শনিবার ৩০ মে ২০২০
Online Edition

ফের রিমান্ডে কাদের খাঁন

 

গাইবান্ধা সংবাদদাতা: গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সরকারদলীয় এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যা মামলায় গ্রেফতার সাবেক এমপি কর্ণেল (অব.) ডা. আবদুল কাদের খাঁনকে অস্ত্র আইন মামলায় আবারও পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

গতকাল বুধবার দুপুরে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের (সুন্দরগঞ্জ) বিচারক মো. মইনুল হাসান ইউসুব তার রিমান্ড- মঞ্জুর করেন। এর আগে, গত ৭ মার্চ অস্ত্র আইন মামলায় কাদের খাঁনের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। একদিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে তাকে হাজির করে আবারও সাতদিনের রিমান্ড- চেয়ে আবেদন করেন অস্ত্র মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কঞ্চিবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মোক্তারুল আলম।

গাইবান্ধা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ সার্কেল) মো. রবিউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এমপি লিটন হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার কাদের খাঁনের বিরুদ্ধে সুন্দরগঞ্জ থানায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা হয়। লিটন হত্যাকাণ্ডে তার কিলাররা তিনটি অস্ত্র ব্যবহার করে। এরমধ্যে কাদের খাঁনের লাইসেন্স করা একটি অস্ত্র স্বেচ্ছায় থানায় জমা দেন। এছাড়া তার দেয়া তথ্য অনুয়ায়ী আরও একটি অস্ত্র বাড়ির ভিতর উঠানের উত্তর দিকে মাটির নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়। কিন্তু অপর একটি অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশ বিভিন্নভাবে অভিযান চালিয়েও কোন সন্ধান না পাওয়ায় কাদের খাঁনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমা- চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছিলো। কিন্তু বিচারক শুনানি শেষে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও অস্ত্র সম্পর্কে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও জানান, একদিনের রিমান্ড শেষে কাদের খাঁনকে আদালতে হাজির করে আবারও ০৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়। গতকাল বুধবার বিচারক শুনানি শেষে কাদের খাঁনের পাঁচদিনের রিমানড মঞ্জুর করেন। সুন্দরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ আতিয়ার রহমান রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কাদের খাঁনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে অস্ত্র ও অস্ত্রের উৎস সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গত ২১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে বগুড়া জেলা শহরের কাদের খাঁনের পরিচালিত গরীব শাহ ক্লিনিক থেকে তাকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে ২২ ফেব্রুয়ারি লিটন হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ। একই আদালতের বিচারক শুনানি শেষে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে রিমান্ডের চতুর্থ দিনের মাথায় কাদের খাঁন আদালতে ১৬৪ ধারায় লিটন হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দী দেয়। এরপর থেকে কাদের খাঁন গাইবান্ধা কারাগারে রয়েছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ