বুধবার ১২ আগস্ট ২০২০
Online Edition

শিক্ষার্থী-অভিভাবকেরা দিশেহারা ॥ চন্দনাইশে অবাধে চলছে কোচিং বাণিজ্য

চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা: চন্দনাইশে অবাধে চলছে কোচিং বাণিজ্যের রমরমা ব্যবসা।
এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা।
ছাত্রত্ব রক্ষার জন্য অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে নামেমাত্র ভর্তি হয়ে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে এসব কোচিং সেন্টারের দিকে ঝুঁকে পড়ছে।
ছটকদার বিজ্ঞাপনসহ বিভিন্নভাবে প্রচারণা চালিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আকৃষ্ট করে শিক্ষার পরিবেশ ও মানহীন এসব কোচিং সেন্টারগুলো হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা।
উপজেলার নামকরা বিদ্যালয় গুলোতে ভর্তি হতে পঞ্চম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ভালো ফলাফলের আসায় বছরের শুরু থেকে বাড়ী ভাড়া নিয়ে চলছে কমপক্ষে অর্ধ শতাধিক কোচিং সেন্টার। শিক্ষার নামে বাণিজ্য চালিয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এ ব্যাপারে কোন রকম পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।
খবর নিয়ে জানা যায়, উপজেলার আনাচে-কানাচে গড়ে উঠেছে বহু কোচিং সেন্টার। বিশেষ করে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের গাছবাড়ীয়া কলেজ গেইট থেকে চন্দনাইশ সদর পর্যন্ত রাস্তার পাশে বেড়া ও টিন দিয়ে অস্থায়ী ঘর নির্মাণ করে অনেকেই কয়েকটি বেঞ্চ বা টুল দিয়ে গড়ে তুলেছেন ছটকদার নাম দিয়ে কোচিং সেন্টার।
এ সকল কোচিং সেন্টারে বিভিন্ন কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা ক্লাস নিচ্ছে। যাদের সৃজনশীল সম্পর্কে অনেকেরই কোন ধরনের জ্ঞান বা ধারনা নেই। এ সকল শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীদেরকে ভাইয়া বলে সম্বোধন করে থাকে। তারা কেউ কাউকে শিক্ষক বা গুরু মানতে রাজি নয়।
তাছাড়া আশেপাশের পৃথক পৃথক বালক-বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যৌথভাবে পড়ার সুযোগ পাওয়ায় এসব কোচিং সেন্টারের দিকে ঝুঁকে পড়ছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রশাসনের নাকের ডগায়ও জাতীয় দিবসে এমনকি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়, স্কুল ফাঁকি দিয়ে কোচিং এর ক্লাস করতে দেখা যায়।
এ ব্যাপারে যেন কারো মাথাব্যথা নেই।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ