বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্কে চ্যাম্পিয়ন ঢাবি

ইবি সংবাদদাতা : বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের উদ্যোগে ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বাংলা ও ইংরেজি দুই মাধ্যমের বিতর্কে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়াও ইংরেজি মাধ্যমে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলা মাধ্যমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রানার্স আপ হয়েছেন।
সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়। আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজন কমিটির আহবায়ক ও মডারেটর প্রফেসর ড. মোঃ মামুনুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভিসি প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা। দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান।
ইংরেজি ও বাংলা মাধ্যমের এ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু মেরি টাইম বিশ্ববিদ্যালয়, শাহ্জালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিশ্ববিদ্যালয়, কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিযোগীরা অংশ গ্রহণ করছে। মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা ও সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা ও ইংরেজি দুই মাধ্যমের বিতর্ক প্রতিযোগিতায় জয় লাভ করে। এছাড়াও বাংলা মাধ্যমের বিতর্কে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও ইংরেজি মাধ্যমের বিতর্কে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রানার্স আপ অর্জন করেছে।
অনুষ্ঠানে মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান বলেন,“আমাদের প্রত্যেকের মধ্যে কিছু স্বকীয়তা থাকে যা নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারি। এ সত্যটিকে ধারণ করে জাতি ও রাষ্ট্রের সেবায় নিয়োজিত থাকতে হবে । তিনি বলেন, মুক্তিবুদ্ধির জন্য রয়েছে বিতর্ক মঞ্চ। যার উদ্দেশ্য তর্কের মাধ্যমে সত্যকে অনুসন্ধান করা এবং প্রতিষ্ঠিত করা। বিতর্কের মাধ্যমে আমরা মুক্তিযুদ্ধের কথা, সত্যের কথা ও যুক্তির কথা বলতে পারি। বিতর্কের মাধ্যমে যেমনি যুক্তি প্রতিষ্ঠিত করতে পারি তেমনি পরমত সহিষ্ণুতা হতে পারি। এছাড়াও তিনি পাঠ্য বইয়ে অসংগতির কথা সমালোচনা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে জবাব দানের দাবি করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ