শুক্রবার ২৯ মে ২০২০
Online Edition

উখিয়ায় কোটি টাকার বসতবাড়ি জবর দখল

উখিয়া (কক্সবাজার) সংবাদদাতা: উখিয়ার কোটবাজার ঝাউতলা এলাকায় বসবাসরত এক সৌদি প্রবাসীর কোটি টাকার পাকা বসতবাড়ি দখল নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে হামলা-মামলা ও আটকের ঘটনা ঘটেছে। প্রবাসীর দাবি তার বসতবাড়ি দখলের রাখার জন্য মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে ঘায়েল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে প্রতিপক্ষ। মূলত: ওইদিন এধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি। উপরোন্ত তাকে প্রধান আসামী করে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
কোটবাজার ঝাউতলা গ্রামের মৃত হাজী নজির আহমদের ছেলে সৌদি প্রবাসী আমির  হোসেন অভিযোগ করে জানান, প্রতিপক্ষ রাজাপালং গ্রামের মৃত জালাল আহমদের ছেলে নুরুল হকের মধ্যে উখিয়া সদরের একটি পাকা বসতবাড়ি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল ৮/৯ বছর ধরে। প্রবাসী আমির হোসেন জানান, সে রাজাপালং গ্রামের মাওলানা ফারুক আহমদের নিকট থেকে বসতবাড়িসহ জায়গাটি কবলা মূল্যে খরিদ করেন। সে দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার সুযোগে ওয়ারিশি সম্পত্তি দাবী করে মালামালসহ বসতবাড়িটি দখল করে নেন নুরুল হক গং।
২০১৪ ইং সনে প্রশাসনিক ও স্থানীয় শালিসী বৈঠকের চাপের মুখে নুরুল হক উক্ত বসতবাড়ি খানা ৩৫ লক্ষ টাকায় ক্রয় করার জন্য ৬ মাসের সময়সীমা বেঁধে দিয়ে রেজিষ্টার্ড বায়নানামা সম্পাদন করেন। ৬ মাস, বছর পেরিয়ে গেলেও নুরুল হক উক্ত বসতবাড়ি রেজিষ্ট্রি নিয়ে তার টাকা পরিশোধ করতে কোন রকম আন্তরিক হয়নি।
উপরোন্ত সে বসতবাড়িটি জবর দখলে রাখার জন্য আদালতে ও স্থানীয়ভাবে মামলা, শালিস, হুমকি ধমকি দিয়ে আসছিল।
প্রবাসী আমির হোসেন আরো জানান, প্রতিপক্ষ তার স্বত্বদখলীয় জায়গার বিন্দুমাত্র প্রমাণাধি উপস্থাপন করতে পারলে আমি নিঃস্বত্ব পুরো জায়গাটি ছেড়ে দিবো। এঘটনা নিয়ে নুরুল হককে প্রধান আসামী করে আদালতে একটি উচ্ছেদ মামলা দায়ের করা হলে নুরুল হক অভিনব প্রতারণার মাধ্যমে গত ৩০ মার্চ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় তার বসতবাড়িতে হামলা করা হয়েছে মর্মে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে আমাকে প্রধান আসামী করে উখিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে প্রতিপক্ষ নুরুল হক জানান, উক্ত বসতবাড়িটি তার পৈত্রিক সম্পত্তি। প্রতিপক্ষ বসতবাড়িটি জবর দখলে নেয়ার জন্য ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী নিয়ে রাতের আঁধারে হামলা চালায়। উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল খায়ের জানান, এঘটনায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ