শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

দক্ষিণের ১১ জেলায় টিসিবির ৫২ ডিলারের লাইসেন্স বাতিল

খুলনা অফিস: নবায়ন না করা, পণ্য উত্তোলন না করে ভোক্তাকে বঞ্চিত করা, প্রয়োজনের সময় দোকান বন্ধ রাখা, অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রি করা এবং প্রকৃত ভোক্তার কাছে বিক্রি না করে কালো বাজারে বিক্রি করায় দক্ষিণাঞ্চলের ১১ জেলায় ৫২ ডিলারের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবি এদের লাইসেন্স বাতিল করেন। তাদের জামানতের অর্থ বাতিল করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা রাখা হয়েছে। বাতিলকৃত লাইসেন্সধারীরা ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, টিসিবির ডিলারশীপ নেয়ার পর লোকসানের অজুহাত দেখিয়ে পণ্য উত্তোলন না করে ভোক্তাকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তারা দোকান বন্ধ রেখে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে চিনি ও পেঁয়াজ বিক্রি করে দেয়। পাশাপাশি কালোবাজারে পণ্য বিক্রি করায় খুলনা মহানগরীর খালিশপুরের চিত্রালী বাজার এলাকার রাজু এন্টারপ্রাইজ এবং ফারাজিপাড়ার আকবর এন্টারপ্রাইজের লাইসেন্স বাতিল করা হয়। উল্লেখিত কারণে যাদের লাইসেন্স বাতিল হয়েছে, তারা হলেন খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার কুশলা বাজারের খান এন্টারপ্রাইজ, নগরীর বড় বাজারের মেসার্স সুকুমার সাহা, স্টেশন রোডের পারভীন এন্টারপ্রাইজ, সোনাডাঙ্গা এলাকার কোহিনুর ট্রেডিং এন্ড কোম্পানি, শিববাড়ি মোড়ের সাদ্দাম হোটেল, দৌলতপুরের মাসুদ স্টোর ও জে এস ট্রেডাস, সাতক্ষীরা জেলার পারুলিয়া বাজারের তন্ময় ট্রেডার্স, কলারোয়া উপজেলার চৌধুরী ট্রেডার্স, যশোর জেলার বাঘারপাড়া উপজেলার দে ব্রাদার্স, নিয়তী রায়, চৌগাছা বাজারের অতশী এন্টারপ্রাইজ, ঝিকরগাছা বাজারের অর্পা ট্রেডার্স, কল্পনা ট্রেডার্স, জেলা সদরের আলাল এন্টারপ্রাইজ, নিলয় কনস্টাকশন, বাগেরহাটের কাচনা দাঁড়িয়ালা গ্রামের শিকদার এন্টারপ্রাইজ, চিতলমারি বাজারের ইমরান এজেন্সী, কচুয়া উপজেলার গজালিয়া বাজারের নিশি এন্টারপ্রাইজ, জেলা সদরের আকিব ট্রেডার্স, পিরোজপুর জেলার কাউখালি উপজেলার প্রিয়াংকা এন্টারপ্রাইজ, নাহার এন্টারপ্রাইজ, নাজিরপুর উপজেলা সদরের বিশ্বাস ট্রেডিং, স্বর্ণা টেড্রার্স, ফরিদপুর জেলার তালমা বাজারের জামান এন্টারপ্রাইজ, মালিগ্রাম বাজারের ইমন টেডার্স, ভাঙ্গা উপজেলার বোরহান ট্রেডার্স, আলফাডাঙ্গার বায়েজিদ এন্টারপ্রাইজ, ইমাম টেডার্স, মধুখালি বাজারের রাজিব এন্টারপ্রাইজ, মাজহারুল স্টোর, রসুলপুর বাজারের খোন্দকার টেডার্স, মৌলভীর চর হাট এলাকার আব্দুল কুদ্দুস মোল্লা, চর হাজিগঞ্জের এএইচ কন্সট্রাকশন, শিহাব টেডার্স, অন্যন্য টেডার্স, লাকি এন্টারপ্রাইজ, রাজবাড়ি জেলার বিনোদপুরের শুক্লা সরকার, মেহেরপুর জেলার বামনদি বাজারের কামরুজ্জামান ট্রেডার্স, চুয়াডাঙ্গা জেলার আজিজুল হক এগ্রো বিজনেস, কুষ্টিয়া জেলার শান্তা এন্টারপ্রাইজ, সুফলা ট্রেডার্স, সততা এন্টারপ্রাইজ, দ্বীপ এন্টারপ্রাইজ, আলমগীর এন্টারপ্রাইজ, আলম ট্রেডার্স, সুরেখা এন্টারপ্রাইজ, এসএস এন্টারপ্রাইজ, ঝিনাইদহ জেলার চৌরাস্তা মোড়ের খান ট্রেডার্স, নতুনহাট রোডের আলাউদ্দিন ট্রেডার্স। ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছর সময়ের মধ্যে এসব অভিযোগে লাইসেন্সগুলো বাতিল করা হয়। টিসিবি, খুলনার আঞ্চলিক প্রধান নির্বাহী মো. রবিউল মোর্শেদ জানান, কালোবাজারি, অবৈধ মজুদ, নবায়ন না করা, অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রি করার অপরাধে তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হয়। এসব নামে আগামীতে এ কর্পোরেশনের নতুন লাইসেন্স হওয়ার সুযোগ নেই।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ