বুধবার ১২ আগস্ট ২০২০
Online Edition

“যারা মাদক সেবন ও বিক্রয় করে তারা পরিবার ও সমাজের বড় বোঝা”

রাণীনগর (নওগাঁ) সংবাদদাতা: নওগাঁর পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক বিপিএম, পিপিএম বলেছেন, মাদকের ভয়াবহতা ঘাতক নীরব ব্যাধি ক্যান্সারের চেয়েও মারাত্মক। একজন মাদকসেবী চুরি, ডাকাতি, রাহাজানি, সন্ত্রাসী, নারী নির্যাতন, ইভটিজিংয়ের মতো ঘৃণ্যতম অপরাধসহ সকল পাপে জড়িয়ে পড়ছেন তারা। যার প্রভাবে পারিবারিক ও সামাজিক জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়ছে। যারা মাদক সেবন ও বিক্রয় করে তারা পরিবার ও সমাজের বড় বোঝা।
কোনো ধর্মেই মাদক সেবন ও বিক্রয়কারীদের সমর্থন করে না। কেন না একজন মানুষ যখন প্রতিনিয়ত মাদক সেবনের মাধ্যমে নেশায় আসক্ত হয়ে যায় তখন সে উন্মাদনার কারণে স্বাভাবিক জীবনের গতি আর ধরে রাখতে পারে না । ফলে বিভিন্ন অপরাধে জরিয়ে পড়ে। এ কারণেই সমাজ এবং দেশে অপরাধ বেড়ে যায়।
আজ যারা স্বেচ্ছায় মাদক সেবন ও ব্যবসা ছেড়ে দেয়ার জন্য অঙ্গীকার করে আত্মসমর্পণ করলো তাদের প্রতি নজরদারীসহ যারা এখনো মাদকের মোহ ছাড়তে পারছে না তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রতিটি ইউনিয়নের ওয়ার্ড পর্যায়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় ও থানা পুলিশের ব্যবস্থাপনায় কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থাকে আরো গতিশীল করে আগামী এক বছরের মধ্যে রাণীনগর উপজেলাকে মাদকমুক্ত করা হবে।
গত রোববার দুপুরে রাণীনগর থানা পুলিশের আয়োজনে থানা চত্বরে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারীদের স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি কথাগুলো বলেন।
রাণীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, রাণীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহুরুল ইসলাম, সদর ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান পিন্টু, কাশিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান মকলেছুর রহমান বাবু, গোনা ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসনাত খান হাসান, পারইল ইউপি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান, কালীগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, একডালা ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল ইসলাম, রাণীনগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি এসএম সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ