শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

ফিলিস্তিনী হত্যার দায়ে ইসরাইলী সেনার মাত্র দেড় বছরের জেল

২২ ফেব্রুয়ারি, এএফপি/আল জাজিরা : আহত এক ফিলিস্তিনি আক্রমণকারীকে গুলী করে হত্যার দায়ে এক সেনার ১৮ মাসের কারাদন্ড দিয়েছেন ইসরাইলের একটি আদালত। আদালতে দোষী প্রমাণিত হওয়ার এক মাস পর গতকাল মঙ্গলবার এলো আজারিয়া নামের ২১ বছরের ওই সেনার এই সাজা ঘোষণা করা হয়। গত বছরের মার্চ মাসে ইসরাইলের দখল করা পশ্চিম তীরের হেবরন শহরে আবদুল ফাতাহ আল-শরিফ নামের এক ফিলিস্তিনিকে কোনো উস্কানি ছাড়াই মাথায় গুলি করে হত্যা করেছিলেন এলো আজারিয়া। গুলি করার সময় ওই ফিলিস্তিনি আহত হয়ে মাটিতে শুয়ে ছিলেন। একটি মানবাধিকার সংস্থার কল্যাণে এ ঘটনার ভিডিও সে সময় ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছিল। এ ঘটনায় আইনজীবীরা ওই সেনার ৩ থেকে ৫ বছরের কারাদ- দাবি করেছিলেন। কিš‘ তিনজন বিচারকের প্যানেল এ সাজাকে ‘অত্যধিক’ মনে করে ১৮ মাসের কারাদন্ড দেন। রায় ঘোষণাকারী বিচারক মায়া হেলার বলেন, বিচারের ক্ষেত্রে গুলি চালানোর সময় আজারিয়া ‘শত্রু এলাকায়’ ছিলেন এবং নিহতের পরিবারের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি আমলে নেওয়া হয়েছে। বিচারক আরও বলেন, এ ঘটনার জন্য ওই সেনা কোনো অনুশোচনা প্রকাশ করেননি। এ অপরাধে ইসরাইলের আইনে সর্বো”চ ২০ বছরের কারাদন্ড দেওয়ার বিধান আছে। ঘটনার পর থেকে আজারিয়া এরই মধ্যে কারাগারে ১০ মাস কাটিয়ে ফেলেছেন। তবে এ সময়কে ঘোষিত কারাদন্ড থেকে বাদ দেওয়া হবে কি না, তা রায়ে স্পষ্ট করা হয়নি।
আদালত ভবনের বাইরে আজারিয়ার বিরুদ্ধে দেওয়া রায়ের প্রতিবাদ জানিয়েছে প্রায় ১০০ বিক্ষোভকারী। নিহত আবদুল ফাতাহর পরিবার এ বিচারকে ‘প্রহসন’ বলে অভিহিত করেছে। ফাতাহর বাবা ইয়ুসরি আল-শরিফ বলেছেন, তাঁর ছেলেকে হত্যার দায়ে আজারিয়ার যাবজ্জীবন কারাদন্ড হওয়া উচিত ছিল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ