বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২০
Online Edition

মুক্তিযোদ্ধা বাছাইয়ে দূর্গাপুরের কমিটি কেন অবৈধ নয়

স্টাফ রিপোর্টার : মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ে গঠিত রাজশাহীর দূর্গাপুর উপজেলা কমিটির কার্যক্রম কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না-তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের সচিব ও উপ-সচিব, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের মহাপরিচালক, রাজশাহীর জেলা প্রশাসক, দূর্গাপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং কমিটির সভাপতিকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।  
এক মুক্তিযোদ্ধার করা রিটের শুনানি শেষে গতকাল বুধবার বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।
আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মো. আবু বকর সিদ্দিক। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধকালীন কমান্ডার আব্দুল করিম মোল্লাকে সদস্য করে গত ১৯ জানুয়ারি রাজশাহীর দূর্গাপুর উপজেলা কমিটি গঠন করে পরিপত্র জারি করে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়। কিন্তু ২৬ জানুয়ারি তাকে বাদ দিয়ে কমিটিতে সন্তোষ কুমার সাহাকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। পরে ৩১ জানুয়ারি সন্তোষ কুমার পদত্যাগ করেন।
আইনজীবী আবু বকর সিদ্দিক বলেন, কোনো কারণ ছাড়াই আব্দুল করিম মোল্লাকে বাদ দেয়ায় তিনি রোববার হাইকোর্টে রিট করেন। তাকে কমিটি থেকে বাদ দেয়া কেন অবৈধ হবে না এবং কমিটির কার্যক্রম কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।
এর আগে ৯ মুক্তিযোদ্ধার করা রিটের শুনানি নিয়ে গত ২৩ জানুয়ারি বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও জে বি এম হাসান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের নির্দেশিকা এবং মন্ত্রণালয়ের যাচাই-বাছাই কমিটি গঠন কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ