শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

দলীয় ক্ষমতার স্বার্থে ভারতের সাথে চুক্তি করেছে জনবিচ্ছিন্ন সরকার -খেলাফত মজলিস

সম্প্রতি ভারতের সাথে বাংলাদেশের কয়েকটি প্রতিরক্ষা সমঝোতা স্মারক সই হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে দেশের স্বার্থবিরোধী সকল চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক বাতিলের দাবি জানিয়ে খেলাফত মজলিসের নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ভারত সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের জন্যে কিছুই আনতে পারেননি।  বরং ভারতের সাথে প্রতিরক্ষা স্মারক সইয়ের মাধ্যমে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করার আয়োজন করে এসেছেন।  বর্তমান জনবিচ্ছিন্ন সরকারের প্রধানমন্ত্রী নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে দেশের বৃহত্তর স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে এসেছেন। সীমান্তবর্তী দেশের সাথে সম্পন্ন এরকম চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি চরম আঘাত। এ প্রতিরক্ষা স্মারকের বলে ভারত বাংলাদেশের প্রতিরক্ষার উপর অযাচিত খবরদারী করার সুযোগ পাবে। বাংলাদেশের প্রতিরক্ষার গোপনীয়তা নষ্ট হবে। ভারতের কাছ থেকে ব্যাকডেটেড অস্ত্র  ক্রয়ের জন্যে ঋণচুক্তি করে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। দেশের জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়া এ ধরনের প্রতিরক্ষা চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক সম্পাদন বৈধ হতে পারে না। বাংলাদেশের জনগণ ভারতের সাথে সম্পন্ন প্রতিরক্ষা সমঝোতা স্মারক কখনো মেনে নেবে না। অন্যদিকে অভিন্ন ৫৪ নদীর উজানে বাঁধ দিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পানি আগ্রাসন চালাচ্ছে ভারত। বাংলাদেশের অধিকার তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে কিছুই করতে পারেনি ভারতের নতজানু সরকার। নিজের ও দলীয় ক্ষমতার স্বার্থে ভারতের সাথে একের পর এক চুক্তি করছে জনবিচ্ছিন্ন সরকার। তাই  ভারতের সাথে সম্পন্ন দেশের স্বার্থবিরোধী সকল চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। তা না হলে দেশবাসীকে নিয়ে  দেশবিরোধী চুক্তি ও স্মারকের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে নেতৃবৃন্দ এ কথা বলেন। 
গত মঙ্গলবার বাদ মাগরিব বিজয়নগরস্থ মজলিস মিলনায়তনে নায়েবে আমীর মাওলানা সৈয়দ মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুগ্মমহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ শফিক উদ্দিন, এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, শেখ গোলাম আসগর, সাংগঠনিক সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ শফিউল আলম, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, মাওলানা নোমান মাযহারী, অধ্যাপক মো: আবদুল জলিল, অধ্যাপক কে এম আলম, মাওলানা তোফাজ্জল হোসনে মিয়াজী, মাওলানা আজিজুল হক প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ