সোমবার ২৯ নবেম্বর ২০২১
Online Edition

জাপান সফরে আত্মবিশ্বাস বেড়েছে কৃষ্ণাদের

স্পোর্টস রিপোর্টার : ‘দেশের সম্মানের জন্য ভালো খেলতে হবে, এটিই ছিল জাপানের ওসাকায় বংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৬ মেয়ে দলের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। আর এজন্যই জে গ্রিন সাকাই ফুটবল ফেস্টিভালে সন্তোষজনক নৈপুণ্য দেখিয়েছে মেয়েরা। ’ কথাগুলো বাংলাদেশের অধিনায়ক কৃষ্ণা রানী সরকারের। গতকাল বুধবার বিকেলে বাফুফে ভবনে জাপানের অভিজ্ঞতা জানানোর জন্য প্রচার মাধ্যমের মুখোমখি হয়েছিলেন কৃষ্ণারা। দলের কোচ গোলাম রাব্বানি ছোটন জাপানের টুর্নামেন্ট নিয়ে বলেছেন, ‘মেয়েদের একটা বড় পরীক্ষা হয়ে গেছে জাপানে। বিশ্বমানের একাডেমিতে যখন যা দরকার সব আছে। মেয়েদের বুঝিয়েছি যেন বাজে কিছু না হয়। সবাইকে নিজের সেরাটা দিতে বলেছিলাম। ওরা জানপ্রাণ দিয়ে নিজেদের সেরাটা দিয়েছে। ’ কৃষ্ণা মোহিত সাকাইয়ের একাডেমিতে, ‘‘ওখানে আমরা ছিলাম ‘ড্রিম ক্যাম্পে’। ক্যাম্পটা সত্যিই ছিল স্বপ্নের মতো। নাস্তা থেকে রাতের খাবার সবই স্বপ্নের মতো। আমাদের নিজেদের হাতে খাবার নিতে হয়েছে। আবার নিজেদেরই প্লেট ধুয়ে রাখতে হয়েছে। যা আগে কখনও করিনি আমরা। ওখান থেকে অনেক কিছু শিখেছি, সবচেয়ে বেশি শিখেছি নিজের ওপর বিশ্বাস রাখা আর দেশের কথা মাথায় রাখাটা। ’ টুর্নামেন্টে ৮ গোল করা সিরাজ জাহান স্বপ্নার অভিজ্ঞতাটা আবার এমন, ‘এর আগে মহিলা দল কখনও এমন বিশ্বমানের দলের সঙ্গে খেলেনি, প্রথম ম্যাচের আগে আমরা বেশ ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু কোচরা আমাদের বুঝিয়েছেন কোনও টিমকে ভয় পাওয়া যাবে না, ফল যেটাই হোক। আমরা সেভাবেই নিজেদের সেরাটা খেলতে চেষ্টা করেছি। ফল আমাদের পক্ষে এসেছে। এর আগে কখনও একসঙ্গে তিন ম্যাচ খেলিনি। এটাও ছিল একটা বড় অভিজ্ঞতা। ওখানে বেশ ঠা-া ছিল। তবে ঠা-া বা গরম আমাদের মাথায় ছিল না, সবার একটাই চিন্তা ছিল দেশের জন্য কিছু করতে হবে। ’ ১৫ ফেব্রুয়ারি আবার বিদেশ যাবে মেয়েদের ফুটবল দল। সিঙ্গাপুরে রয়েছে চার জাতি টুর্নামেন্ট। জাতীয় দলের প্রতিযেগিতা হলেও ১৬ জনই অনূর্ধ্ব-১৬ দলের খেলোয়াড়, বাকি চার ৫ জন সিনিয়র।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ