বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২০
Online Edition

কাবুলে তালেবানের জোড়া হামলায় নিহত ১৬

২ মার্চ, রয়টার্স : আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের দুটি এলাকায় জঙ্গিগোষ্ঠী তালেবানের হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত ও ৫০ জন আহত হয়েছেন।

গত বুধবারের এ হামলার দায় স্বীকার করে তালেবান জানিয়েছে, তারা কাবুলে পুলিশ, সামরিক বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা দুটি চালিয়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শহরের পশ্চিম দিকে পুলিশ সদরদপ্তরের কাছে একটি গাড়িবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়, প্রচ- এই বিস্ফোরণটির শব্দ পুরো শহর থেকে শোনা গেছে। 

বিস্ফোরণের পরপরই নিরাপত্তা বাহিনীগুলো সঙ্গে হামলাকারীদের বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। একটি সামরিক প্রশিক্ষণ স্কুলের কাছে অবস্থিত পুলিশ সদরদপ্তরে হামলাকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর কয়েক ঘন্টা ধরে লড়াই চলে। 

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাজিব দানেশ জানিয়েছেন, শেষ বিকেলের দিকে হামলা রুখে দেয়া হয় এবং ওই এলাকাটিতে তল্লাশি অভিযান শুরু করে নিরাপত্তা বাহিনীগুলো। 

এই হামলা শুরু হওয়ার এক মিনিট পরে কাবুলের পূর্ব দিকে আফগানিস্তানের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা ন্যাশনাল ডিরেক্টরেট ফর সিকিউরিটির (এডিএস) দপ্তরেও হামলা চালানো হয়। 

এই দুটি হামলায় ১১ বেসামরিকসহ ১৫ জন নিহত হয়েছে বলে দানেশ জানিয়েছেন। পাশাপাশি শিশু ও নারীসহ আরো ৫০ জন আহত হয়েছেন। 

এনডিএসের দপ্তরে চালানো হামলার বিষয়ে সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আব্দুল নাসির বলেছেন, “দুই সন্ত্রাসী এক ভবনে ঢুকে পড়ে। তাদের একজন আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটায়, অপরজনকে আফগান নিরাপত্তা কর্মকর্তারা গুলী করে হত্যা করে।” 

তালেবানের পাঠানো এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটির এক মুখপাত্র এসব হামলায় বহু সেনা, পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছেন। 

ওদিকে দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় বাগলান প্রদেশে কয়েকদিনের তুমুল লড়াইয়ের পর তালেবান তালা ওয়া বারফাক জেলা শহরের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে। ওই জেলার গভর্নর ফায়িজ মোহাম্মদ আমিরি ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য নিহত ও অপর চারজন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তালেবানের প্রধান মুখপাত্র জাবিহউল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছেন, এ লড়াইয়ে সরকারি বাহিনীর ভারী ও হাল্কা অস্ত্র জব্দ করেছে তারা। 

যুক্তরাষ্ট্রের হিসাব অনুযায়ী, আফগানিস্তানের ৬০ শতাংশেরও কম এলাকা বর্তমানে সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তবে সবগুলো প্রদেশের কেন্দ্রস্থলগুলো এখনও তাদের নিয়ন্ত্রণেই আছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ