মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ পিছিয়ে যাচ্ছে

স্পোর্টস রিপোর্টার: দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের দশম আসরের খেলা এবছর মাঠে গড়ানো নিয়ে শঙ্কা তৈরী হয়েছে। দুই বছর পরপর এই টুর্নামেন্টটি হওয়ার কথা থাকলেও এবার ছন্দপতন ঘটছে। জানা গেছে, ভারত ফুটবল ফেডারেশনের অনুরোধেই পেছাতে পারে সাফ ফুটবলে দশম আসর। প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত ছিলো চলতি বছরের জুনে, পরে ডিসেম্বর। এমনকি শুরুর তারিখটাও ঠিক ছিল। ২৫ ডিসেম্বর শুরুর কথা ছিল দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় এ ফুটবল প্রতিযোগিতা।
কিন্তু এই তারিখ ও ঠিক রাখতে পারছেনা আয়োজকরা। আট দেশের অংশগ্রহনে টুর্নামেন্টটি আয়োজনে বাংলাদেশের প্রস্তুতিতে কোন সমস্যা নেই। সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের (সাফ) সেক্রেটারি আনোয়ারুল হক হেলাল জানালেন, ইন্ডিয়ান সুপার লিগের (আইএসএল) জন্যই কয়েক সপ্তাহ পিছিয়ে যাচ্ছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপর দশম আসর। তবে এটা পরিস্কার ডিসেম্বরে সাফ চ্যাম্পিয়ন হচ্ছে না।
গতকাল মঙ্গলবার সাফ সেক্রেটারি বলেছেন,‘এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিচ্ছিনা। অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তারা আমাকে মৌখিকভাবে কয়েক সপ্তাহ পেছানোর অনুরোধ করেছেন। সহসাই পেয়ে যাবো তাদের লিখিত অনুরোধ।’ তারপরই সাফের সভায় এব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে বলেছেন দক্ষিণ এশিয়ার এ ফুটবল কর্মকর্তা।হেলালের ধারণা, সপ্তাহ দুয়েক পেছানো লাগতে পারে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ।
তবে পরের বছর জানুয়ারিতে হতে পারে এমন সিদ্ধন্তই আসতে পারে।জুনে আয়োজনের একটি প্রস্তাব থাকলেও মার্কেটিং এজেন্টের আপত্তির কারনে হচ্ছেনা। এদিকে ভেন্যু হিসেবে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের পাশপাশি চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামকেও বিবেচনায় রেখেছে সাফের বতর্মান মার্কেটিং এজেন্ট লাগাডিয়ার। ‘ফ্রান্স ভিত্তিক এ প্রতিষ্ঠানের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা কিছুদিন আগে বাংলাদেশে এসে এ দুটি স্টেডিয়াম পরিদর্শন করে গেছেন। দুটি ভেন্যুতে না একটিতে হবে তা এখনো ঠিক হয়নি’ বলেই জানালেন সাফ সেক্রেটারী।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ এশিয়ার এ ফুটবল টুর্নামেন্ট দুই বছর অন্তর হওয়ার কথা। তবে আগের ৯ আসর নিয়মিত হয়নি। তবে ষষ্ঠ আসর থেকে নিয়মিতই ছিল এ টুর্নামেন্ট। দশম আসরে এসে আবার ছন্দপতন। সাফের সর্বশেষ আসর হয়েছে ২০১৫ সালে ভারতের কেরালায়। বাংলাদেশ তৃতীয়বারের মতো আয়োজন করতে যাচ্ছে ‘দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্বকাপ’ হিসেবে পরিচিত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। ২০০৩ সালে প্রথম আয়োজক হয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয়বার বাংলাদেশ সাফের আয়োজক হয়েছিল ২০০৯ সালে। সেবার বাংলাদেশ ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয়। সর্বশেষ ৩ আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে বাংলাদেশ দলকে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ