শুক্রবার ২০ মে ২০২২
Online Edition

চাপ ও প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করতে সক্ষমদের ইসিতে দেখতে চাই

স্টাফ রিপোর্টার : চাপ ও প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করতে সক্ষমদের নির্বাচন কমিশনে দেখতে চান চার বিশিষ্ট নাগরিক। তাদের আশা দলনিরপেক্ষ, বিবেকবান, সাহসী, প্রজ্ঞাবান ব্যক্তিদের নিয়ে ইসি গঠন করা হবে। সার্চ কমিটির সুপারিশ করা নাম ও প্রস্তাব জনসম্মুখে প্রকাশেরও পরমার্শ দিয়েছেন তারা। রাষ্ট্রপতি সার্চ কমিটির সুপারিশে আস্থা রাখবেন বলেও তাদের আশা। বিশিষ্ট নাগরিকরা বলেছেন, সার্চ কমিটির সুপারিশের ওপর এ দেশের গণতন্ত্র ও আগামী নির্বাচন নির্ভর করবে। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করাই হবে আগামী নির্বাচন কমিশনের একটা চ্যালেঞ্জ।
এদিকে নাম চূড়ান্ত করতে আজ বিকেল চারটায় সার্চ কমিটি আবার বৈঠকে বসবেন। যেসব নাম সার্চ কমিটির কাছে এসেছে ওই নামগুলো সার্চ কমিটি পর্যালোচনা, যাচাই-বাছাই এবং তথ্য সংগ্রহ করে নাম চূড়ান্ত করার দিকে এগিয়ে যাবেন।
গতকাল বুধবার সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে নির্বাচন কমিশনের জন্য গঠিত সার্চ কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবু হেনা, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ, ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার’র সম্পাদক মাহফুজ আনাম এবং সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। বৈঠকে সার্চ কমিটির প্রধান আপিল বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন সভাপতিত্ব করেন। কমিটির অন্য সদস্য-হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মাসুদ আহমেদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি শিরিন আকতার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় শেষে জাজেস লাউঞ্জের গেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রথমে কথা বলেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) মোহাম্মদ আবু হেনা। সাংবাদিকদের আবু হেনা বলেন, আমরা চারজনই একমত যে নির্বাচন কমিশনার যারা হবেন, তাদের দলনিরপেক্ষ, বিবেকবান, প্রজ্ঞাবান ও পরিশ্রমী হতে হবে। দেশের স্বার্থের জন্য নির্বাচন কমিশনের ওপর সংবিধান যে দায়িত্ব দিয়েছে, এই দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালন করার জন্য এমন ধরনের যোগ্য ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা দরকার। সার্চ কমিটি নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যে মতবিনিময় করেছে, এটা খুবই শুভ পদক্ষেপ। এটা ভবিষ্যতে চালু রাখা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আবু হেনা বলেন, আমাদের পরামর্শ ছিল প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে সর্বজন গ্রহণযোগ্য হতে হবে। নির্বাচন কমিশনের ওপর সংবিধানের যে দায়িত্ব রয়েছে, তা যথাযথভাবে যারা পালন করতে পারবেন তাদের সার্চ কমিটি খুঁজে বের করবে বলে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
সার্চ কমিটি নিরপেক্ষ কি না এমন প্রশ্নের জবাবে সাবেক এই প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, তাদের ভূমিকা নিয়ে এখনও প্রশ্ন তোলার সময় আসেনি। আমরা চাই নিরপেক্ষতা বজায় রেখে তাদের গুরুদায়িত্ব তারা শেষ পর্যন্ত রক্ষা করুক।
জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ বলেন, সব দিক বিবেচনা করেই সার্চ কমিটি নির্বাচন কমিশনারদের নাম প্রস্তাব করবে বলে বিশ্বাস করি। দায়িত্ব নেয়ার পর যদি কমিশনাররা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হন, তাহলে তার দায় কমিশনকে দেয়া সমীচীন হবে না।
রোকনউদ্দিন মাহমুদ বলেন, সার্চ কমিটি গতবারও নাম সিলেক্ট করেছিল। কিন্তু কমিশন এমন হলো কেন, সে প্রশ্ন জনমনে। এর উত্তর কমিশনকেই খুঁজতে হবে।
তিনি বলেন ,এখানে মনে রাখতে হবে, ১৯৯৬ সালে আবু হেনা সাহেব একটি প্রশংসনীয় নির্বাচন করেছেন। পরবর্তীতে ২০০১ এ আবু সাঈদ সাহেব এবং ২০০৮ সালে শামসুল হুদা সাহেবও দৃষ্টান্তমূলক নির্বাচন করেছেন। কিন্তু আগামী নির্বাচনে যিনি প্রধান কমিশনার হবেন তাদের সঙ্গে বিগতদের একটা বিশাল তফাৎ আছে।
বিগত নির্বাচন কমিশনগুলো নির্বাচন করেছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে। ওই সরকারগুলো নির্বাচন কমিশনে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করেনি। নির্বাচন কমিশনার ছিলেন একেবারে চাপমুক্ত। আর আগামী নির্বাচন হবে দলীয় সরকারের অধীনে। ফলে এ নির্বাচন কমিশনের একটা চ্যালেঞ্জ থাকবে।... এই চ্যালেঞ্জের মধ্যেই তাদের সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হবে।
কমিশন গঠন নিয়ে আইন করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, অনেক কিছু নিয়েই আইন তৈরি করার সময় এসেছে। সার্চ কমিটি যে নাম দেবে, তা শেষ পর্যন্ত থাকবে কিনা-আইন থাকলে এমন সংশয় কাজ করত না।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বের ওপরই সব নির্ভর করবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক সরকার কমিশনের ওপর হস্তক্ষেপ করবে না। সার্চ কমিটি যে নাম দেবে সরকারও তার ওপর আস্থা রাখবে বলে আমার পূর্ণ আস্থা আছে।
ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, আমরা মনে করি, ঐতিহাসিকভাবে এই নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব অনেক বড়। যেহেতু আমাদের দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ অনেকাংশে নির্ভর করবে আগামীতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ওপর। সেখানে আমি বলেছি, সুপারিশের সঙ্গে সঙ্গে তাদের একটা ভিশন থাকা উচিত। এই সার্চ কমিটি ওনাদের প্রজ্ঞার ভিত্তিতে কিছু পরামর্শ নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে দেবেন।
নির্বাচন কমিশন গঠনে জনমত গঠন হতে পারে কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে মাহফুজ আনাম বলেন, এখনও বিতর্কের সময় আসেনি। তবে নাম নির্বাচনের পরপরই জনসম্মুখে ঘোষণা করা উচিত, যা গতবার করা হয়েছিল। কমিটির প্রতি আস্থা রেখে তিনি আরও বলেন, দেশবাসীর আকাক্সক্ষা পূরণে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সার্চ কমিটি নাম প্রস্তাব করবে বলে বিশ্বাস করি।
সার্চ কমিটির সুপারিশ করা নাম নিয়ে উন্মুক্ত বিতর্ক করা প্রয়োজন আছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মাহ্ফুজ আনাম বলেন, ওনাদের বিচক্ষণতার ভিত্তিতে কিছু নাম রাষ্ট্রপতিকে দেবেন। রাজনৈতিক দলগুলো কিছু নাম দিয়েছে। ওনারাও কিছু যুক্ত করবেন। এটা নিয়ে পাবলিক ডিবেটের প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। গতবার সার্চ কমিটি যখন নাম ও সুপারিশ দিয়েছিল, সেগুলো মন্ত্রিপরিষদ সচিব প্রকাশ করে দিয়েছিলেন। আমরা আশা করব, সার্চ কমিটির সুপারিশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গতবারের মতো এবারও প্রকাশ করা হবে।
মাহ্ফুজ আনাম বলেন, আমরা কতগুলো হিউম্যান ক্রাইটেরিয়া ও প্রফেশনাল ক্রাইটেরিয়ার কথা বলেছি যে, ওনাদের সৎ হতে হবে, নিরপেক্ষ হতে হবে, সাহসী হবেন, মাথা নত করবেন না। এসবের ভিত্তিতে ওনাদের মনোনীত করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটা ব্যক্তির ব্যাপার। উনি নির্বাচিত হওয়ার পর নিরাশ করলে, সার্চ কমিটির অতটা দায় থাকে না।
সার্চ কমিটির ওপর আস্থা রয়েছে জানিয়ে মাহ্ফুজ আনাম বলেন, ওনাদের প্রতি আমাদের আস্থা আছে। ওনারা এ ব্যাপারে সচেতন। আমরা যেটা বুঝলাম, সেটা হচ্ছে ওনারা একনিষ্ঠভাবে একটা সর্বশ্রেষ্ঠ সুপারিশ দেবেন, এটা বিশ্বাস করি।
সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে সার্চ কমিটির সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেয়া নাগরিকদের মতামত কমিশনের কাছে লিপিবদ্ধ আকারে জমা দেয়ার পরামর্শ দিয়েছি। আমি বলেছি, মুক্তিযুদ্ধ এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার সঙ্গে যার সামান্যতম বিরোধ আছে, তাকে নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ দেয়া যাবে না।
তিনি বলেন, অনেকেই কমিশনারদের যোগ্যতা নিয়ে কথা বলছেন। আমি মনে করি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং সাম্প্রদায়িকতার বিষয়টি অধিক গুরুত্ব দিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করা উচিত। সার্চ কমিটি নামের যে সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করেছেন তাতে আমাদের বিশ্বাস আছে, রাষ্ট্রপতি যাদের নিয়োগ দেবেন তাদের প্রতিও আস্থা থাকবে। সুশীল সমাজের ভূমিকাকে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে বলে সার্চ কমিটিকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে গোলাম সারওয়ার বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার হচ্ছেন নির্বাচন কমিশনের প্রতীক। তিনি নরম হয়ে গেলে নির্বাচন কমিশন জিরো হয়ে গেল। আমরা ভারতের দৃষ্টান্তের কথা বলেছি। সেখানে অনেক সময় নির্বাচন কমিশন কারও কথা মানে না। সুতরাং যিনি নির্বাচন কমিশনার হবেন, তার মেরুদ- শক্ত থাকতে হবে। কোনো হুমকিসহ কোনো কিছুকেই তারা পরোয়া করবেন না। তাদের বয়স অবশ্যই সত্তরের নিচে থাকতে হবে।
মতবিনিময়ের বিষয়ে সার্চ কমিটির গতকালের মুখপাত্র মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবদুল ওয়াদুদ সাংবাদিকদের বলেন, বিশিষ্ট নাগরিকেরা বলেছেন সার্চ কমিটির সুপারিশের ওপর এ দেশের গণতন্ত্র ও আগামী নির্বাচন নির্ভর করবে। তারা পরামর্শ দিয়েছেন, এমন ব্যক্তিদের নাম সুপারিশ করতে যাদের যোগ্যতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। যাদের ক্লিন ইমেজ, প্রশাসনিক যোগ্যতা ও দায়িত্ব পালনে শারীরিক ও মানসিক-যোগ্যতা রয়েছে এবং তারা যেন কোনো চাপের কাছে মাথা নত না করেন।
আবদুল ওয়াদুদ বলেন, বিশিষ্ট ব্যক্তিরা আরও পরামর্শ দিয়েছেন, প্রায় সমযোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের দিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। তাদের একই মেধা ও দক্ষতা থাকতে হবে। তিনি বলেন, সার্চ কমিটি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মতামতকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে।
তিনি বলেন, আগামীকাল বিকেল ৪টায় সার্চ কমিটির বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। যেসব নাম সার্চ কমিটির কাছে এসেছে ওই নামগুলো পর্যালোচনা করবেন, যাচাই-বাছাই করবেন এবং খোঁজ-খবর নেবেন, তথ্য সংগ্রহ করবেন। আশা করছি, ৮ ফেব্রুয়ারির আগেই চূড়ান্ত তালিকা করবে সার্চ কমিটি।
গত শনিবার সার্চ কমিটির প্রথম বৈঠকে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে অংশ নেয়া ৩১ টি রাজনৈতিক দলের কাছে নির্বাচন কমিশন গঠনে পাঁচজন করে নামের তালিকা চায় সার্চ কমিটি। নাম জমা দেয়ার সময় ছিল গতকাল মঙ্গলবার ১১ টা পর্যন্ত, পরে এই সময় তিনটা পর্যন্ত বর্ধিত করে সার্চ কমিটি। সে হিসেবে ১৫৫ জনের নাম জমা পড়ার কথা ছিল। বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে ২৫টি রাজনৈতিক দল সচিবালয়ে ১২৫ জনের নামের তালিকা জমা দিয়েছে। নামের তালিকা জমা দেয়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফর মজলিস এবং গণফোরাম। বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ ((রব) চিঠি দিয়ে নাম না দেয়ার কারণ উল্লেখ করেছে।
এরমধ্যে গত মঙ্গলবার সার্চ কমিটি রাজনৈতিক দলের ১২৫ জনের তালিকা থেকে ২০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রস্তুত করেছে।
গত ২৫ জানুয়ারি আপিল বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন করেন রাষ্ট্রপতি।
সার্চ কমিটির প্রথম বৈঠকে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠক করা ৩১টি রাজনৈতিক দলের প্রত্যেকের কাছেই ৫ জনের নাম দেয়ার আহ্বান জানায়। এছাড়াও বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় দেশের ১২ জন বিশিষ্ট নাগরিকের সঙ্গে কমিটি মতবিনিময় সভা করবেন। গত সোমবার ১২ জন বিশিষ্ট নাগরিকের সঙ্গে কমিটির বৈঠকের পর সার্চ কমিটি আরও পাঁচ বিশিষ্ট নাগরিকের সঙ্গে বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই পাঁচজনের মধ্যে নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশিদকে বাদ দেয় সার্চ কমিটি। তার নামে প্রতারণা মামলা থাকায় বিতর্ক এড়াতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
গত সোমবার ১২ বিশিষ্ট নাগরিক সার্চ কমিটির বৈঠকে সৎ, নিরপেক্ষ ও যোগ্য ব্যাক্তিদের নিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে সার্চ কমিটিকে তাগিদ দেন। এ ক্ষেত্রে কম যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের দিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন না করতেও পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ