শুক্রবার ১০ জুলাই ২০২০
Online Edition

অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন ও অন্য সমস্যার সমাধান হচ্ছে না ভারত প্রস্তাবিত প্রতিরক্ষা প্রস্তাব নিয়ে কি হচ্ছে?

অবগুণ্ঠন উন্মোচন ॥ আসিফ আরসালান : পত্র-পত্রিকার রিপোর্ট মোতাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ৭ই এপ্রিল তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে দিল্লী যাচ্ছেন। আগামী ১০ এপ্রিল তিনি দেশে ফিরবেন। পত্র-পত্রিকার রিপোর্টে আরও প্রকাশ, কয়দিন আগে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব জয় শঙ্কর যখন ঢাকায় এসেছিলেন তখন তিনি প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের জন্য অনুরোধ করেন এবং এ সংক্রান্ত ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণপত্র বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর হাতে অর্পণ করেন। ওই আমন্ত্রণপত্রে অবশ্য শেখ হাসিনার ভারত সফরের কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখের উল্লেখ নেই। অবশ্য আমন্ত্রণপত্রে এই ধরনের কোনো তারিখ থাকেও না। যাই হোক, বাংলাদেশ সফরের পর বাংলাদেশ ও ভারতের মিডিয়া এবং বিবিসিতে এই মর্মে খবর প্রচারিত ও সম্প্রচারিত হয় যে, প্রধানমন্ত্রী আগামী ৭ তারিখ থেকে ১০ তারিখ পর্যন্ত ভারত সফর করবেন। তবে ভারত বা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় অথবা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অর্থাৎ অফিসিয়ালি দুইটি দেশের কোনো দেশ থেকেই প্রধানমন্ত্রীর সফরের দিন তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাই হোক, আমরা ধরে নিচ্ছি যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ৭ এপ্রিল ভারত সফরে যাচ্ছেন এবং সেখানে তিনি ৩ দিন থাকবেন। এই সফরকালে ভারতের সাথে নাকি বাংলাদেশের ৪১টি চুক্তি হবে। এই ৪১টি প্রস্তাবিত চুক্তির মধ্যে দুইটি বিষয় বাংলাদেশে আলোচনা এবং সমালোচনার ঝড় তুলেছে। একটি হলো- তিস্তা চুক্তি এবং আরেকটি হলো- প্রতিরক্ষা চুক্তি।
এতদিন ধরে মানুষ প্রধানমন্ত্রীর সফরের দিকে তাকিয়েছিলেন একবুক আশা নিয়ে। তারা ধারণা করেছিলেন যে, প্রধানমন্ত্রী এবার দিল্লী যাওয়ার পর তিস্তা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে ভারতের সাথে একটি চুক্তি করবেন। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের তিস্তা পাড়ের কয়েক কোটি মানুষ, যারা তিস্তার পানি থেকে বঞ্চিত আছেন এবং যার ফলে ওই অঞ্চলের পানির অভাবে হাহাকার পড়ে গেছে, তারা এবার তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা পাবেন। ২০১২ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং যখন ঢাকা সফরে আসেন, তখন মানুষের বিপুল প্রত্যাশা ছিল যে, সেবার তিস্তা চুক্তি হবে। সেবারেও মনমোহন সিং এসে বাংলাদেশের সাথে অনেক চুক্তিই করলেন কিন্তু তিস্তা চুক্তি আর হলো না। বলা হলো যে, পশ্চিমবঙ্গের সম্মতি ছাড়া ভারত বাংলাদেশের সাথে তিস্তা নিয়ে কোনো চুক্তি করতে পারবে না। তিস্তা চুক্তি একটি প্রাদেশিক বিষয়। ভারতীয় শাসনতন্ত্রে নাকি এমন বিধান আছে যে, কোনো প্রাদেশিক বিষয়ে কেন্দ্র যদি অপর কোনো রাষ্ট্রের সাথে চুক্তি করে তাহলে সেই প্রাদেশিক সরকারের সম্মতি নিতেই হবে। না হলে কেন্দ্র সেই চুক্তি করতে পারবে না।
২০১২ সালে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং যখন রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকা এসেছিলেন, তখন তার সাথে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও ঢাকা এসেছিলেন। কিন্তু মমতা ব্যানার্জি ঢাকায় মাত্র ১ দিন থেকেই পরদিন দেশে ফিরে যান। ঢাকার সাথে সই করার জন্য ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী তখন নাকি তিস্তা চুক্তির একটি খসড়াও নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু মমতা ব্যানার্জি সম্মতি না দেয়ায় ওই চুক্তিটি নাকি আর স্বাক্ষরিত হতে পারেনি। তখন বলা হয়েছিল যে, সামনে আসছে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন। তিস্তা চুক্তি একটি স্পর্শকাতর বিষয়। ইলেকশনকে সামনে রেখে মমতা ব্যানার্জি এ ধরনের কোনো চুক্তিতে আবদ্ধ হতে চান না। নির্বাচনের পর তিনি বিষয়টি বিবেচনা করবেন। লক্ষ্য করার বিষয় এই যে, সেটা ছিল ২০১২ সাল। তার ১ বছর আগেই অর্থাৎ ২০১১ সালের মমতা ব্যানার্জি নির্বাচিত হয়ে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় এসেছেন। পরবর্তী ইলেকশন নির্ধারিত ছিল ২০১৬ সালে। ওই ৪ বছরের দোহাই দিয়ে তিস্তা চুক্তি ঝুলিয়ে রাখা হয় এবং বাংলাদেশ সরকার তাতে সম্মত হয়।
৪ বছর পর এসেছে ২০১৬ সাল। পশ্চিমবঙ্গে ইলেকশন হয়েছে। দ্বিতীয় মেয়াদেও মমতা ব্যানার্জি বিপুল ভোটে জয়লাভ করে ক্ষমতায় এসেছেন। এত বেশি ভোট পান যে, প্রথম মেয়াদে যতগুলো আসন পেয়েছিলেন তার চেয়ে অনেক বেশি আসনে এবার জয়লাভ করেন। দ্বিতীয় মেয়াদে জয়লাভ করার পর প্রায় ১ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। এবার আর ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ঢাকা আসছে না, এবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দিল্লী যাচ্ছেন। কিন্তু বাংলাদেশ ও ভারতের পত্র-পত্রিকায় অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে খবর দেয়া হয়েছে যে, এবারেও নাকি তিস্তা চুক্তি হচ্ছে না। এবার তাহলে কি অজুহাত দেয়া হবে? অভিন্ন নদীসমূহের পানি বণ্টন ও অন্যান্য সমস্যা সমাধানের তো কোন কথাই নয়। প্রধানমন্ত্রী এবার দিল্লী যেয়ে কি করবেন?
॥ দুই ॥
কিছুক্ষণ আগে আমরা বলেছি যে, দিল্লীতে নাকি এবার ৪১টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে তার মধ্যে দুইটি চুক্তি বাংলাদেশের জনগণের মাঝে সমালোচনার ঝড় তুলেছে। একটি হলো তিস্তা চুক্তি, আরেকটি হলো বাংলা-ভারত প্রতিরক্ষা চুক্তি। তিস্তা চুক্তিতে বাংলাদেশের কিছু স্বার্থ ছিল। কারণ এই চুক্তিটি সম্পাদিত হলে বাংলাদেশ তিস্তা নদীর কিছু পানি পেত। সেটি তো আর হচ্ছে না। অপর যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে বলে জোর গুঞ্জণ চলছে, সেটি হলো বাংলা-ভারত প্রতিরক্ষা চুক্তি।
প্রস্তাবিত এই চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বলা হচ্ছে যে, এই চুক্তিটি হলে বাংলাদেশ সিকিমের মতো ভারতের অঙ্গরাজ্য না হলেও ভুটানের মতো করদ রাজ্যে পরিণত হবে।
এ ব্যাপারে এ পর্যন্ত সবচেয়ে কঠোর সমালোচনা করেছে বিএনপি। গত ৭ মার্চ মঙ্গলবার এক আলোচনা সভায় বিএনপি এই মর্মে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছে যে, ভারতের সাথে কোনো রাষ্ট্রবিরোধী চুক্তি হলে বাংলাদেশের জনগণ সেই চুক্তি মেনে নেবে না। একটি জাতীয় দৈনিকে গত ৮ মার্চ প্রকাশিত রিপোর্ট মোতাবেক, ওই আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেন, আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, বাংলাদেশের নিরাপত্তা যদি ভারতের উপর নির্ভরশীল হয়, ভারতের কথা অনুযায়ী, ইচ্ছা অনুযায়ী প্রতিরক্ষা নীতি যদি গ্রহণ করতে হয়, তাহলে এদেশের স্বাধীনতা থাকবে না। এই ধরনের রাষ্ট্রবিরোধী প্রতিরক্ষা চুক্তি হলে এদেশের জনগণ মানবে না, নিরাপত্তা বাহিনী মানবে না, কেউ মানবে না। তারা প্রতিরোধে এগিয়ে যাবে।
সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর সম্পর্কে আমাদের সতর্ক দৃষ্টি থাকতে হবে। বাংলার এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে আমাদের চিরস্থায়ীভাবে গোলামে পরিণত করার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে। একবার ২৫ বছর মেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে যেভাবে দাসখত লিখে দেয়া হয়েছিল, সেটার যেন পুনরাবৃত্তি না হয়।
রিজভী অভিযোগ করে বলেন, ৫০ কোটি ডলার খরচ করবে ভারত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য। কেন? একটা স্বাধীন স্বতন্ত্র দেশ, আমাদের নিরাপত্তা কেন ভারতের ওপর নির্ভরশীল হবে- এটা সবচাইতে বড় প্রশ্ন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সরকার কী বুঝতে পারছেন না, এই ধরনের নানা প্রক্রিয়া ও তামাশার মধ্য দিয়ে আজকে সিকিম ভারতের অঙ্গীভূত হয়ে গেছে। আজকে ভুটান অঙ্গীভূত না হলেও ভারতের করদ রাজ্য হিসেবে পরিগণিত হয়েছে, ভারতের কারেন্সি সেখানে চলে, ভারতের সেনাবাহিনী সেখানে অবস্থান করে। আমরা, ইনটার্মস অব পপুলেশন, একটি বৃহৎ শক্তিশালী দেশ। আর এদেশে আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী অনেক শক্তিশালী, আমাদের সেনাবাহিনী আছে, আমাদের বিমান বাহিনী আছে, আমাদের নৌবাহিনী আছে। এখানে কিসের নির্ভরশীলতা, কার জন্যে নির্ভরশীলতা, কিসের চুক্তি?
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, আমি আবারো স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, প্রধানমন্ত্রী, দয়া করে আপনি লেন্দুপ দর্জি হতে যাইয়েন না। লেন্দুপ দর্জির পরিণতি কিন্তু খুব খারাপ হয়েছে। পরে শিলিগুড়ির একটি অখ্যাত বস্তিতে তাকে অবস্থান করতে হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী, আপনার দেশের এত জনসংখ্যা, সেখানে আপনি বাংলাদেশের নিরাপত্তা অন্যের হাতে তুলে দেবেন- এটা হতে পারে না।
চীন থেকে দুটি সাবমেরিন কেনার প্রসঙ্গ টেনে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ভারতের সংবাদপত্রে এসেছে, সাউথ পোস্টে প্রতিবেদন এসেছে, সেটাকে উদ্ধৃত করে রিলায়েন্স গ্রুপের (ভারত) একটি পত্রিকায় ‘ফার্স্ট পোস্টে’ এসেছে যে, চীন থেকে দুটি সাবমেরিন বাংলাদেশ কেনার জন্য ভারত গোস্সা হয়েছে, অভিমান করেছে। তাই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ডেকে নিয়ে ভারত সেখানে পবিত্র জল ছিটিয়ে চায়নার প্রভাবমুক্ত করতে চায়।
তিনি বলেন, ভারত বলছে এটি হবে প্রতিরক্ষা চুক্তি। এটা বিপজ্জনক ব্যাপার। এর মধ্য দিয়ে কয়েকটি আশঙ্কার কথা আসতে পারে। আমি ২০০৫-৬ সালে দেখেছি, বাংলাদেশের ৬৩টি জেলায় একসাথে বোমা বিস্ফোরিত হওয়ার পরে, ভারতের সব বুদ্ধিজীবী-সাংবাদিকরা বলেছেন, প্রি এম্পটিভ স্ট্রাইক, আগাম আক্রমণ।
এই সমস্ত চুক্তি বা স্মারক সইয়ের মধ্য দিয়ে ভেতরের যে বিষয়টি থাকবে, তা জনগণ জানতে পারবে না। এখন বাংলাদেশে অন্যায়ের বিরুদ্ধে, অগণতান্ত্রিক আচরণের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হলে এটাকে নাশকতা বলে যদি তারা চালিয়ে দেয় এবং সেই নাশকতা মোকাবিলার জন্য বাংলাদেশে ঢুকে পড়ে তাহলে কোথায় যাবে আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব? ওয়েপনস অব মাস্ট ডেসট্রাকশনের কথা বলে ইরাকে আক্রমণ করা হলো, কিন্তু ইরাকে তো সেই অস্ত্র পাওয়া গেল না।
১/১১ সৃষ্টি, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে নির্যাতন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দেয়ার বিষয়টি ‘একই সূত্রে গাঁথা’ বলে অভিযোগ করেন রিজভী। ২০১০ সালে ভারতের সাথে বাংলাদেশের সরকারের ৫০টি চুক্তি হয়েছে, অনেক চুক্তি করা হয়নি। এটা অত্যন্ত একটি বিপজ্জনক বিষয়। তারপরে এখন যেটা আশঙ্কা প্রকাশ করছিলাম, সেই প্রতিরক্ষা চুক্তির দিকে ধাবিত হচ্ছে। এই কাজগুলো করবেন বলেই জাতীয়তাবাদী শক্তির ধারাবাহিক নেতৃত্বকে বিপর্যস্ত করার জন্য ১/১১ সৃষ্টি হয়েছিল, তারেক রহমানকে নির্যাতন করা হয়েছে।
দেশের আবহমান সাংস্কৃতিকে ধ্বংস করতে ‘পরিকল্পতভাবে’ বাংলাদেশে ভারতীয় চ্যানেলে সয়লাব করে দেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন রিজভী। বাংলাদেশের টেলিভিশন চ্যানেল ভারতে চলে না, আমি দেখিনি। আমার নানার বাড়ি পশ্চিম বাংলায়, কয়েকবার সেখানে গেছি, ওখানে বাংলাদেশের চ্যানেল দেখা যায় না। আর আমাদের দেশ ভারতের চ্যানেলে সয়লাব। বাংলাদেশের স্বাধীন স্বতন্ত্র আবহমানকালের সাংস্কৃতিক স্রোতধারাকে ধ্বংস করে দেয়ার জন্য উত্তর ভারতীয় সংস্কৃতি দিয়ে সয়লাব করে দেয়ার একটা প্রচেষ্টা চলছে।
প্রস্তাবিত প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্পর্কে ভারত ও চীনের পত্র-পত্রিকাতেও অনেক কথা লেখা হচ্ছে। আলোচনা লম্বা হয়ে যাবে বলে আমরা আজ সেগুলোতে যাচ্ছি না। আজকে একথা বলে শেষ করতে চাই যে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং অস্তিত্ব নিয়ে যে চুক্তি হতে যাচ্ছে, সে চুক্তি সম্পর্কে জনগণের অবশ্যই জানার অধিকার রয়েছে। জনগণকে অন্ধকারে রেখে এমন ভয়াবহ চুক্তি করা যাবে না।’ ৭২ সালে যেটা সম্ভব হয়েছিল, ২০১৭ সালে সেটা সম্ভব করা যাবে না।
Email: asifarsalan15@gmail.com

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ