শনিবার ৩০ মে ২০২০
Online Edition

কুমিল্লার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সাক্কুকেই দরকার

 

জনগণ অপেক্ষায় আছে ভোট দেয়ার সময় ঠিকই ভোট দিবে। জনগণ ঠিকই ধানের শীষে ভোট দিয়ে দিবেন। সরকার নির্বাচন নিয়ে প্রভাব বিস্তার করবে বলে মনে করেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) রাতে কুমিল্লা জেলা বিএনপির শিশুমঙ্গল রোডস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে জাতীয়তাবাদি মহিলা দলের কর্মীদের সাথে মতবিনিময়ের পূর্বে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, আমরা আশংকা করছি গত উপজেলা নির্বাচনে আমাদের এজেন্টদেরকে বের করে দেয়া হয়েছে। জোর করে বিজয় ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। এ চেষ্টা এখানেও হতে পারে অসম্ভবের কিছু নয়। তবে আমরা মনে করি সিটি কর্পোরেশন অনেক সচেতন এলাকা। মিডিয়ার উপস্থিতি থাকবে লক্ষ্যণীয় মতো। সবার সামনে কারচুপি করার সাহস পাবে না। আমরা এটাও বিশ্বাস করছি, আন্তর্জাতিক বিশ্ব সরকারের দিকে লক্ষ্য রাখছে। এজন্য আমরা জনগণকে আহ্বান জানাবো তারা যেনো সচেতনভাবে প্রতিহত করে। কেউ কারচুপি করলে সেটা প্রতিহত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের যেই প্রার্থী তিনি তো গত ইলেকশনে স্বতন্ত্রভাবে বিজয়ী হয়েছিলেন। তখন কোনো দল তার পক্ষে ছিলো না। অন্যদিকে যিনি আমাদের প্রার্থীর বিপক্ষে ছিলেন তিনি তো অর্ধেক ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাছে পরাজিত হয়েছেন। এবারের নির্বাচন আনুষ্ঠানিক বড় নির্বাচন। জনগণের জনপ্রিয় একটি প্রতীক ধানের শীষ। শহীদ জিয়ার প্রতীক শীষ, খালেদা জিয়ার প্রতীক ধানের শীষ, বিএনপির প্রতীক ধানের শীষ। এবারের নির্বাচন ঐক্যবদ্ধ বিএনপির জনপ্রিয় মেয়র প্রার্থীদের নির্বাচন। আমাদের দলে কোনোরকম কোনো বিপত্তি নাই।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, সহসভাপতি ফজলুল হক ফজলু, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, মহিলা দলের সভানেত্রী সাকিনা বেগমসহ আরো অনেকে।

প্রতীক বরাদ্দ

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে ৩ জন এবং কাউন্সিলর পদে সাধারণ ওয়ার্ড থেকে ১১৪ জন ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড থেকে ৪০ জনসহ ১৫৭ জন প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। 

গতকাল বুধবার নগরীর কান্দিরপাড়স্থ টাউনহল মিলনায়তনে সকাল ১০টা থেকে কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও কুসিক নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার রকিব উদ্দিন মণ্ডল প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। এদিকে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দের পর ভোটের মাঠে দেখা দিয়েছে উৎসবের আমেজ। 

মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমা পেয়েছেন নৌকা, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. মনিরুল হক সাক্কু পেয়েছেন ধানের শীষ এবং জেএসডি মনোনীত প্রার্থী শিরিন আক্তার পেয়েছেন তারা প্রতীক। এছাড়া নগরীর ২৭টি সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও ৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। এদিকে প্রতীক বরাদ্দ নিতে সকাল থেকে টাউনহল মিলনায়তন এবং টাউন হল মাঠে ভিড় জমায় প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকরা। এদিকে বুধবার প্রতীক বরাদ্দের পর বিকালে নগরীর অলি-গলিতে মাইকিং শুরু হয়। মেয়র ও কাউন্সিলরসহ ১৫৭ প্রার্থী চষে বেড়াচ্ছেন ভোটারদের দুয়ারে। প্রার্থীদের প্রচারণা ও গণসংযোগে একটু ভিন্ন আমেজ যোগ হয়েছে। আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমাও দলের নেতা-কর্মীদের নিয়ে নগরীর কান্দিরপাড়, রামঘাট, ঠাকুরপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সদ্য সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু নগরীর কালিয়াজুরি, ছোটরা, ভাটপাড়া, বদরপুর, বিষ্ণুপুর এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ করেন। এদিকে নির্বাচনে মহানগরীর ২৭টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলররাও গণসংযোগে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থীদের পক্ষে মাইকিংয়ে চলছে ভোট চাওয়ার প্রচারণা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ