সোমবার ১০ আগস্ট ২০২০
Online Edition

দালাল ও গ্রুপ লিডার থেকে সাবধান থাকার আহ্বান হাবের

স্টাফ রিপোর্টার: চলতি বছর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় (নন-ব্যালটি) যারা হজ্ব পালন করতে সৌদি আরবে যাবেন তাদের প্রতিজনের জন্য ৩ লাখ ১৯ হাজার ৩৫০ টাকা নির্ধারণ করে হজ্ব প্যাকেজ ঘোষণা করেছে হজ্ব এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই প্যাকেজ ঘোষণা করেন হাব সভাপতি মোহাম্মদ ইব্রাহিম বাহার। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফরিদ আহমেদ মজুমদার, মহাসচিব শেখ আব্দুল্লাহ,  কোষাধ্যক্ষ ফজলুল ওয়াহাব মামুন ও হাব নেতা আবু সালেহ রাজী (জাবেদ)।
ইব্রাহিম বাহার বলেন, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২০১৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর পবিত্র হজ্ব পালিত হবে। চলতি বছর বেসরকারি পর্যায়ে হজ্ব পালন করতে প্রতিজন হজ্বযাত্রীর প্যাকেজের মূল্য (কুরবানি ছাড়া) নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ১৯ হাজার ৩৫৫ টাকা। চলতি বছর ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন বাংলাদেশী হজ্ব পালনের সুযোগ পাবেন। এর সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১০ হাজার এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ১৭ হাজার ১৯৮ জন। সরকারি হজ্বযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু করা হলেও বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজ্বযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি সরকারের অবহেলার কারণে। তবে বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজ্বযাত্রীর প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করা হতে পারে। প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্নকারী হজ্বযাত্রীদের আগামী ৩০ মার্চের মধ্যে টাকা জমা দিতে হবে। হজ্ব প্যাকেজের পুরো টাকা পরিশোধকারীরাই পিলগ্রিম আইডি পাবেন। পিলগ্রিম আইডি ব্যতীত কেউ হজ্ব পালনের সুযোগ পাবেন না।
তিনি আরও বলেন, কম টাকায় হজ্ব পালনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কতিপয় মধ্যস্বত্বভোগী, দালাল ও গ্রুপ লিডার হজ্বযাত্রীর কাছ থেকে হজ্বের টাকা সংগ্রহ করেন। কম টাকা দিয়ে হজ্ব পালন করতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট হজ্বযাত্রী দেশে ও সৌদি আরবে নানা ভোগান্তির শিকার হন। এবার হজ্ব পালনে আগ্রহীরা হজ্বের টাকা কোনো দালাল-গ্রুপ লিডারের কাছে জমা না দিয়ে  হজ্ব এজেন্সি বা এজেন্সির ব্যাংক একাউন্টে জমা দেবেন। কেউ দালাল-গ্রুপ লিডারের কাছে হজ্বের টাকা জমা দিয়ে প্রতারিত হলে তার দায়-দায়িত্ব হাব বা সরকার নেবে না। যারা ডায়বেটিক, রক্তচাপসহ ক্রনিক ডিজিজে আক্রান্ত তাদের বাংলাদেশ থেকে ওষুধ সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে।
উচ্চ আদালতের রায় মোতাবেক বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড এবং সাউদিয়া অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্সের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক এয়ারলাইন্সগুলোকে থার্ড ক্যারিয়ার হিসেবে হজ্বযাত্রী পরিবহনের সুযোগ দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে। এছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি, অব্যবহৃত বাস টিকিট মূল্য, বাড়ি ভাড়ার অতিরিক্ত ১ শতাংশ ও অব্যবহৃত মোয়াল্লেম ফিসহ সরকারের কাছে থাকা হজ্ব এজেন্সির প্রায় ১০০ কোটি ফেরত প্রদান, ২০০ জনের অধিক হজ্বযাত্রীর জন্য ২টি বারকোড প্রদান, সৌদি আরবে ক্যাটারিং সার্ভিস বাধ্যতামূলক না করে রান্না করা খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা গ্রহণে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ