মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

আমের বাগান ও মৎস্য চাষ করে তহিবুর ফিরিয়েছে ভাগ্যের চাকা

নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) থেকে এম. রুহুল আমিন প্রধান: দিনাজপুরের কৃষি ফসল উৎপাদনের ঊর্বর ভূমির নাম নবাবগঞ্জ। কৃষি অধিদপ্তরের পরামর্শ ও প্রযুক্তি ভিত্তিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে কৃষির মাঝেই উন্নয়নের চাকা ফিরিয়ে নিয়ে এসেছেন এক শিক্ষার্থী। উপজেলার ৩নং গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের আঃ জলিলের পুত্র তহিবুর রহমান ছোট থেকেই লেখাপড়ার পাশাপাশি ভালো একজন আম ও মৎস্য চাষী হওয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করতে থাকে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া শেষে জয়পুরহাট সরকারি কলেজ থেকে বিএ (অনার্স) পাস করে। বর্তমানে ওই কলেজেই মাস্টার্স অধ্যায়নরত। এলাকার ১৬টি আমবাগান লিজ গ্রহণ করে উন্নত প্রজাতির হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালী, খিরসাপাতসহ সুস্বাদু আমবাগানে গাছে ভরে গেছে মুকুল। লেখাপড়ার পাশাপাশি তহিবুর রহমান সময় পেলেই বাগান পরিচর্যার কাজে নিজেকে নিয়োজিত করে। বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ওই বাগানগুলো থেকে ৫-৭ লাখ টাকার আম উৎপাদন হওয়ার সপ্ন দেখছে সে। এছাড়াও এলাকার বিভিন্ন পুকুর, বিল লিজ নিয়ে ফরমালিন মুক্ত মাছ চাষে বিশেষ অবদান রাখছে শিক্ষার্থী তহিবুর রহমান। এ বিষয়ে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে সে জানায়, দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ শিবলী সাদিকের সার্বিক পরামর্শে লেখাপড়ার পাশাপাশি নিজেকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত ও স্বাবলম্বী হতে এ উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে ৩নং গোলাপগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রাশেদুল কবির রাজু জানান, তহিবুর ফল ও মৎস চাষ করে এলাকায় বেকার যুবকদের প্রেরণা যুগাচ্ছে। এ ব্যাপারে নবাবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু রেজা মোঃ আসাদুজ্জামান এর সাথে যোগাযোগ করা  হলে তিনি জানান, বর্তমান প্রযুক্তির যুগে কৃষিতে যে সাফল্য রয়েছে এ উপজেলায় তার দৃষ্টান্ত রয়েছে। আধুনিক পদ্ধতিতে প্রযুক্তিভিত্তিক প্রশিক্ষণ নিতে হলে অবশ্যই কৃষককে শিক্ষিত ও সচেতন হতে হবে। বর্তমান মৌসুমে সম্ভাবনাময় ফলের বাগানগুলো যথাসময়ে পরিচর্যা ও উপযোগী করতে ইউনিয়ন পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা গ্রামে গ্রামে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ