ঢাকা, শুক্রবার 14 August 2020, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭, ২৩ জিলহজ্ব ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

হোয়াইট হাউসে বৈঠক করলেন ট্রাম্প-মার্কেল

অনলাইন ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল। শুক্রবার হোয়াইট হাউসে মার্কেলকে স্বাগত জানান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এই প্রথম ট্রাম্প ও মার্কেলের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো।

বৈঠকে নিরাপত্তা ইস্যুসহ অর্থনৈতিক সম্পর্কের ব্যাপারেও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। বৈঠকে ন্যাটো ইস্যুটি গুরুত্ব পেয়েছে। 

দুই নেতা বাণিজ্য, রাশিয়া এবং অভিবাসন বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করেন, যা শুক্রবারের যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে কিছুটা অস্বস্তিকর মুহূর্ত তৈরি করে, যা তােদর চোখে-মুখে ফুটে ওঠে এবং সেটি গোপন করা তাদের পক্ষে কষ্টসাধ্য ছিল।

ওভাল অফিসে উভয় নেতা  সাংবাদিকদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তাদের সাক্ষাতের বর্ণনা দেন।

সংবাদ সম্মলনে মার্কেল বলেন, যেসব বিষয়ে আমাদের মত-পার্থক্য আছে সেসব বিষয় নিয়েও আমরা কথা বলেছি, তবে আমরা জনগণকে একসাথে রাখার চেষ্টা করেছি এবং যা উভয় পক্ষের জন্যই ভালো সেসব বিষয়ে সমঝোতা করার চেষ্টা করেছি।

সংবাদ সম্মেলনের শুরুর দিকে ট্রাম্প ন্যাটোর সামরিক ব্যয়ের লক্ষ্য পূরণের জন্য জার্মানির চ্যান্সেলরকে চাপ দেন।ট্রাম্প বলেন, "আমি চ্যান্সেলর এঙ্গেলা মার্কেলের নিকট ন্যাটোর প্রতি আমার দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। পাশাপাশি আমাদের ন্যাটো মিত্রদের বলেছি ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যয়ের জন্য তাদের ন্যায্য অংশ প্রদান করতে।কয়েক বছর থেকে অনেক দেশের নিকট বিশাল অংকের পাওনা রয়েছে এবং এটা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি খুব অন্যায়।এই দেশগুলোকে অবশ্যই তাদের বকেয়া পরিশোধ করতে হবে।

এ সময় মার্কেল তার দেশের পক্ষ থেকে ন্যাটোর সামরিক ব্যয়ের ২ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা পূরণের  অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তারা সংবাদ সম্মেলন শেষে তারা আবার হ্যান্ডশেক করেন এবং তারপর ইস্ট রুমে একসঙ্গে প্রস্থান করেন। 

রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী দুই নেতার বৈঠকের শুরু ও শেষ ঠিক শোভনীয় ছিল না।বৈঠকটি যতটা অপ্রস্তুত অস্থায় শুরু হয় শেষ হয় তারচেয়েও বেশি অপ্রস্তুত অবস্থায়; কেননা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন কৌতুক করে ওবামা প্রশাসন তাদের দু’জনের ফোনেই আড়ি পেতেছিল বলে বিতর্কিত মন্তব্য করেন । অনেক অমিলের মধ্যেও এই বিষয়ে দুই নেতার মধ্যে মিল আছে বলে দাবি করেন তিনি।ট্রাম্প দাবী করেন, জার্মান চ্যান্সেলরের উপরও ওবামার নির্দেশে নিয়মিত নজরদারি চালাতো মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। তখন জার্মান নেতাকে দৃশ্যত হতভম্ব হয়ে পড়তে দেখা যায়।রিপোর্টে আরো বলা হয়, জার্মান চ্যান্সেলর মার্কেলকে যদিও রিলাক্স মুডে দেখা গেছে, কিন্তু তার শারীরিক ভাষায় খুব একটা উষ্ণতার ছাপ ছিল না।

ডি.স/আ.হু

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ