শুক্রবার ২৯ মে ২০২০
Online Edition

নবীগঞ্জে ফার্মেসী ব্যবসায়ীরা নিষিদ্ধ ওষুধ বিক্রি করতে মরিয়া

শাহ সুলতান আহমেদ নবীগঞ্জ থেকে : রক্ষাকারী ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রির ব্যাপারে কঠোর হলেও এখনো হাটবাজারে নিষিদ্ধ ওষুধ বিক্রি হচ্ছে। অনেক ফার্মেসী ব্যবসায়ী ও ওষুধ উৎপাদনকারী বৈধ কোন লাইসেন্স নেই। অপরদিকে  মেয়াদ শেষ হওয়া ওষুধ বিক্রির ব্যবসা  দেদার চলছে। হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে দেখা গেছে নিষিদ্ধ ওষুধ বিক্রি করা হচ্ছে। আরো দেখা গেছে- ডাক্তার লিখছে যে ওষুধ ফার্মেসী ব্যবসায়ীরা দিচ্ছে অন্য ওষুধ। এতে ব্যবসায়ীরা মুনাফা পেলে ও রোগীরা দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। আরো  জানা গেছে-নবীগঞ্জ উপজেলায় প্রায় ৪ শত গ্রামের ৭/৮ লাখ লোকের বসবাস। এবং ঐ উপজেলার প্রায় ২০/ ২৫ টি বাজারে থাকা কয়েকশত ওষুধ ব্যবসায়ী ফার্মেসী  থেকে তারা জীবন রক্ষাকারী ওষুধ ক্রয় করতে হচ্ছে। কিন্তু ইদানীং সিন্ডিকেটে বিভিন্ন নাম বিহীন ও লাইসেন্স বিহিন ওষুধ কোম্পানী যেমন ওষুধের গায়ে লিখা চমৎকার আকারে আয়ুর্বেদীয়, হারবাল, ইউনানি, কবিরাজি র্ফমুলায় তৈরি নামে মাত্র তৈরির ও উৎপাদনকারীর ওষুধ বিক্রি করতে এখন ব্যবসায়ীরা মহা ব্যস্ত রয়েছেন। কারণ এসব ওষুধ বিক্রি করলে তারা মূল্যের অর্ধেক মুনাফা পান।  চিকিৎসক গণরোগীকে  উন্নত মানের ওষুধ ক্রয়ের ব্যবস্থাপত্র দিলে ও ছল- চাতুরী করে তারা রোগীকে ঠকিয়ে দিচ্ছেন নিম্নমানের কোম্পানীর ওষুধ। এতে রোগীদের রোগ নির্মুল হওয়া তো দুরের কথা বরং রোগীরা তা খেয়ে আরো ঘায়েল হওয়ার অভিযোগ অহরহ রয়েছে, অনেকে এ ধরনের ওষুধ খেয়ে অকালে মারা যাবার অভিযোগ দীর্ঘ দিনের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রোগী জানান এমবিবিএস ডাক্তার যে ওষুধ দেয় তাকে ডিঙ্গিয়ে উল্টো ওষুধ দিয়ে ও খেয়ে সে এখন শয্যাশায়ী। এবং অনেকে আবার ব্যবস্থা পত্র ছাড়াই জটিল ও কঠিন রোগীদের দিচ্ছে মনগড়া ওষুধ। খোঁজ নিয়ে আরো জানা গেছে- কতিপয় ওষুধ ব্যবসায়ীদের সাথে রয়েছে অসাধু ফার্মেসী ব্যবসায়ী মালিকের বিশেষ হিসেব নিকেশ, কারণ তারা সিন্ডিকেটের ব্যবসার ফলে রাতারাতি বড়  লোক হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। আবার অনেকে ইতিমধ্যেই বড় লোক হয়েছেন। বিশেষ করে নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি, পানি উমদা, রসুলগঞ্জ, ইমামবাড়ি , বাংলা বাজার, কামা গাঁও,  গোপলার বাজার, ও নবীগঞ্জ শহরে  এ সব ব্যবসায়ীদের আনা গোনা বেশী রয়েছে। অচিরেই যদি এ সব ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনা  না হলে  তারা আরো ব্যাপক আকারে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ