শুক্রবার ১০ জুলাই ২০২০
Online Edition

ছড়া/কবিতা

আমাদের কবি
রওশন মতিন

জলের ভিতরে জল-ছবি আঁকি,
কেয়াবন, খেয়াঘাট যায় ডাকি ডাকি ,
গানের ভূবনে জাগে সুরের পৃথিবী ,
তার মাঝে বসে আছে আমাদের কবি।

আলোকিত চেতনায় আমাদের কবি
আলোর পসরা নিয়ে জেগে ওঠে রবি ,
ছোটে আলোর পসরা নিয়ে জীবনের রথে
বাংলার প্রান্ত হতে বিশাল পৃথিবীর পথে,

আনন্দে নাচে খেয়াঘাট, কেয়াবন ,নাচে মন ,
চির সবুজ কবি আমাদের কত আপন !


আমার নবী নূর
প্রহরী মনিরুজ্জামান

আমার নবী নূর মোহাম্মদ
আমার নবী নূর,
মুসা নবী মানুষ সবই
জ্বলছে আলো তুর।

মা আমিনার ঘরে,
আবদুল্লাহ তার প্রিয় মাতা
শান্তি প্রসব করে।

মরুর সুভাস ছড়িয়ে ফুলে
ফোটলো মদিনায়
ধরার বুকে ফল ফসলে
ফেরেস্তা গান গায়।

আল্লাহর উপর ভরসা নিয়ে
নামাজ রোজা ধর
ঝগড়া ঝাটি না করে সব
রোগীর সেবা কর।

হালাল রুজি কামাই কর
গতর খেটে কাজে
সময় কোন ব্যয় করনা
পাপের কাজে বাজে।

শয়তান তোমার নষ্ট করবে
এই দুনিয়ার হাল
পিতা মাতার সেবা কর
শান্তি পরকাল।


এই দেশটা
মুহাম্মাদ আলী মজুমদার

এই দেশটা লাখ শহীদের
রক্ত দিয়ে কেনা
শোধ হয়নি আজও আমার
শহীদ ভাইয়ের দেনা।

এই দেশটা লাল-সবুজের
স্বাধীন পতাকাতে
হৃদয়ে সাহস যোগায়
দিনে এবং রাতে।

এই দেশটা একাত্তরের স্মৃতিতে অম্লান
স্বাধীনতায় শীতল হয়
শহীদ-গাজীর প্রাণ।


ফড়িং ছানা
শরীফ সাথী

ফড়িং ছানা মেলে ডানা
নানা ঢঙে চলে,
সবুজ ঘাসে অনায়াসে
বন্ধু সদল বলে।

পাখির সুরে যাইতে দূরে
ট্যুরে ঘুরে বঙ্গে,
যেথা যে চাই সেথা যে পায়
যায় যে সবুজ সঙ্গে।

মিষ্টি হাওয়া নাওয়া-খাওয়া
যাওয়া মধুর বেশ,
ফুলের ছোঁয়া মায়া ছায়া
করে চোখে পেশ।

শস্য ভরা দৃশ্য গড়া
সবুজ ছড়া দেশ,
বুকে সুখের ঢেউয়ে মুখের
রূপের পরিবেশ।

আমার তোমার সবার চোখে
সোনার বাংলাদেশ,
ফড়িং চেয়ে গেয়ে বলে
নেই তো রূপের শেষ!


বনায়ন
বাতেন বাহার

যত গাছ তত শ্বাস, নির্মল বায়ু
বেশী বন বেশী ক্ষণ আশাতীত আয়ু।
যত ফুল তত ফল মধু উৎসব
বেশি পাতা বেশি ছাতা, প্রিয় অনুভব।

তাই চলো শিশু যুবা খালি ভিটা জুড়ে
দীঘিপাড়, পথ বাড়ী পাহাড়ের চূড়ে
স্বাধীনতা শহীদের নামে পুঁতি চারা
বনায়নে সুশোভিত হোক দীঘি গাড়া

ফুল ফল কিশলয় শ্বাস নিঃশ্বাস
শেষিতের মনে গাছ দিক বিশ্বাস।
বিশ্বাসে স্বাধীনতা, মা মাটির সুখ
তরু লতা ফুলে ফলে মাটি মা হাসুক।


পরাজয়
ফরিদ আহমদ ফরাজী

‘হাত’ ডেকে বলে, “কান”
শোন দিয়ে মন
সকাল-সন্ধ্যা শুধু
খাটি সারাক্ষণ।
‘পা’ ক্ষেপে ওঠে, বলে
কাজে হেঁটে যাই
‘ চোখ’ বলে আমি ছাড়া
দেখার উপায় নাই।
‘মাথা’ এসে বলে আহা!!
কি যে অবিচার
সকলেই করি কাজ
না করে আহার।
‘পেট’ শুধু বসে বসে
একা সব খায়
রসনা বিলাসে তার
ভুরিটা বাড়ায়।
‘পেট’ এসে হেসে বলে
মাফ করে দাও
তওবা তওবা আর
খাবো না পোলাও।
আজ থেকে অন্ন আর
 নেবো না পেটে
মরতে হবে না আর
তোমাদের খেটে।

যেই কথা সেই কাজ
পেটে নাই ভাত
সকল অঙ্গগুলো
হয়ে গেলো কাত।


আমরা কৃষক
এইচ এস সরোয়ারদী

কৃষক হয়ে ভুল করেছি
বললেন আমার খালু,
এক কাপ চায়ের দামে
এক কেজি আলু।
চাষীর বুকে অনেক কষ্ট
দু’চোখ ভরা ঢেউ,
ফসল বেঁচে ঘামের দাম
পায়না চাষী কেউ।

এতো খেটেও বছর শেষে
চাল থাকেনা ঘরে,
আমরা কৃষক আর কত দিন
কাঁদবো এমন করে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ