শুক্রবার ২৯ মে ২০২০
Online Edition

দামুড়হুদার চণ্ডীপুর গ্রামের কিশোরীকে ভারতে পাচার এক মাস পর উদ্ধার: থানায় অভিযোগ

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা: দামুড়হুদার সীমান্তবর্তী চণ্ডীপুর গ্রামের করিমন চালকের কিশোরী কন্যাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভারতে পাচারের পর ধর্ষন শেষে পতিতালয়ে বিক্রি করে দেয় একটি চক্র। ২৫দিনের মাথায় সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে আসা কিশোরীর পিতা বাদি হয়ে একই গ্রামের স্কুল পাড়ার নজরুল ইসলামের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৪৩) আবুল কালামের ছেলে বুদো (৪২) হাসিবুল পিতা অজ্ঞাত ও মাহাবুল পিতা অজ্ঞাত নাম উল্লেখ করে দামুড়হুদা মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার সীমান্তবর্তী চণ্ডীপুর গ্রামের শহিদুল, বুদো ও হাসিবুল পাচারের মাস খানেক আগে বুদোর শ্যালক মাহাবুল ইসলামের সাথে বিয়ের প্রলোভান দেখিয়ে করিমন চালকের কন্যাকে ফুসলাইতে থাকে। এরই জের ধরে ০৫/০৩/১৭ তারিখ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাকে নিজ বাড়ী থেকে ফুসলিয়ে দামুড়হুদা উপজেলার সীমান্তবর্তী ছোট বলদিয়া গ্রামের জনৈক জিয়ার বাড়ীতে রাখে। পরদিন ৬/০৩/১৭ তারিখে তারা তার কন্যাকে ভারতের কৃষœনগরে অজ্ঞাত ব্যক্তির বাড়ীতে ৫দিন আটক রেখে বিবাদীগণ কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
এর পর ১২/০৩/১৭ তারিখে কৃষ্ণনগরের মেঘা নামের এক ব্যক্তির সহায়তায় তাকে ভারতের দিল্লীর এক বাড়ীতে আটক রেখে মেঘাসহ সকলে তাকে আবারো ধর্ষণ করে ও দিল্লীর অজ্ঞাত ব্যক্তির মাধ্যমে ৩ লক্ষ টাকায় সেখানকার এক পতিতালয়ে বিক্রি করে দেয়। ১০দিন অমানবিক ভাবে আটক থাকার পর কিশোরির সাথে সেখানে জামাল নামের এক ব্যক্তির পরিচয় হয়।
জামালের কাছে ঘটনাটি খুলে বলে এবং জামালের মাধ্যমে কিশোরী তার খালার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে। কিশোরীর পরিবার জামালের সাথে যোগাযোগ করে বৃহস্পতিবার দুপুরে কিশোরীকে নিজ বাড়িতে ফিরিয়ে আনে। এরপর গতকাল বিকালে কিশোরীর পিতা তার কন্যাকে নিয়ে দামুড়হুদা মডেল থানায় হাজির হয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে দামুড়হুদা মডেল থানার ডিউটি অফিসার রাশেদ শুক্রবার বিকালে জানান, অভিযোগটি এখনও মামলা হিসাবে নথিভূক্ত করা হয়নি, আজকে রেকর্ড করা হবে। এবং এরপর পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ