বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

অবিলম্বে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে গ্রিক দেবীর মূর্তি অপসারণ করুন -খেলাফত যুব আন্দোলন

নেত্রকোনা সংবাদদাতা : সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে গ্রিক দেবী’র মূর্তি অপসারণের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত যুব আন্দোলন।
বাংলাদেশ খেলাফত যুব আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক গাজী আব্দুর রহিম গতকাল সোমবার এক বিবৃতিতে বলেন, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিচারালয় সুপ্রিম কোর্টের প্রবেশ পথে কথিত ন্যায়ের প্রতীক নগ্ন দেবী থেমিসের মূর্তি স্থাপন হচ্ছে চরম ধৃষ্টতা এবং রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের অবমাননা। যা এদেশের ধর্মপ্রাণ তৌহিদী জনতার ঈমানী চেতনা, ধর্মীয় ভাবধারা ও মূল্যবোধের বিরুদ্ধে এবং সেই সাথে এটি স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের নিজস্ব ইতিহাস, কৃষ্টি-সংস্কৃতি ও আত্ম-মর্যাদা বোধেরও বিপরীত ও সাংঘর্ষিক। মুসলমানদের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রতীক হলো মহাগ্রন্থ আল-কুরআন, গ্রিক দেবীর মূর্তি নয়। ইসলামে মূর্তি স্থাপন এবং এর পূজা সম্পূর্ণ হারাম। হাদীস শরীফে রাসূল (সাঃ) এরশাদ করেছেন, আল্লাহ্র নিকট সর্বাধিক আযাবপ্রাপ্ত লোক হবে মূর্তি প্রস্তুতকারীগণ। ইসলামে মূর্তি স্থাপন, মূর্তিকে সম্মান জানানো, পূজা করা এবং ন্যায়ের প্রতীক মনে করা শিরকী গুনাহ্।
তিনি বিবৃতিতে আরো বলেন, রোমানদের কাছে ন্যায়ের প্রতীক কল্পিত গ্রিক দেবীর সাথে এ দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও ভাব-সম্পদের ন্যূনতম সম্পর্ক নেই, তারপরও কিভাবে আমাদের সুপ্রিম কোর্টের সামনে এরকম মূর্তি স্থাপন করা হলো? কারা কি উদ্দেশ্যে এটি করার সুযোগ পেলো কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে দেশের মানুষের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। দেশের ৯২ ভাগ মুসলমানের চিন্তা চেতনার পরিপন্থী গ্রিক দেবীর মূর্তি স্থাপন কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। গ্রিক পুরাণের কল্পিত দেবী থেমিস রোমানদের কাছে ন্যায়ের প্রতীক হতে পারে, কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম দেশের নাগরিক হিসেবে আমরা তাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য থেকে ধার করে কেন হীন ঔপনিবেশিক ধ্যানধারণা লালন করবো? আমরা ভূইফোঁড় কোনো জাতি নই যে, পরজীবিতার আশ্রয় নিতে হবে। এটি সরকারের বিরুদ্ধে ধর্মপ্রাণ তৌহিদী জনতার ঘৃণা ও ক্ষোভকেই আরো উস্কে দেবে। সরকারের নিকট আমাদের দাবি, অবিলম্বে এই মূর্তি অপসারণ করে সংখ্যাগরিষ্ঠ তৌহিদী জনতার ক্ষোভ প্রশমিত করুন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ