শনিবার ৩০ মে ২০২০
Online Edition

খুলনায় ডাক বিভাগে চিঠির পরিমাণ দুই তৃতীয়াংশ হ্রাস

খুলনা অফিস : খুলনা সিটি প্রধান ডাকঘরের অভ্যন্তরে তিন খোপ বিশিষ্ট চিঠির বাক্সটি অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বাক্সটিকে বাতিলও করেনি। বর্তমানে ডাক বিভাগে চিঠির পরিমাণ দুই তৃতীয়াংশ হ্রাস পেয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খুলনা সিটি প্রধান ডাকঘরের আওতায় ১৫টি লেটার বক্স আছে। চিঠির বক্সগুলো থেকে ডাক বিভাগের লোকজন নিয়মিত চিঠি নিয়ে আসে। ৫-১০ বছর আগে এখানে চিঠির পরিমাণ ছিল এক হাজার থেকে দেড় হাজারের মতো। কিন্তু বর্তমানে চিঠির পরিমাণ ৪শ’ থেকে ৫শ’র মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। গত দুই বছর আগের থেকে অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে সিটি ডাকঘরের অভ্যন্তরের বড় চিঠির বাক্সটি। কেউ কোন উদ্যোগ গ্রহণ করেনি বাক্সটি মেরামতের। এমনকি সিটি ডাকঘরের নিয়ন্ত্রণের তালিকায় নেই এই অরক্ষিত চিঠির বাক্সটি। অনেকেই সাধারণ চিঠি রেখে যায় এই বাক্সে। প্রায় অধিকাংশ চিঠি প্রেরকরা এই বাক্সটি চিঠির লেখালেখি ও আঠা লাগানোর কাজে ব্যবহার করে। উপর থেকে দেখলে মনে হবে বাক্সটি সচল। কিন্তু নিচে তাকালেই ভেতরের সবকিছু দেখা যায় এবং কেউ ইচ্ছা করলে চিঠি নিতেও পারে। অবশ্য তিনটি খোপের মধ্যে একটি খোপের মুখে তালা লাগানো আছে। তবে সেটি নাম সর্বস্ব। তার ভেতর থেকে তালা না খুলে সবকিছু নেয়া যাবে। মঙ্গলবার বিকেল পৌণে চারটায় অরক্ষিত সেই চিঠির বাক্সে একটি চিঠি পড়ে থাকতে দেখা যায়। খুলনা সিটি ডাকঘরের সহকারী পোস্ট মাস্টার মো. ওবায়দুল্লাহ ইসলাম বলেন, ওই বাক্সে চিঠি ফেলার কথা না। এজন্য অফিসের গেটে দুটি লেটার বক্স দেয়া আছে। আর যদি কেউ চিঠি ফেলে তবে আমরা সাথে সাথে সেই চিঠি নিয়ে ডাকে পাঠানোর ব্যবস্থা করি।

খুলনা সিটি ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার অসিত কুমার মল্লিক জানান, আমি এখানে দুই বছর আছি। আমার যোগদানের আগে থেকে বাক্সটির বেহাল দশা। আর এটি মেরামতের জন্য আমাদের কোন উদ্যোগ নেই। আর এটি বাতিলও করা হয়নি। এমনকি তিনি তার দপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন লেটারবক্সগুলোর খোঁজও জানেন না। তিনি বলেন, এগুলোর জন্য সহকারী পোস্ট মাস্টারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ