শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

ফ্যাসিবাদের পতন না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার -খুলনা বিএনপি

খুলনা অফিস ঃ অমর একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে খুলনা মহানগর বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, ৫২ প্রেক্ষাপট আজও এ দেশে বিরাজমান। পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠী সংখ্যাগরিষ্ট মানুষের মুখের ভাষা বাংলাকে কেড়ে নিয়ে সংখ্যালঘুদের  ভাষাকে চাপিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র করেছিল। সেভাবে বর্তমান অনির্বাচিত শাসক গোষ্ঠী দেশের সংখ্যাগরিষ্ট মানুষের ভোট ছাড়াই বন্দুকের জোরে শাসন ক্ষমতা দখল করেছে। বক্তারা বলেন, একুশ মানে যদি মাথা নত না করা হয়, একুশ মানে যদি মায়ের মুখের ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠায় বুকের রক্ত উৎসর্গ করা হয়, তবে আমাদের শপথ নিতে হবে, জালিম ফ্যাসিবাদী শাসককে উৎখাত করে জনগনের সরকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমাদেরকে সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে। 

মঙ্গলবার সকাল ৯টায় নগরীর কেডি ঘোষ রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম। আলোচনা শেষে ভাষা শহীদ সহ স্বাধীনতা সংগ্রাম ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে নিহত সকল শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়। 

এর আগে ২০ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১০ টায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে সহ¯্রাধিক নেতাকর্মী জমায়েত হন। দিবসের প্রথম প্রহরে রাত ১২টার পর শহীদ হাদিস পার্কের মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। রাতেই নগরীর রাজপথে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের এক বিশাল মিছিল বের হয়। মিছির থেকে ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের অবসান ও গণতন্ত্র মুক্তির দাবিতে শ্লোগান দেওয়া হয়। 

পরদিন সকাল ৮টায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে প্রভাত ফেরী বের হয়। তারা পুনরায় শহীদ  বেদীতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। এছাড়া সূর্যোদয়ের সাথে সাথে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, তোরণ নির্মাণ, দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করা হয়। একই সময় খালিশপুর, দৌলতপুর ও খানজাহান আলী থানা বিএনপির উদ্যোগে অনুরূপ কর্মসূচি পালন করা হয়। 

বিএনপির কর্মসূচিসমূহে উপস্থিত ছিলেণ কেসিসির মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, সৈয়দা নার্গিস আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, শেখ খায়রুজ্জামান খোকা, সিরাজুল ইসলাম, এডভোকেট বজলার রহমান, কাজী মো. রাশেদ, এডভোকেট এস আর ফারুক, এডভোকেট ফজলে হালিম লিটন, রেহানা ঈসা, স ম আব্দুর রহমান, জাহিদুর রহমান, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দীপু, মহিবুজ্জামান কচি, শফিকুল আলম তুহিন, শের আলম সান্টু, আজিজুল হাসান দুলু, ইকবাল হোসেন খোকন, হাসিবুল হক বাবলা, গিয়াসউদ্দিন বনি, মুজিবর রহমান, এডভোকেট গোলাম মাওলা, মো. শাহজাহান, সাদিকুর রহমান সবুজ, শেখ সাদী, ইউসুফ হারুন মজনু, সাজ্জাদ আহসার পরাগ, সাজ্জাদ হোসেন তোতন, মুর্শিদ কামাল, কে এম -মায়ুন কবির, একরামুল কবির মিল্টন, শফিকুল ইসলাম হোসেন, একরামুল হক হেলাল, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, হাসান মেহেদী রিজভী, শামসুজ্জামান চঞ্চল, নাজিরউদ্দিন আহমেদ নান্নু, শেখ ইমাম হোসেন, নাজমুল -দা চৌধুরী সাগর, বদরুল আনাম, জামিরুল ইসলাম, শমসের আলী মিন্টু, মো. জামালউদ্দিন প্রমুখ। দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন ওলামা দল সভাপতি মাওলানা আব্দুল গফফার।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ