মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২
Online Edition

মিতু হত্যাকাণ্ড অস্ত্র মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

চট্টগ্রাম অফিস : গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ মো. শাহে নূরের আদালতে সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। মামলার বাদি এবং নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (এডিসি) মো.কামরুজ্জামান প্রথমদিনে সাক্ষ্য দিয়েছেন। আদালত ২২ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের সময় নির্ধারণ করেছেন। গত বছরের ২২ নবেম্বর মামলার দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। দুই আসামি হল এহতেশামুল হক ভোলা ও রিকশাচালক মনির হোসেন।  মিতু হত্যার ঘটনায় গ্রেফতারের পর ভোলা ও মনির এখন কারাগারে আছে। তাদের বিরুদ্ধে নগরীর বাকলিয়া থানায় দায়ের হওয়া অস্ত্র আইনের এই মামলাটির অভিযোগপত্র গত বছরের ২৮ জুলাই আদালতে দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই মহিম উদ্দিন। অভিযোগপত্রে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র সরবরাহকারী এহতেশামুল হক ভোলা ও রিকশাচালক মনির হোসেনকে আসামি করা হয়।  গত ২৭ জুন ভোলা এবং পরদিন মনির গ্রেফতার হয়েছিল।  মনিরের জিম্মা থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল। গত ৫ জুন নগরীর জিইসি মোড় এলাকায় গুলি ও ছুরিকাঘাতে নিহত হন মাহমুদা খানম মিতু। এ ঘটনায় মিতুর স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অজ্ঞাতপরিচয় তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ভোলা ও রিকশাচালক মনির হোসেনকে আসামি করে বাকলিয়া থানায় অস্ত্র আইনে আরেকটি মামলা করেছিল পুলিশ।
আওয়ামী লীগ নেতা কারাগারে
গতকাল বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম নাজমুল হোসেন চৌধুরী বন্দরের এক কর্মকর্তাকে মারধরের মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা রোটারিয়ান মো. ইলিয়াসের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এডভোকেট নাসির উদ্দিন চৌধুরী জানান, বন্দর কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় জামিনে ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য রোটারিয়ান মো. ইলিয়াস। নির্ধারিত দিনে মামলার হাজিরা দিতে আদালতে আসলে জামিন বাতিল করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর কাজ না দেওয়ায় অজুহাতে অস্ত্র-শস্ত্রসহ ২০ থেকে ২৫ জন লোক নিয়ে অফিসে গিয়ে বন্দরের মেরিন ওয়ার্কশপের ডেপুটি ইঞ্জিনিয়ার এমদাদুল হকের ওপর হামলা চালান আওয়ামী লীগ নেতা ইলিয়াস।
১৪ জন যাত্রী আটক
গতকাল বুধবার সকালে বিমানে ওঠার সময় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সন্দেহভাজন ১৪ জন যাত্রীকে আটক করেছে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ।  তাদের মধ্যে সাতজন নারী।  তারা ভুয়া ওমরাহ যাত্রী বলে জানিয়েছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। পুলিশ সদর দপ্তরের বিশেষ শাখার পুলিশ সুপার (এসপি-ইমিগ্রেশন) মো.শাহরিয়ার আলম বলেন, সাতজন নারী ওমরাহ ভিসায় সৌদিআরব যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। নিয়ম অনুযায়ী তাদের সঙ্গে একজন করে মাহরাম (নিকটাত্মীয়) যেতে হবে।  কিন্তু তারা যে সাত পুরুষকে সঙ্গে এনেছে তারা কেউই নিকটাত্মীয় নন। এতে আমাদের সন্দেহ হলে আমরা ইমিগ্রেশন স্থগিত করে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করি।  তারা স্বীকার করেছে সাতজন কেউই তাদের নিকটাত্মীয় নন। ধারণা করছি এরা সবাই দালাল। এরপর আমরা তাদের বিমানে ওঠার অনুমতি দিইনি। তাদের মধ্যে কেউ মিয়ানমারের রোহিঙ্গা বংশোদ্ভূত আছে কিনা সেটা আমরা খতিয়ে দেখছি। সকাল ৯টায় এয়ার এরাবিয়ার একটি ফ্লাইটে তাদের সৌদিআরব যাওয়ার কথা ছিল। তাদের পাসপোর্ট, ভিসা ঠিক থাকলেও নিকটাত্মীয় না থাকায় তাদের আটকে দেয়া হয়। পৌনে দুই ঘণ্টা বিলম্বে এয়ার এরাবিয়ার বিমানটি সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে গেছে। আটক ১৪ জনের বিরুদ্ধে পতেঙ্গা থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ