বুধবার ০৩ জুন ২০২০
Online Edition

সাঘাটায় পেঁপে চাষে কৃষকের ভাগ্য ফিরেছে

গাইবান্ধা : সাঘাটা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের অনন্তপুর গ্রামের শিক্ষিত বেকার যুবক আলী হোসেনের পেঁপে বাগান

গাইবান্ধা সংবাদদাতা: সাঘাটা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের অনন্তপুর গ্রামের শিক্ষিত বেকার যুবক আলী হোসেন (২৮) এখন একজন সফল পেঁপে চাষী। তিনি পৈত্রিক ২০ শতাংশ জমিতে কয়েক বছর ধরে পেঁপে চাষ করছেন। মাত্র ওইটুকু জমি থেকে পেঁপে ও সাথি ফসলের চাষ করে কয়েক বছরে আয় করছেন এক লাখ টাকা। আলী হোসেন জানান, ওই টাকা থেকে এবার ১৫ শতাংশ জমি ক্রয় করছেন পেঁপে চাষের জন্য। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার তার পেঁপের বাম্পার ফলন হয়েছে। স্বল্প ব্যয়ে অধিক লাভবান হওয়া যায় পেঁপে চাষ করে।
তিনি এখন আর ছুটছেন না চাকুরীর পেছনে। তার সফলতা দেখে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর তাকে প্রশিক্ষণ দিয়ে ঋণ প্রদান করেছেন। এ টাকায় পেঁপে চাষের পাশাপাশি বাড়িতে গাভী পালন করছেন। একই গ্রামের পেঁপে চাষী আছান আলী (৪৮) এবার পেঁপে চাষ করছেন ৪০ শতাংশ জমিতে। প্রথম বার পেঁপে চাষ করেই ওই জমি থেকে কয়েক মাসে পেঁপে বিক্রি করছেন প্রায় ৭০ হাজার টাকা। গাছে আরোও অনেক পেঁপে রয়েছে।
সেগুলো আমির হোসেন জানান, তার জমি থেকে উৎপাদিত পেঁপে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে বিক্রি করেন। এতে বেশী লাভবান হচ্ছেন। পেঁপে, আদা, হলুদ ও অন্যান্য সাথি ফসল থেকে বছরে আয় করছেন প্রায় ২ লাখ টাকা। তিনি আরো জানান, সম্প্রতি রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বোনারপাড়া শাখা থেকে এ কাজের জন্য ১ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন।
এ টাকায় তিনি পেঁপের বাগান আরোও সম্প্রসারণ করবেন। তার বাগানে ৫ জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করছেন। বিভিন্ন সময়ে সে সরকারীভাবে পুরষ্কৃতও হয়েছেন।
আলী হোসেন, আছান আলী এবং আমির হোসেনের মত সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের ১ শতাধিক কৃষক পেঁপে চাষ করে এখন ভাগ্য বদল করেছেন।
তাদের উৎপাদিত পেঁপে এ উপজেলার হাট বাজারের চাহিদা মিটিয়ে বিক্রি করছেন অন্য জেলায়।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিরেন্দ্রনাথ বলেন, পেঁপে চাষীদের কৃষি বিভাগ থেকে সব সময় পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ