রণয়নের প্রাথমিক কার্যক্রম। শিক্ষক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে একটি সিন্ডিকেট তৈরি হয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে এ বিষয়কে পুঁজি করে নিজ নিজ স্কুল ও কেচিং সেন্টারে সাজেশন হিসেবে ওই প্রশ্নগুলো দিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। (তথ্যসূত্র : মানবজমিন- ২১.১০.২০১৫)
অথচ সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা এখন জোর দিয়ে সরকারের উন্নয়নের কথা প্রচার করছেন। বলা হচ্ছে, সরকার সবচেয়ে উন্নয়ন সাফল্য অর্জন করেছে শিক্ষা ক্ষেত্রে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। যদিও সরকার সমর্থক গণমাধ্যমে শিক্ষা খাতে উন্নয়নের বর্ণনা শুনে আমাদের সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হতে পারেন। বিশেষ করে শিক্ষক নিয়োগ ও পাবলিক পরীক্ষাগুলোতে বাস্তবে কী দেখা গেছে মহাজোট সরকারের সময়ে?
প্রাথমিক পর্যায় থেকে শুরু করে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাসহ বিসিএস ও অন্যান্য গুর”ত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা গোটা শিক্ষাব্যবস্থাকে বিশৃঙ্খল অবস্থার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে।
বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের হিড়িক লক্ষ করা যাচ্ছে। প্রায় সব পত্রিকায় এই প্রশ্নপত্র ফাঁসের খবর ছাপা হচ্ছে। কিন্তু সরকারের মুখে কোনো জবাব নেই। খবরগুলোতে বলা হচ্ছেÑ একের পর এক ফাঁস হচ্ছে পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্ন।
সেই সাথে নিয়োগ পরীক্ষা ও ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও ফাঁস হচ্ছে। প্রাথমিক সমাপনী ও জেএসসি পরীক্ষার প্রায় সব ক’টি প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। এসব ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠিত হলেও অন্ধকারে রয়েছে সরকার। কোথা থেকে ফাঁস হচ্ছে, কারা এ প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত, সে সম্পর্কে কূলকিনারা করতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। শুধু তদন্ত কমিটি গঠন করেই যাবতীয় দায় সারতে চাচ্ছে। এই প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ শোনা যাচ্ছে বর্তমান সরকারের আমলের শুরু থেকেই। কিন্তু এই অপকর্ম বন্ধে কোনো মাথাব্যথা নেই। শিক্ষাখাতে উন্নয়নের প্রচারের সাথে বাস্তবের অনেকটাই গরমিল।
মেধা যাচাইয়ের জন্য মূলত পরীক্ষা পদ্ধতির উদ্ভব ঘটেছে। সেকারণেই শিক্ষার্থী কিংবা চাকরি প্রার্থীদের পরীক্ষা নেয়া হয়। প্রশ্নপত্রের গোপনীয়তা একটি অলংঘনীয় বিষয়। অথচ প্রায় প্রতিটি পরীক্ষা এখন প্রহসনে পরিণত হচ্ছে। পরীক্ষার আগেই ফাঁস হয়ে যাচ্ছে প্রশ্নপত্র। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের পকেটে লাখ লাখ টাকা জমা হওয়ারও খবর বেরুচ্ছে গণমাধ্যমে।
উল্লেখ্য, স্কুল-কলেজের ভর্তি পরীক্ষা থেকে শুরু করে শিশু-কিশোরদের পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী, জেএসসি, জেডিসি, এসএসসি, এইচএসসি’র মতো পরীক্ষাতেও প্রশ্নপত্র ফাঁস এখন নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিয়েও যে কারণে একদিকে যেমন সংশয় সৃষ্টি হচ্ছে। অন্যদিকে তেমনি নানাবিধ প্রশ্নও উঠছে। এছাড়া বিসিএস, মেডিকেলে ভর্তি এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা উদ্বেগের।
পাবলিক পরীক্ষায় একের পর এক প্রশ্নপত্র ফাঁস আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় মহামারী আকার ধারণ করেছে, এমনটি বললে নিশ্চয় অযৌক্তিক হবে না। দুঃখজনক হলেও সত্য, প্রশ্নপত্র ফাঁস ঘটনার সঙ্গে আজ মানুষগড়ার কারিগর খ্যাত শিক্ষক, শিক্ষার্থীও অভিভাবকসহ সমাজের প্রভাবশালী একটি মহল ও চক্র জড়িত হয়ে পড়েছে।
আমাদের সমাজব্যবস্থার রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি বাসা বাঁধলেও পরীক্ষা সংক্রান্ত ক্ষেত্রে অন্তত একটা বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় ছিল। কিন্তু প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও তা মুদ্রণ এবং সংরক্ষণ কাজে যারা নিয়োজিত, তাদের মধ্যে নৈতিকতাহীন লোকজন ঠাঁই পাওয়ায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত সব পরীক্ষা কার্যত প্রহসনে পরিণত হচ্ছে।
পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও ফাঁস হয়ে যাচ্ছে এবং তা টাকার বিনিময়ে বিক্রির মহোৎসব চলছে। শিশুরা শিশু বয়সেই পরিচিত হচ্ছে দুর্নীতির সঙ্গে। জাতির ভবিষ্যৎ যারা, তারা শিশু বয়সেই দুর্নীতিতে নিমজ্জিত নতুবা দুর্নীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে সঙ্গত কারণেই সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা সম্পর্কে তাদের মধ্যে গড়ে উঠছে নেতিবাচক মনোভাব।
শিশু শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয়ভাবে একক প্রশ্নপত্র দিয়ে মেধা যাচাইয়ের আয়োজন কেবল অভিভাবক নয়, অংশগ্রহণকারীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা জাগিয়েছিল। প্রত্যাশা ছিল, শিক্ষাজীবনের প্রথম আনুষ্ঠানিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা পরবর্তীকালের পাঠ প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক ফল বয়ে নিয়ে আসবে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, কোমলমতি শিক্ষার্থীরাও অসাধু উপায়ের কালো ছায়া থেকে মুক্ত থাকতে পারছে না! একটি গোষ্ঠী অর্থের লোভে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াটিতে গরল ঢালতে শুরু করেছে।
প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় মেধা, সততা ও স্বচ্ছতার শিক্ষা নিয়ে পরবর্তী পাবলিক পরীক্ষাগুলোয় কলুষমুক্ত থাকার কথা ছিল। অথচ উচ্চতর পরীক্ষাগুলোর নেতিবাচক সংস্কৃতিতে এখনই অভ্যস্ত হচ্ছে সোনামণিরা! আত্মঘাতী এ চর্চায় বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়ার অবকাশ নেই। আমরা শিক্ষকরা চাই, প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক, যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ এর পুনরাবৃত্তির দুঃসাহস না দেখায়। বলা বাহুল্য যে, বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁস হলেও এর উৎস অনুসন্ধান করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা নজির দেখা যাচ্ছে না।  বর্তমানে এইচএসসি পরীক্ষা চলচ্ছে। চলতি এ পরীক্ষারও প্রশ্নপত্র ফাঁসের অপচেষ্টা হয়েছে। পরীক্ষা শুরু হওয়ার ঘণ্টা খানেক আগে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খুলে কয়েকজন অসাধু শিক্ষক মোবাইল ফোনে ছবি তোলেন। এরপর পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে তা ছড়িয়ে দেন ভাইভার, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদি অ্যাপসের মাধ্যমে। ইতোমধ্যে ঘটনার সাথে জড়িতদের আটকও করা হয়েছে। এ ঘটনায় খোদ শিক্ষামন্ত্রী হতাশাও প্রকাশ করেছেন। মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষকগণই যদি এই ভয়াবহ অনৈতিক কাজে জড়িত থাকেন, তা হলে আমরা কোথায় যাব?
অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, প্রশ্নপত্র ফাঁস যেন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এক পরিসংখ্যানে জানা যায়, আশির দশক হতে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের অন্তত ৮০টি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে; কিন্তু কোনোটিরই উৎস বের করা যায়নি। বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাও নতুন কিছু নয়।
বলা বাহুল্য, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সবচাইতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মেধাবীরা। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটায় একদিকে  শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার প্রতি যেমন আগ্রহ কমে যাচ্ছে, অপরদিকে নিঃসন্দেহে তেমনি দেশ ও জাতি ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।
প্রকৃতপক্ষে যে সমাজে সবাই কিভাবে রাতারাতি বড়লোক হবেন, এমন চিন্তা-ফিকিরে বিভোর, সেখানে শুধু শিক্ষকদের দোষ দিয়ে লাভ নেই।  সমাজে অর্থই আজ সবকিছুর নিয়ন্ত্রক হয়ে পড়েছে। এখানে জ্ঞানী-গুণীর  যেমন কোনো কদর নেই। তেমনি নীতি- নৈতিকতার স্থান নেই। নেই সততার মূল্যও। ফলে প্রথমত একশ্রেণির শিক্ষকও এর দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ছুটছেন অর্থে নামক অনর্থের পেছনে। দ্বিতীয়ত; অভিভাবকরা ছুটছেন ছলেবলে কলে-কৌশলে প্রতিযোগিতার পিছনে।
এক দশক আগেও আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় কিংবা নিয়োগ পরীক্ষায় এতো প্রতিযোগিতা ছিল না। শুধু এ দেশে নয়, উন্নত দেশগুলোতেও শিক্ষার্থীরা আজ প্রবল প্রতিযোগিতার কারণে এক নিদারুণ সংকটে নিপতিত।
এ বাস্তবতায় অভিভাবকরা চাচ্ছেন, যে করেই হোক, তাদের সন্তানটি ভালো রেজাল্ট করে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকুক। এজন্য শিক্ষার্থীদের চাইতে অভিভাবকদের ঘুম বেশি হারাম হচ্ছে। তারা পরীক্ষার আগের দিন সারা রাত জেগে প্রশ্নের সন্ধান করেন। বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের দালালদের পেছনে লেগে থাকেন।
ছেলে-মেয়েরা ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে কিনা তা নিয়ে মহাব্যস্ত হয়ে পড়ে। এ তুমুল প্রতিযোগিতারই সুযোগ নিচ্ছে একশ্রেণির অসাধু ব্যক্তি বা চক্র যারা প্রশ্নপত্র প্রণয়ন হতে শুরু করে প্রশ্নপত্র ছাপা কিংবা বিতরণের সঙ্গে জড়িত। তারা এটাকে দেখছে রাতারাতি ধনী হবার উপায় হিসেবে। অতএব, শুধু আক্ষেপে কিংবা কথায় কাজ হবে বলে নিতান্তই আমরা বিশ্বাস করতে পারি না।
আমাদের অব্যশই মনে রাখতে হবে যে, শিক্ষা আমাদের মৌলিক অধিকারের একটি অংশ। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ৪ নম্বর লক্ষ্য হলো সকলের জন্য গুণগত মানসম্মত শিক্ষা। মানসম্মত শিক্ষার একটি বড় অন্তরায় বর্তমানে প্রশ্নপত্র ফাঁস। প্রশ্নপত্র ফাঁস একটি জাতির শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য নিতান্তই কলঙ্কজন অধ্যায়। প্রশ্নপত্র ফাঁস করে ওয়াকওভার নিয়ে নাম্বার পাওয়া যেতে পারে, এই নাম্বারে জীবনে তেমন কোনো কাজে তো আসবেই না। বরং বিপদের সংকেত বহন করে। শিক্ষা মানসম্মত না হলে সে শিক্ষা গ্রহণ করেও কোনো লাভ হবে বলে অন্তত আমরা বিশ্বাস করতে পারি না। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁস করে সাময়িক ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করা যেতে পারে, কিন্তু জাতি হিসেবে আমরা পিছিয়ে যাবো এবং জাতি মেধাশূন্য হয়ে যাবে এতে কোনো ধরনের দ্বিমত আছে বলেও আমরা মনে করি না।
প্রচারসর্বস্ব শিক্ষাখাতে উন্নয়নের কথা বাদ দিয়ে সরকারকে সত্যিকারের শিক্ষা উন্নয়নের কথা ভাবতে হবে। জাতীয় স্বার্থে আজ তা নিশ্চিত করতে হবে। সারা বছর পড়াশোনা করে ছাত্ররা পরীক্ষা দিতে গিয়ে দেখে সব প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে গেছে, এতে ছাত্ররা লেখাপড়ায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারে। বিষয়টি মনে রেখে যেকোনো মূল্যে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা থামাতেই হবে।
বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে দ্রুত প্রতিকারের ব্যবস্থা নেওয়াই হবে সবার জন্য মঙ্গলজনক কাজের অন্যমত কাজ। এর ব্যতিক্রম হলে সুদে-আসলে প্রশ্ন ফাঁসের মাসুল সবাইকে যে একাধিকগুণে গুণতে হবে না তা বলা বড়ই দুষ্কর। কাজেই দ্রুত সাবধান ‘সাধু’।
[এম.কে. দোলন বিশ্বাস, দৈনিক সংবাদের সাবেক সহ-সম্পাদক]

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ