সোমবার ০৩ আগস্ট ২০২০
Online Edition

জাতীয় পরিচয়পত্র স্মার্টকার্ড এপ্রিলে খুলনায় পৌঁছাবে

 

খুলনা অফিস : আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত ১০ ডিজিটের উন্নতমানের জাতীয় পরিচয়পত্র স্মার্টকার্ড এপ্রিলে খুলনায় এসে পৌঁছাবে। ছাপার কাজ অর্ধেকের বেশি শেষ হয়েছে। প্রথমেই মহানগরী এলাকার ভোটার মধ্যে স্মার্টকার্ড বিতরণ করা হবে। বর্ষার আগে উপকূলবর্তী তিন উপজেলা কয়রা, পাইকগাছা ও দাকোপে বিতরণ করা হবে। জেলার ১৬ লাখ ৬৮ হাজার ৭৯৫ জন স্মার্টকার্ড পাবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের আগ পর্যন্ত যারা ছবিসহ ভোটার তালিকায় নাম তুলেছেন শুধুমাত্র তারাই স্মার্টকার্ড পাওয়ার সুবিধা পাবেন। নির্বাচন কমিশন মহানগরী এলাকার পুরুষ ও মহিলা ভোটার, ওয়ার্ড, কেন্দ্র ইত্যাদি তথ্য চেয়ে গত মাসে জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে চিঠি পাঠান। চিঠির আলোকে মহানগর এলাকার ৪ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ ভোটারের তথ্যাদি পাঠানো হয়েছে। জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ ইউনুস আলী জানান, স্মার্টকার্ড মুদ্রণের কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। মহানগরী এলাকায় আগেই কার্ড বিতরণ শুরু হবে। পুরাতন কার্ড ভোটারদের কাছ থেকে ফেরত নেওয়া হবে। ফেরত নেওয়ার সময় ১০ আঙ্গুলের ছাপ দিতে হবে। কার্ড বিতরণের জন্য নির্দিষ্ট স্থান চূড়ান্ত করে জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে নগরবাসীকে জানানো হবে। অপরাপর সূত্রগুলো জানায়, বর্ষার আগে কয়রা. পাইকগাছা ও দাকোপ উপজেলায় কার্ড বিতরণের প্রক্রিয়া শেষ করা হবে। পর্যায়ক্রমে বটিয়াঘাটা, ডুমুরিয়া, ফুলতলা, দিঘলিয়া, তেরখাদা ও রূপসা উপজেলায় বিতরণ করা হবে।

সূত্র জানায়, স্মার্টকার্ড ব্যবহার করে সরকারের ভর্তুকি, বিভিন্ন ভাতা উত্তোলন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তি, যানবাহন রেজিস্ট্রেশন, বিয়ে ও তালাক রেজিস্ট্রেশন, গ্যাস, বিদ্যুৎসহ নানা ফরম পূরণে নাগরিকের সঠিক ও নির্ভুল তথ্য পাওয়া যাবে।

ভোটার বাড়লো ২৪৪৭ : গত বছরের শেষ দিকে ভোটার তালিকা হালনাগাদের তালিকায় মহানগরীসহ নয় উপজেলায় ২ হাজার ৪৪৭ জন ভোটার বেড়েছে। তার মধ্যে মহানগরী এলাকায় ৮২০ জন, রূপসা উপজেলায় ১৭৬ জন, তেরখাদা উপজেলায় ১৮৬ জন, দিঘলিয়া উপজেলায় ১৭৬ জন, ফুলতলা উপজেলায় ২০৬ জন, বটিয়াঘাটা উপজেলায় ৪৯ জন, দাকোপ উপজেলায় ১৩৬ জন, রূপসা উপজেলায় ১৭৯ জন, কয়রা উপজেলায় ২৮৫জন এবং ডুমুরিয়া উপজেলায় ২৩৪ জন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ