বুধবার ০৩ জুন ২০২০
Online Edition

ফের প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণে কবি রানা হোসেন

একটি বেড়ে ওঠা আম কিংবা জাম গাছকে শিকড় থেকে আলাদা করে রাখলে গাছের বাঁচার কথা নয়। মানুষের হয় তো গাছের মতো  শিকড় নেই, কিন্তু  হৃদয়ের টান, জন্মভূমি চেনার কী টান নেই প্রাণে? কে না জানতে চায় নিজের অস্তিত্ব..? আমরা যে স্থানে দাঁড়িয়ে আছি তাঁর পূর্বের কি নাম- ইতিহাস? আজ-কাল আমরা দাদা/ নানা’র বাড়ির কথা ভুলে যেতে বসেছি! আবার কখনো আমরা চাই নিজের ফেলে আসা বা রেখে আসা অস্তিত্বকে জানতে। নিজেদের ফিরে পাওয়া এ রকম একটি প্রামাণ্যচিত্রের নামই ‘চেনা অচেনার টান’। নাটাই-ঘুড়ি, গোল্লা-ছুট, সাঁতার কাটাসহ নানান খেলায় ছেলে বেলা কাটানো সময় গ্রাম কিংবা মাঠ ছেড়ে যারা শহরে থাকছেন অথবা এ শহর ছুঁয়ে পাড়ি দিয়েছেন সাত-সমুদ্র তের-নদী, কিন্তু বিদেশ থেকে ও ঐযে শিকড়ের টান, নারীর টান, নরম মৃত্তিকার টান, লুকিয়ে থাকা ভালোবাসার টান তা কি আর ভুলে থাকা যায়? ভুলে থাকতে চাইলেও ভুলে থাকা যায় না, মন কে হয় তো পিছু টানে, কারণ আমাদের আছে মনের শেকড়, আছে দেশপ্রেম। নতুন প্রজন্মের কাছে সেই সাথে বৃক্ষের মতো বেড়ে ওঠা প্রবীণদের স্মৃতিচারণ আনতে এই আয়োজন করছে তরুণ টিভি অনুষ্ঠান নির্মাতা ও কবি রানা হোসেন। দীর্ঘ পাঁচ-সাত বছর যাবত কাজ করে যাচ্ছেন এই প্রামাণ্যচিত্রের তথ্য-গ্রন্থণার। টিভি চ্যানেলে জন্য ১০৪ পর্ব নির্মাণ হাতে নিয়েছেন তিনি। এসব বিষয়গুলো হলো নদী ভাঙন, মৃৎশিল্প, প্রাচীণ দ্বীপ জেলা, গ্রামেরচিত্র, ছিন্নমূল মানুষদের জীবন-যাপন, ঐতিহ্যবাহী স্থান, প্রকৃতি, ইতিহাসের নগরী, বাংলাদেশের রূপ ইত্যাদি বিষয়ের উপর সাজানো হবে এই ধারাবাহিক প্রামাণ্যচিত্র। প্রতিটি পর্ব আলাদা-আলাদা বিষয়ের উপর ১০৪ পর্ব প্রচারের পর সিদ্ধান্ত হবে পরবর্তী পর্বগুলোর কাজ।  সুন্দরবন ও  ভোলা জেলার পর্ব ‘চেনা-অচেনার টান’ দিয়েই শুটিং এর যাত্রা শুরু হবে বলে তিনি আশা করছে। টিভি অনুষ্ঠান নির্মাতা ও কবি রানা হোসেন মনে করেন ‘চেনা-অচেনার টান’ প্রামাণ্যচিত্রের মাধ্যমে আমাদের দেশের অনেক চেনা-অচেনা স্থান, ইতিহাস সহ বাংলাদেশের সৌন্দর্য তুলে ধরা সম্ভব এবং দেশ-বিদেশ যারা বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে লালন করে তাদের মনের খোরাক হবে এই কাজটি একটি প্রাইভেট টিভি চ্যানেল জন্য তৈরী হচ্ছে বলে পরিচালক জানান, তিনি মনে করেন আমরা যে পথ দিয়ে হাঁটছি সে পথের ইতিহাস জানা প্রয়োজন, যে স্থানে  বাবা মার জন্ম কিংবা  নিজের জন্মের  স্থানের পরিচয় জানা কি প্রয়োজনের মধ্যে পড়ে না? সেই তাগিতে আমাদের কিছু  করা প্রয়োজন। এই সব বিষয় নিয়ে আমি জাতীয় পত্র-পত্রিকায়  লিখেছিও, অনেক লেখা প্রকাশিত হয়েছে। মহতি কাজের পার্শ্বে আরো তথ্য, আপনার এলাকার ঐতিহ্যবাহী মসজিদ ও স্থানের কথা লিখে জানাতে পারেন। তাহলে হয় তো প্রামাণ্যচিত্রটি হয়ে উঠবে আরো ইতিহাস সংস্কৃতি নির্ভর। তথ্য পাঠাবার ঠিকানা: মৃত্তিকা প্রোডাকশন, মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
মুঠোফোন: ০১৯১১২০১৪৯০, ই-মেইল: mrittikaproduction@gmail.com, mrittika1995@yahoo.com, mrittikarana@yahoo.com, mrittikaproduction1995@gmail.com অথবা www.facebook.com/mrittikaproduction

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ