শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ গুলী

চট্টগ্রাম অফিস : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ঘাট ইজারার টেন্ডারকে কেন্দ্র করে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষ ও গুলীবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৫ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। পরে বিপুল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়নএনে আনে। জানা গেছে, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং ছাত্রলীগ নেতা এ এম মহিউদ্দিনের গ্রুপের কর্মীদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। উভয়ই সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। 

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এস আই জহিরুল ইসলাম জানান, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত তৌহিদুল ইসলাম, অভি পাল, অশোক দেব চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। 

চসিক সূত্র, স্থানীয় লোকজন ও প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানায়, গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কর্ণফুলী নদীর ১৪ নং ঘাটের ইজারার টেন্ডারের দিন ছিল। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবনে এ নিয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সকাল থেকে উওেজনা বিরাজ করছিলো। ঠিকমত টেন্ডার ড্রপ করা হলেও উভয় গ্রুপের লোকজনের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয় বেশ কয়েকবার। বিকাল ৩টার দিকে নগর ভবনে এ নিয়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে আবার কথাকাটাকাটি, হাতাহাতি হয়। এ সময় ব্যাপক উওেজনার সৃষ্টি হয়। সেখানে ভাংগচুরের ঘটনাও ঘটে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। সন্ধ্যা ৬টার দিকে ছাত্রলীগের উভয় গ্রুপ নগর ভবন থেকে সামনের রাস্তায় আন্দকিল্লা মোড়ে নেমে এসে কয়েক দফা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া , মারামারি ও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় উভয় পক্ষ গুলী ছুড়ে বলে স্থানীয়রা জানায়। এ সময় কয়েকজন আহত হয়। পরে বিপুল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়নএনে আনে। উভয় পক্ষকে সরিয়ে দেয়। এ সময় মেয়র আ .জ.ম নাসির তার কার্যালয়ে ছিল বলে জানা গেছে। 

বড় ধরনের সংঘর্ষের আশংকায় নগর ভবন ও আশেপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সাংবাদিকদের নগর ভবনে প্রবেশে বাধা দেয়া হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ