শুক্রবার ০৫ জুন ২০২০
Online Edition

রফতানিতে বৈচিত্র্য আনতে নতুন খাত খোঁজা হচ্ছে -অর্থমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার: অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত জানিয়েছেন, দেশের রফতানিতে বৈচিত্র্য আনতে নতুন খাত খোঁজা হচ্ছে। দেশের মোট রফতানি আয়ের ৮২ শতাংশই এই খাত থেকে। এ খাতকে আরও এগিয়ে নিতে হবে।
গতকাল শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ঢাকা এপারেল সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ প্রথম সহ-সভাপতি মঈননুদ্দিন আহমেদ মিন্টু, সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হাসান, সহ-সভাপতি এস.এম. মান্নান কচি, মাহমুদ হাসান খান বাবু, মোহাম্মদ নাসির প্রমুখ।
তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র আয়োজনে এ সামিটের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘টুগেদার ফর এ বেটার টুমোরো’। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাতের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতেই দ্বিতীয়বারের মতো এ আয়োজন। ২০১৪ সালে প্রথমবারের মতো এপারেল সামিটের আয়োজন করে বিজিএমইএ।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখছে তৈরি পোশাক শিল্প। দেশের মোট রফতানি আয়ের ৮২শতাংশই এই খাত থেকে।
তিনি বলেন, ‘অনেকে বলছে, একমাত্র পোশাকের উপর নির্ভরশীল হওয়া ঠিক হবে না’, হ্যাঁ আমরাও এটা বলি। আর এটাই রফতানি আয়ের মৌলিক খাত। তবে নতুন রফতানি আয়ের খাত খুঁজছি। এখন আমরা পাট ও আইসিটি খাতে নজর দিচ্ছি। পাটের অতীতকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি।
আব্দুল মুহিত আরো বলেন, একসময় আমাদের অর্থনীতি ছিল কৃষিনির্ভর। এরপর কৃষি থেকে শিল্প এবং শিল্প থেকে সার্ভিস। আর এভাবেই রপ্তানি প্রক্রিয়া রূপান্তরিত হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘তৈরি পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় রফতানিকারক দেশ। অনেক জটিলতার মধ্যে দিয়েও এগিয়ে যাচ্ছে এই খাত।
তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে ৬৭ সবুজ কারখানা রয়েছে। শুধু তা-ই নয়, বিশ্বের এক নম্বর সবুজ কারখানাও এখন বাংলাদেশে। আশাকরি এই সংখ্যা আরো বাড়বে।
উদ্বোধনী সেশনের পরে এই সম্মেলনে ৩ সেশনে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বক্তব্য রাখবেন। সেশনগুলো হলো- বিজনেস পলিসি এন্ড ইনভারমেন্ট: টুওয়ার্ড এ বেটার বাংলাদেশ, কোলাবোরেটিভ এন্ড রেসপনসিবল সার্সিং ফর সাসটেইন্যাবল গ্রোথ এবং বাংলাদেশ অ্যাপারেল ইন্ডাস্ট্রি: ট্রান্সফরমেশন এন্ড দ্য রোড এহেড।
সেশনগুলোতে শিল্পমুখী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য কনডাকটিভ বিজনেস, পরিবেশ ও নীতি, তৈরি পোশাকরে সাপ্লাই চেইন টেকসই করার জন্য স্টেকহোল্ডারদের সমন্বিত উদ্যোগ ও টেকসই অর্থনীতির গুরুত্ব কতখানি, শিল্পের আধুনিকীকরণ কেন গুরুত্বপূর্ণ, পোশাক শিল্পের চ্যালেঞ্জ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ