মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

পশ্চিমবঙ্গে মাদরাসা সার্ভিস কমিশন পুনর্বহালের দাবিতে এসআইও’র স্মারকলিপি

৮ এপ্রিল, আজকাল/ পার্সটুডে : ভারতের পশ্চিমবঙ্গে স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত চালু করার জন্য মাদরাসা সার্ভিস কমিশন পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদরাসা শিক্ষা দফতরে স্মারকলিপি দিয়েছে স্টুডেন্টস ইসলামিক অর্গানাইজেশন অব ইন্ডিয়া বা এসআইও।
এসআইও’র পশ্চিমবঙ্গ শাখা সভাপতি ওসমান গণি সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদরাসা শিক্ষা দফতরের সচিব ড. পি বি সেলিমকে ওই স্মারকলিপি দেন।
সংগঠনটির জনসংযোগ সম্পাদক আবদুল হামিদ গত শুক্রবার সন্ধ্যায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, ‘রাজ্যের সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত  মাদরাসাগুলোতে ৪ বছর ধরে কোনো শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মী নিয়োগ না থাকায় মাদরাসার শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। তাই মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থার বেহাল অবস্থা দূর করতে রাজ্য সরকারকে পদক্ষেপ নিতে  হবে।’
এসআইও’র রাজ্য সভাপতির পক্ষ থেকে মাদরাসা সার্ভিস কমিশনের সংস্কার করা নিয়ে কিছু প্রস্তাব দিয়ে বলা হয়, ‘সংবিধানের ৩০ নম্বর ধারাকে অক্ষুণ্ন রেখে মাদরাসা সার্ভিস কমিশনের সংস্কার করতে হবে। সেইসাথে ভালো মেধাসম্পন্ন শিক্ষকদের যাতে শিক্ষকতায় নিয়োগ ও মাদরাসার নিজস্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি অক্ষুণ্ন রাখার জন্য রাজ্য সরকারকে সচেষ্ট হতে হবে।’
সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদরাসা শিক্ষা দফতরে স্মারকলিপি প্রদানের সময় সংগঠনটির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন,  কোলকাতা আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আয়াতুল্লাহ ফারুক মোল্লা, রাজ্য শিক্ষাঙ্গন সম্পাদক রামিজ রাজা ও রাজ্য জনসংযোগ সম্পাদক আবদুল হামিদ উপস্থিত ছিলেন। পশ্চিমবঙ্গে ২০০৮ সালে স্বচ্ছ ও দুর্নীতি মুক্ত নিয়োগ প্রক্রিয়ার জন্য গঠিত হয় মাদরাসা সার্ভিস কমিশন। ২০১২ সাল পর্যন্ত এই কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ হয়। কিন্তু সংবিধানের ৩০ ধারাকে সামনে রেখে কোলকাতা হাইকোর্টে এ নিয়ে মামলা হয়। হাইকোর্টের পক্ষ থেকে বলা হয়, সংখ্যালঘুরা তাদের পছন্দ মতো প্রতিষ্ঠান গঠন ও নিয়োগ করতে পারবে। আদালত মাদরাসা সার্ভিস কমিশনকে অবৈধ বলেও ঘোষণা করে। বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। বর্তমানে রাজ্যে ৬১৪ টি হাই ও সিনিয়র হাই মাদরাসায় ৫ হাজারের বেশি শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ