সোমবার ১০ আগস্ট ২০২০
Online Edition

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজ জিতলো পাকিস্তান

স্পোর্টস ডেস্ক : শোয়েব মালিকের অনবদ্য সেঞ্চুরি ও মোহাম্মদ হাফিজের ব্যাটিং দৃঢ়তায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতলো পাকিস্তান। মালিকের অপরাজিত ১০১ ও হাফিজের ৮১ রানের সুবাদে গত মঙ্গলবার রাতে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে পাকিস্তান। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতে নিলো সরফরাজ আহমেদের দল। পাশাপাশি এই নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টানা ৯টি সিরিজ জয় পেল পাকিস্তান।
সিরিজের প্রথম ম্যাচে নাটকীয়ভাবে ৪ উইকেটে জয় পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে পরের ওয়ানডে ৭৪ রানে জিতে সিরিজে সমতা আনে পাকিস্তান। তাই সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেটি রূপ নেয় অলিখিত ফাইনাল ম্যাচে। প্রথম দুই ম্যাচের মত এবারও টস ভাগ্যে জয় পান ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক জেসন হোল্ডার। তবে এবার প্রথমে ব্যাট হাতে তুলে নেন ক্যারিবীয় দলপতি। দুই ওপেনার এভিন লুইস ও চাঁদউইক ওয়ালটন ৩১ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন। লুইসকে ১৬ রানে থামিয়ে পাকিস্তানকে প্রথম সাফল্য এনে দেন বাঁ-হাতি পেসার জুনায়েদ খান। আরেক ওপেনার ওয়ালটনকে ১৯ রানেই থামিয়ে দেন পেসার হাসান আলী। ২৩ রান করা কাইরন পাওয়েলকে শিকার করেন ওয়াসিম।
এর পর জেসন মোহাম্মদকে নিয়ে সাফল্য পান শাই হোপ। পাকিস্তানের বোলারদের সামলিয়ে উইকেটে সেট হওয়ার পর রান তোলার কাজটা দক্ষতার সাথেই করেছেন মোহাম্মদ ও হোপ। তাই ৬৮ রানে ৩ উইকেট হারানো ওয়েস্ট ইন্ডিজ পেয়ে যায় লড়াকু সংগ্রহের পথ।
হোপ-মোহাম্মদ দুজনেই হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। দলীয় ১৬৯ রানে মোহাম্মদ জুনাইয়ের দ্বিতীয় শিকারে পরিনত হলে চতুর্থ উইকেটে দু’জনে ১০১ রান জুটির সমাপ্তি ঘটে। ৭১ রানে থেমে যান হোপ। ২২ রান যোগ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৯ উইকেটে ২৩৩ রানে নিয়ে যান নীচের সারির দুই ব্যাটসম্যান অধিনায়ক হোল্ডার ও আসলে নার্স। পাকিস্তানের মোহাম্মদ আমির, জুনায়েদ ও শাহদাব খান ২টি করে উইকেট নেন। জয়ের জন্য ২৩৪ রানে লক্ষ্যে খেলতে নেমে প্রথম বলেই উইকেট হারায় পাকিস্তান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসার শ্যানন গ্যাব্রিয়েল শূন্য হাতে ফিরিয়ে দেন পাকিস্তানের ওপেনার কামরান আকমলকে। অন্য প্রান্ত দিয়ে আরেক ওপেনার ৩ রান করা আহমেদ শেহজাদের বিদায় ঘটান হোল্ডার।
১৬ রানের মধ্যে দুই ওপেনারকে হারানোর পর ঘুড়ে দাঁড়ানোর পথ খুঁজছিলো পাকিস্তান। কিন্তু আবারো পাকিস্তান শিবিরে আঘাত হানেন গ্যাব্রিয়েল। এবার তিনি আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান বাবর আজমকে আটকে দেন ১৬ রানেই। এতে ৩ উইকেটে ৩৬ রানে পরিণত হয় পাকিস্তান।এ অবস্থা থেকে মোহাম্মদ হাফিজের আক্রমনাত্মক ব্যাটিং-এ দুর্দান্তভাবে লড়াইয়ে ফেরে পাকিস্তান। ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোলারদের উপর পাল্টা আক্রমন চালান হাফিজ। অন্যপ্রান্ত দিয়ে তাকে সঙ্গ দেন শোয়েব মালিক। ৮৬ বলে ৮১ রানেই থেমে যান তিনি। মালিকের সাথে চতুর্থ উইকেটে ১১৩ রান যোগ করেন হাফিজ। হাফিজ ফিরে গেলেও পঞ্চম উইকেটে অধিনায়ক সরফরাজের সাথে মালিকের অনবদ্য ৮৭ রানের জুটিতে জয়ের স্বাদ পায় পাকিস্তান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ