শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

বিশিষ্টজনদের সঙ্গে সার্চ কমিটির মতবিনিময় আজ

স্টাফ রিপোর্টার : নির্বাচন কমিশন গঠনে নিয়োগ দেয়া সার্চ কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক হবে আজ। নাগরিক সমাজের ১২ জনের সঙ্গে সার্চ কমিটি মতবিনিয়ম করবেন। সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে বিকাল সাড়ে চারটায় এই বৈঠক শুরু হবে। গত শনিবার সার্চ কমিটির প্রথম বৈঠকে নাগরিক সমাজের ১২ জনের সঙ্গে মত বিনিময়ের সিদ্ধান্ত হয়। 

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এই তথ্য জানান। 

১২ বিশিষ্ট নাগরিক হলেন :

আইন কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ও হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি আবদুর রশীদ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি এ কে আজাদ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি এস এম এ ফায়েজ, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আইনজীবী সুলতানা কামাল, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ টি এম শামসুল হুদা, সাবেক নির্বাচন কমিশনার ছহুল হোসাইন ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাখাওয়াত হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড.সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড.তোফায়েল আহমদ, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড.বদিউল আলম মজুমদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সংখ্যাতিরিক্ত অধ্যাপক ড.আবুল কাসেম ফজলুল হক ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) নুরুল হুদা।

সার্চ কমিটির প্রথম বৈঠকে আরেকটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় সেটি হলো-রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে অংশ নেয়া ৩১ টি রাজনৈতিক দলেল কাছে ৫ টি করে নাম চাওয়া। 

কাজী রকিবউদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের তিন জনের মেয়াদ শেষ হবে ৮ ফেব্রুয়ারি। একজন সদস্যের ১৪ ফেব্রুয়ারি মেয়াদ শেষ হবে। ২০১২ সালে তখনকার রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান সার্চ কমিটির মাধ্যমে কাজী রকিবউদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছিলেন। ওই সার্চ কমিটির প্রধানও ছিলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসেন। সংলাপের শুরু হয় গত ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির সঙ্গে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকের মধ্য দিয়ে। এরপর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টিসহ (জাপা) ৩১টি রাজনৈতিক দলের বৈঠক হয়।

গত ২৫ জানুয়ারি সার্চ কমিটি গঠন করে একটি চিঠি বঙ্গভবন থেকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ