মঙ্গলবার ০২ জুন ২০২০
Online Edition

স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে হাজারো লোক-

শাহ সুলতান আহমেদ, নবীগঞ্জ থেকে: জীবন বাঁচাতে বা সুস্থ্য থাকতে প্রয়োজন ভালো ও উন্নত মানের খাবার। উন্নতমানের খাবারের ফলে অনেকে হারানো স্বাস্থ্য ফিরে পেয়েছেন। আবার অনেকে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে বিভিন্ন  রোগে ভুগছেন দীর্ঘদিন যাবত। নারী- পুরুষদের মধ্যে বিভিন্ন জটিল ও কঠিন রোগে ভুগছেন অনেক পুরুষ। কারণ পুরুষেরা সব সময়ই হোটেল রেস্তোরাঁয় মুখরোচক খাবার খেয়ে থাকেন। ইদানীং দেখা গেছে -হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন হাট- বাজারে ব্যাঙের  ছাতার মতো অহরহ গড়ে উঠেছে হোটেল  রেস্তোরাঁ। এসব হোটেল রেস্তোরায়  সিঙ্গারা, পিয়াজী, মোগলাই, আলুর চপ, নিমকি. জিলাপি, মিষ্টি, চা, খাজাসহ আরো অনেক কিছু হোটেল রেস্তোরায়  তৈরি করা হচ্ছে। এসব  আইটেম তৈরি করতে ময়দা, চিনি, গুড়, সোয়াবিন, আটা, বেশন, ও লবনসহ আরো অনেক দ্রব্য একান্তই প্রয়োজন।
এতে উন্নত মানের ও টেকসই পন্য সামগ্রী কিনে জিনিস প্রস্তুত করতে ব্যবসায়ীদের মুনাফা একেবারেই কম, তাই তারা  ইদানীং মনোনিবেশ  করছেন নিম্ন মানের দ্রব্যসামগ্রী দিয়ে বিভিন্ন আইটেমের জিনিস তৈরি করার। এক দিকে নিম্নমানের পণ্যসামগ্রী দিয়ে প্রস্তুতকৃত  রুটি, মোগলাই, পিয়াজী,  জিলাপি, নিমকিসহ আরো অনেক জিনিস খেয়ে জনসাধারণ  হুমকির মধ্যে রয়েছেন। অপরদিকে এসব জিনিস প্রস্তুত কারীদের আইনের আওতায়  না আসায়  হতাশায় সাধারণ জনগন। নবীগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন হাট- বাজারে ইদানিং দেখা গেছে এসব জিনিসের প্রাদুর্ভাব।বিশেষ করে- এক শ্রেণীর  অসাধু ব্যবসায়ীরা সংঘবদ্ধভাবে দেদারছে চালাচ্ছে  এসব ব্যবসা। নাম প্রকাশে অনিচ্চুক- এক হোটেলের শ্রমিক জানায়, ব্যবসায়ীরা হিসেবে নিকেশ করে নিম্ন মানের পন্য সামগ্যী দিয়ে জিনিস তৈরি করতে মনোনিবেশ করছেন এর কারণ হচ্ছে, উন্নত ও গুনগত মানের  টেকসই পন্যসামগ্রী দিয়ে জিনিস তৈরি  করলে লাভ বেশী পাওয়া যায়না। এর জন্য অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্টিকেটের মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানীর লোাকের কাছ থেকে  নামে মাত্র টাকা দিয়ে সোয়াবিন ,ময়দা, চিনি আটা, কিনে নিজস্ব দোকানের পিছনে একটি কক্ষে লুকিয়ে রাখেন। এসব জিনিস বছরের বছর সংরক্ষিত থাকায় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের ছোট,ছোট পোকা মাকর  জমে থাকে । এবং একবারেই তার গুনগতমান থাকেনা বললেই চলে। এর পর ও প্রস্তুত করা হয় বিভিন্ন আইটেমের জিনিস সমুহ। আরো জানগেছেÑ নবীগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন হাট বাজার মিলে প্রায় কয়েক শত হোটেল রেনস্তোরা রয়েছে।প্রতিটি দোকানেই ভেজাল জিনিস দ্রব্য সামগ্রী দিয়ে প্রস্তুত করা হচ্ছে এসব জিনিস। তাহা খেয়ে অনেকে বিভিন্ন রোগে ভুগছেন। এবং দীর্ঘদিন এসব জিনিসের প্রতি আসক্ত থাকায় মুখরোচক খাবার হিসেবে গ্রহন করে তাদের জীবন ঝুঁকিতে আছেন অনেকে। বিভিন্ন সচেতন মহলের দাবি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি ও বিশেষ নজরে রোধ হতে পারে এ সব ব্যবসায়ীদের ব্যবসার প্রাদুর্ভাব। নতুবা দিন দিন ব্যাপক আকারে এসব ব্যবসা বেড়ে আরো ব্যাপক আকার ধারণ করবে বলে সচেতন মহল মনে করছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ