বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২০
Online Edition

ঢাবির দর্শন বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ কেন অবৈধ নয়

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) দর্শন বিভাগে যোগ্যতা না থাকার পরও শিক্ষক নিয়োগ দেয়া কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আবেদন করার মতো সিজিপিএ (কিউম্যুলেটিভ গ্রেড পয়েন্টস এ্যাভারেজ) ছিল না দর্শন বিভাগে নিয়োগ পাওয়া এক শিক্ষকের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি), প্রো ভিসি (শিক্ষা), প্রো-ভিসি (প্রশাসন), রেজিস্ট্রার, দর্শন বিভাগের চেয়ারম্যান, সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) এবং নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক খন্দকার তোফায়েল আহমেদকে আগামী ১০ দিনের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
শিক্ষক নিয়োগে অংশ নেয়া এক প্রার্থীর করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে গতকাল সোমবার বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। দর্শন বিভাগে শিক্ষক পদে আবেদনকারী এইচ এম মিরাজ সৌরভ গত রোববার রিট আবেদনটি করেন।
আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সগির আনোয়ার। সঙ্গে ছিলেন গোলাম সারোয়ার পায়েল। সরকার পক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল মোখলেছুর রহমান।
রিটে বলা হয়, গত বছরের ২ জুলাই জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় দর্শন বিভাগে একজন সহকারী অধ্যাপক এবং দুইজন প্রভাষক নিয়োগ দেয়ার জন্য বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, প্রভাষক পদে নিয়োগ পেতে হলে প্রার্থীকে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার প্রত্যেকটিতে ন্যূনতম ৪.২৫ এবং স্নাতক এবং স্নাতকত্তোর ডিগ্রিতে ন্যূনতম প্রথম শ্রেণি অথবা সিজিপিএ স্কেল ৪.০০ এর মধ্যে ৩.৫০ পেতে হবে। ওই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আবেদনকারীদের মধ্য থেকে গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর দুইজনকে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ দেয় দর্শন বিভাগ। কিন্তু নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে খন্দকার তোফায়েল আহমেদের এসএসসির জিপিএ-৩.১৯। ফলে তিনি এ পদে আবেদন করার অযোগ্য। তারপরও তাকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
আইনজীবী গোলাম সরওয়ার পায়েল বলেন, ওই নিয়োগ পরীক্ষায় যোগ্য ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদেরও বাদ দেয়া হয়েছে। দেশের শ্রেষ্ঠ এ বিশ্ববিদ্যালয়টিতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে চরম অনিয়ম করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পত্রিকায়ও সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এরপরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ওই নিয়োগ বাতিল করেনি। আদালত রিট আবেদনের শুনানি শেষে ওই নিয়োগকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ